ঢাকা ১২:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

আমাকে কেন, এই প্রশ্নটি নির্বাচকদের করুন: আকরাম খান

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

আগামী জুন-জুলাইয়ে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপকে সামনে রেখে সম্প্রতি বেশকিছু ক্রিকেটারকে খেলিয়েছে বাংলাদেশ। বিশ্বকাপ সামনে রেখে নির্বাচকদের এই রদবদল যৌক্তিক। কিন্তু ওয়ানডের পাশাপাশি গত এক মাসে টেস্ট সিরিজে এ নিয়ে পাঁচজনের অভিষেক হয়েছে। ঢাকা টেস্টে অভিষেকের অপেক্ষায় সাদমান ইসলাম।

ঘন ঘন অভিষেক করানো প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হয় জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক আকরাম খানকে। মঙ্গলবার মিরপুরে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আকরাম খান বলেন, ‘আসলে এই প্রশ্নটি নির্বাচকদের করলে ভালো হতো। তবে আমাদের যেহেতু কিছু ক্রিকেটার ইনজুরিতে ছিল এবং একই সঙ্গে আমাদের তরুণ ক্রিকেটারদেরকেও তো সুযোগ দিতে হবে।’

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের এই পরিচালক আরও বলেন, ‘এখন টেস্টে আমরা বেশকিছু ক্রিকেটারকে দেখছি। আমাদের সৌভাগ্য যে চার-পাঁচজন গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার ১০-১২ বছর ধরে বাংলাদেশ দলে খেলছে। তবে ওদেরও তো লিমিট আছে খেলার। আর সেই কারণে আমাদের নতুন ক্রিকেটারদেরকে দেখতে হবে। এটি আসলে একটি ইতিবাচক দিক।’

চট্টগ্রাম টেস্টের দুই ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ২০ উইকেট শিকার করেছেন বাংলাদেশ দলের স্পিনাররা। স্পিন সহায়ক উইকেট তৈরি করে চট্টগ্রামে ৬৪ রানে জয় পায় বাংলাদেশ। ঢাকা টেস্টের আগেও প্রশ্ন উঠেছে উইকেট নিয়ে।

ঢাকা টেস্ট নিয়ে আকরাম খান বলেন, ‘এখনও দুই দিন সময় আছে। আমরা চিন্তাভাবনা করছি। শুধু স্পিনাররাই ভালো খেলেছে তা নয়, আমাদের ব্যাটসম্যানরাও অনেক ভালো খেলেছে। যে ধরনের উইকেটই হোক, দল যদি ভালো খেলে এবং জয় পায় তাহলে দল চাঙ্গা থাকে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো উইন্ডিজদের বিপক্ষে দেশে প্রথম জয় পেয়েছি আমরা। গুরুত্বপূর্ণ কিছু খেলোয়াড়কে ছাড়াই সিরিজের প্রথম ম্যাচটি আমরা জিতেছি। এটা আমাদের জন্য ইতিবাচক দিক। মিরপুরের উইকেট স্পিনিংও হতে পারে, পেস সহায়কও হতে পারে।’

এক প্রশ্নের জবাবে বিসিবির এই পরিচালক বলেন, ‘চট্টগ্রামে স্পিন উইকেট ছিল বিধায় স্পিনার বেশি নিয়েছি। আগামীকাল অনুশীলন হবে। তখনও আমরা উইকেটটা দেখব। উইকেট যেমন হয় তার ওপরে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। আমাদের এখানে তরুণ বোলাররাও ভালো করছে। যারা স্কোয়াডে নেই যেমন এবাদত হোসেন আছে, আবু জায়েদ রাহি আছে- ওরা কিন্তু ভালো করছে। আমাদের যখন যাদের দরকার হবে তাদের দলে আনতে পারব, যেহেতু আমরা দেশে খেলছি।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

আমাকে কেন, এই প্রশ্নটি নির্বাচকদের করুন: আকরাম খান

আপডেট সময় ১০:৩৫:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ নভেম্বর ২০১৮

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

আগামী জুন-জুলাইয়ে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপকে সামনে রেখে সম্প্রতি বেশকিছু ক্রিকেটারকে খেলিয়েছে বাংলাদেশ। বিশ্বকাপ সামনে রেখে নির্বাচকদের এই রদবদল যৌক্তিক। কিন্তু ওয়ানডের পাশাপাশি গত এক মাসে টেস্ট সিরিজে এ নিয়ে পাঁচজনের অভিষেক হয়েছে। ঢাকা টেস্টে অভিষেকের অপেক্ষায় সাদমান ইসলাম।

ঘন ঘন অভিষেক করানো প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হয় জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক আকরাম খানকে। মঙ্গলবার মিরপুরে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আকরাম খান বলেন, ‘আসলে এই প্রশ্নটি নির্বাচকদের করলে ভালো হতো। তবে আমাদের যেহেতু কিছু ক্রিকেটার ইনজুরিতে ছিল এবং একই সঙ্গে আমাদের তরুণ ক্রিকেটারদেরকেও তো সুযোগ দিতে হবে।’

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের এই পরিচালক আরও বলেন, ‘এখন টেস্টে আমরা বেশকিছু ক্রিকেটারকে দেখছি। আমাদের সৌভাগ্য যে চার-পাঁচজন গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার ১০-১২ বছর ধরে বাংলাদেশ দলে খেলছে। তবে ওদেরও তো লিমিট আছে খেলার। আর সেই কারণে আমাদের নতুন ক্রিকেটারদেরকে দেখতে হবে। এটি আসলে একটি ইতিবাচক দিক।’

চট্টগ্রাম টেস্টের দুই ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ২০ উইকেট শিকার করেছেন বাংলাদেশ দলের স্পিনাররা। স্পিন সহায়ক উইকেট তৈরি করে চট্টগ্রামে ৬৪ রানে জয় পায় বাংলাদেশ। ঢাকা টেস্টের আগেও প্রশ্ন উঠেছে উইকেট নিয়ে।

ঢাকা টেস্ট নিয়ে আকরাম খান বলেন, ‘এখনও দুই দিন সময় আছে। আমরা চিন্তাভাবনা করছি। শুধু স্পিনাররাই ভালো খেলেছে তা নয়, আমাদের ব্যাটসম্যানরাও অনেক ভালো খেলেছে। যে ধরনের উইকেটই হোক, দল যদি ভালো খেলে এবং জয় পায় তাহলে দল চাঙ্গা থাকে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো উইন্ডিজদের বিপক্ষে দেশে প্রথম জয় পেয়েছি আমরা। গুরুত্বপূর্ণ কিছু খেলোয়াড়কে ছাড়াই সিরিজের প্রথম ম্যাচটি আমরা জিতেছি। এটা আমাদের জন্য ইতিবাচক দিক। মিরপুরের উইকেট স্পিনিংও হতে পারে, পেস সহায়কও হতে পারে।’

এক প্রশ্নের জবাবে বিসিবির এই পরিচালক বলেন, ‘চট্টগ্রামে স্পিন উইকেট ছিল বিধায় স্পিনার বেশি নিয়েছি। আগামীকাল অনুশীলন হবে। তখনও আমরা উইকেটটা দেখব। উইকেট যেমন হয় তার ওপরে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। আমাদের এখানে তরুণ বোলাররাও ভালো করছে। যারা স্কোয়াডে নেই যেমন এবাদত হোসেন আছে, আবু জায়েদ রাহি আছে- ওরা কিন্তু ভালো করছে। আমাদের যখন যাদের দরকার হবে তাদের দলে আনতে পারব, যেহেতু আমরা দেশে খেলছি।’