ঢাকা ১২:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

৩টি কাজ করে ৪ দিনেই করোনামুক্ত, উহানে বসবাসরত ভারতীয় নাগরিক

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের দাপটে কাঁপছে গোটা বিশ্ব। এই ভাইরাসের বিষাক্ত ছোবলে বিশ্বব্যাপী প্রতি মুহূর্তে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। এরই মধ্যে বিশ্বের ২১৩টি দেশ ও অঞ্চলে একযোগে তাণ্ডব চালাচ্ছে নতুন এই ভাইরাস।

এখন পর্যন্ত (শনিবার দুপুর পৌনে ১টা) বিশ্বব্যাপী এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে ৪৬ লাখ ২৯ হাজার ৪০৭ জন। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৩ লাখ ৮ হাজার ৬৭৬ জনের।

প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের ধ্বংসযজ্ঞে অসহায় হয়ে পড়েছে আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান। কেননা, এখনও পর্যন্ত এই ভাইরাসের সফল কোনও প্রতিষেধক আবিষ্কার করা সম্ভব হয়নি। আর সে কারণেই দিন দিন বিশ্বব্যাপী দীর্ঘ হচ্ছে লাশের মিছিল।

এমন পরিস্থিতিতে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে কিছু ঘরোয়া কৌশল নিয়ে আলোচনা হচ্ছে ইন্টারনেট দুনিয়ায়।

ভারতীয় এক নাগরিক যিনি করোনার উৎপত্তিস্থল চীনের উহানে বসবাস করেন, তার ফেসবুক স্ট্যাটাসের বরাতে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে এই ঘরোয়া কৌশল। এই কৌশলে মাত্র ৪ দিনেই বিনাশ হচ্ছে করোনাভাইরাস। ইতোমধ্যে সেই স্ট্যাটাসটি নেট দুনিয়ায় ভাইরাল হয়ে পড়েছে।

এতে বলা হচ্ছে, চীনের প্রতিটি বাড়িতেই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী আছে। কিন্তু সেখানকার বাসিন্দারা এই ভাইরাসের জন্য আর কোনও ওষুধ বা ভ্যাকসিন নিচ্ছেন না। তারা এর চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে যাওয়াও বন্ধ করে দিয়েছেন। এর পরিবর্তে তারা গরম পানির ভাপ দিয়ে এই ভাইরাসকে বিনাশ করছেন।

এতে আরও বলা হয়, এ জন্য তারা মাত্র তিনটি কাজ করছেন। সেগুলো হল:-

১. তারা দিনে চার বার কেটলি থেকে গরম পানি ভাপ নিচ্ছেন।
২. দিনে চার বার গরম পানি দিয়ে গড়গড়া করছেন।
৩. আর দিনে চার বার গরম চা পান করছেন।

এভাবে টানা চার দিন এই তিনটি কাজ করেই ভাইরাসটিকে দমন করছেন তারা।

এভাবেই পঞ্চম দিনে হচ্ছেন করোনা নেগেটিভ বলে ওই স্ট্যাটাসে দাবি করা হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

৩টি কাজ করে ৪ দিনেই করোনামুক্ত, উহানে বসবাসরত ভারতীয় নাগরিক

আপডেট সময় ০১:১৩:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের দাপটে কাঁপছে গোটা বিশ্ব। এই ভাইরাসের বিষাক্ত ছোবলে বিশ্বব্যাপী প্রতি মুহূর্তে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। এরই মধ্যে বিশ্বের ২১৩টি দেশ ও অঞ্চলে একযোগে তাণ্ডব চালাচ্ছে নতুন এই ভাইরাস।

এখন পর্যন্ত (শনিবার দুপুর পৌনে ১টা) বিশ্বব্যাপী এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে ৪৬ লাখ ২৯ হাজার ৪০৭ জন। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৩ লাখ ৮ হাজার ৬৭৬ জনের।

প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের ধ্বংসযজ্ঞে অসহায় হয়ে পড়েছে আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান। কেননা, এখনও পর্যন্ত এই ভাইরাসের সফল কোনও প্রতিষেধক আবিষ্কার করা সম্ভব হয়নি। আর সে কারণেই দিন দিন বিশ্বব্যাপী দীর্ঘ হচ্ছে লাশের মিছিল।

এমন পরিস্থিতিতে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে কিছু ঘরোয়া কৌশল নিয়ে আলোচনা হচ্ছে ইন্টারনেট দুনিয়ায়।

ভারতীয় এক নাগরিক যিনি করোনার উৎপত্তিস্থল চীনের উহানে বসবাস করেন, তার ফেসবুক স্ট্যাটাসের বরাতে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে এই ঘরোয়া কৌশল। এই কৌশলে মাত্র ৪ দিনেই বিনাশ হচ্ছে করোনাভাইরাস। ইতোমধ্যে সেই স্ট্যাটাসটি নেট দুনিয়ায় ভাইরাল হয়ে পড়েছে।

এতে বলা হচ্ছে, চীনের প্রতিটি বাড়িতেই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী আছে। কিন্তু সেখানকার বাসিন্দারা এই ভাইরাসের জন্য আর কোনও ওষুধ বা ভ্যাকসিন নিচ্ছেন না। তারা এর চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে যাওয়াও বন্ধ করে দিয়েছেন। এর পরিবর্তে তারা গরম পানির ভাপ দিয়ে এই ভাইরাসকে বিনাশ করছেন।

এতে আরও বলা হয়, এ জন্য তারা মাত্র তিনটি কাজ করছেন। সেগুলো হল:-

১. তারা দিনে চার বার কেটলি থেকে গরম পানি ভাপ নিচ্ছেন।
২. দিনে চার বার গরম পানি দিয়ে গড়গড়া করছেন।
৩. আর দিনে চার বার গরম চা পান করছেন।

এভাবে টানা চার দিন এই তিনটি কাজ করেই ভাইরাসটিকে দমন করছেন তারা।

এভাবেই পঞ্চম দিনে হচ্ছেন করোনা নেগেটিভ বলে ওই স্ট্যাটাসে দাবি করা হয়েছে।