ঢাকা ০৪:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

করোনা থেকে মুক্তির পরও ‘পজিটিভ’!

আকাশ নিউজ ডেস্ক:  

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস নিয়ে প্রতিদিনই নতুন তথ্য জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। সেরে ওঠার পরও পরীক্ষায় দেখা গেছে, করোনাভাইরাস ‘পজিটিভ’।

কোরিয়া সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (কেসিডিসি) জানিয়েছে, দক্ষিণ কোরিয়ায় ১৬৩ জন করোনা রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার পর পুনরায় করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরীক্ষায় ফলাফল এসেছে ‘পজিটিভ’।

সংস্থাটির চিকিৎসকরা এখন এই রহস্য সমাধানে ব্যস্ত। একই ঘটনা ঘটছে চীনেও।

কেসিডিসি’র তথ্য মতে, দক্ষিণ কোরিয়ায় এই ভাইরাসে আক্রান্তের পর সুস্থ হয়েছেন ৭,৮২৯ জন। যাদের মধ্যে পুনরায় সংক্রমণ দেখা দিয়েছে ২.১ শতাংশের মাঝে।

সুস্থ হওয়া মানুষের আবার আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা পুরো পৃথিবীর মানুষের জন্যই আতঙ্কের সংবাদ। আর দক্ষিণ কোরিয়া এমন একটি দেশ যার নীতি নির্ধারকরা এই মহামারী পরিস্থিতিকে অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আনতে পেরেছেন।

কেসিডিসি’র উপ-পরিচালক কুয়োন জুন-উক বলেন, পুনরায় আক্রান্ত রোগীদের ৪৪ শতাংশের মধ্যে মৃদু মাত্রায় উপসর্গ দেখা যাচ্ছে। তবে তাদের মাধ্যমে সংক্রমণ হতে পারে এমন বিষয়ে নিশ্চিত করে বলা সম্ভব হচ্ছে না।

তিনি বলেন, নতুন এই ভাইরাস সম্পর্কে এখনও অনেক কিছুই অজানা। এমনকি জৈবিকভাবে চিরস্থায়ী আরোগ্যলাভ আদৌ সম্ভব কি না তাও বলা যাচ্ছে না।

ভাইরাসের ধ্বংসাবশেষ

সু্স্থ রোগীদের আবারও পরীক্ষার ফলাফল ‘পজিটিভ’ আসার এখন পর্যন্ত উপযুক্ত ব্যাখ্যা হল ভাইরাসের অবশিষ্টাংশ পরীক্ষায় ধরা পড়ছে।

একই পরিবারের তিনজন সুস্থ রোগী যাদের পরীক্ষায় ‘পজিটিভ’ এসেছে তাদের নিয়ে গবেষণা চালায় কেসিডিসি।

কুয়ান বলেন, বিজ্ঞানীরা এসব রোগীর শরীরে থাকা ভাইরাস ‘ইনকিউবেট’ করার চেষ্টা করে প্রতিবারই ব্যর্থ হয়েছেন। এ থেকে বোঝা যায় সেখানে কোনো সক্রিয় ভাইরাস নেই।

অন্য দেশগুলোর মতো দক্ষিণ কোরিয়াও করোনাভাইরাস পরীক্ষার জন্য ‘রিভার্স ট্রান্সক্রিপশন পলিমারেস চেইন রিঅ্যাকশন (আরটি-পিসিআর)’ পদ্ধতি ব্যবহার করে। এই পরীক্ষায় রোগীর শরীর থেকে নমুনা নিয়ে তাতে করোনাভাইরাসের জীনগত বৈশিষ্ট্য অথবা ‘আরএনএ’ খুঁজে বের করা হয়।

কুয়ান বলেন, পরীক্ষাগুলো অত্যন্ত সংবেদনশীল। তাই রোগী সুস্থ হওয়ার পরও শরীরের থেকে যাওয়া ভাইরাসের ‘আরএনএ’ হয়ত ধরা পড়ছে পরীক্ষায়, ফলে ফলাফল ‘পজিটিভ’ আসছে।

চীনের ফুসফুস ও শ্বাসপ্রশ্বাস সংক্রান্ত অন্ত্র বিশেষজ্ঞ ঝং নানশান এই ব্যাখ্যাকে সমর্থন দিয়ে বলেন, ‘আমি এই ব্যাপারটা নিয়ে খুব বেশি চিন্তিত নই।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

করোনা থেকে মুক্তির পরও ‘পজিটিভ’!

আপডেট সময় ১০:২৩:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২০

আকাশ নিউজ ডেস্ক:  

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস নিয়ে প্রতিদিনই নতুন তথ্য জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। সেরে ওঠার পরও পরীক্ষায় দেখা গেছে, করোনাভাইরাস ‘পজিটিভ’।

কোরিয়া সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (কেসিডিসি) জানিয়েছে, দক্ষিণ কোরিয়ায় ১৬৩ জন করোনা রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার পর পুনরায় করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরীক্ষায় ফলাফল এসেছে ‘পজিটিভ’।

সংস্থাটির চিকিৎসকরা এখন এই রহস্য সমাধানে ব্যস্ত। একই ঘটনা ঘটছে চীনেও।

কেসিডিসি’র তথ্য মতে, দক্ষিণ কোরিয়ায় এই ভাইরাসে আক্রান্তের পর সুস্থ হয়েছেন ৭,৮২৯ জন। যাদের মধ্যে পুনরায় সংক্রমণ দেখা দিয়েছে ২.১ শতাংশের মাঝে।

সুস্থ হওয়া মানুষের আবার আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা পুরো পৃথিবীর মানুষের জন্যই আতঙ্কের সংবাদ। আর দক্ষিণ কোরিয়া এমন একটি দেশ যার নীতি নির্ধারকরা এই মহামারী পরিস্থিতিকে অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আনতে পেরেছেন।

কেসিডিসি’র উপ-পরিচালক কুয়োন জুন-উক বলেন, পুনরায় আক্রান্ত রোগীদের ৪৪ শতাংশের মধ্যে মৃদু মাত্রায় উপসর্গ দেখা যাচ্ছে। তবে তাদের মাধ্যমে সংক্রমণ হতে পারে এমন বিষয়ে নিশ্চিত করে বলা সম্ভব হচ্ছে না।

তিনি বলেন, নতুন এই ভাইরাস সম্পর্কে এখনও অনেক কিছুই অজানা। এমনকি জৈবিকভাবে চিরস্থায়ী আরোগ্যলাভ আদৌ সম্ভব কি না তাও বলা যাচ্ছে না।

ভাইরাসের ধ্বংসাবশেষ

সু্স্থ রোগীদের আবারও পরীক্ষার ফলাফল ‘পজিটিভ’ আসার এখন পর্যন্ত উপযুক্ত ব্যাখ্যা হল ভাইরাসের অবশিষ্টাংশ পরীক্ষায় ধরা পড়ছে।

একই পরিবারের তিনজন সুস্থ রোগী যাদের পরীক্ষায় ‘পজিটিভ’ এসেছে তাদের নিয়ে গবেষণা চালায় কেসিডিসি।

কুয়ান বলেন, বিজ্ঞানীরা এসব রোগীর শরীরে থাকা ভাইরাস ‘ইনকিউবেট’ করার চেষ্টা করে প্রতিবারই ব্যর্থ হয়েছেন। এ থেকে বোঝা যায় সেখানে কোনো সক্রিয় ভাইরাস নেই।

অন্য দেশগুলোর মতো দক্ষিণ কোরিয়াও করোনাভাইরাস পরীক্ষার জন্য ‘রিভার্স ট্রান্সক্রিপশন পলিমারেস চেইন রিঅ্যাকশন (আরটি-পিসিআর)’ পদ্ধতি ব্যবহার করে। এই পরীক্ষায় রোগীর শরীর থেকে নমুনা নিয়ে তাতে করোনাভাইরাসের জীনগত বৈশিষ্ট্য অথবা ‘আরএনএ’ খুঁজে বের করা হয়।

কুয়ান বলেন, পরীক্ষাগুলো অত্যন্ত সংবেদনশীল। তাই রোগী সুস্থ হওয়ার পরও শরীরের থেকে যাওয়া ভাইরাসের ‘আরএনএ’ হয়ত ধরা পড়ছে পরীক্ষায়, ফলে ফলাফল ‘পজিটিভ’ আসছে।

চীনের ফুসফুস ও শ্বাসপ্রশ্বাস সংক্রান্ত অন্ত্র বিশেষজ্ঞ ঝং নানশান এই ব্যাখ্যাকে সমর্থন দিয়ে বলেন, ‘আমি এই ব্যাপারটা নিয়ে খুব বেশি চিন্তিত নই।’