আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:
আগামী জুন-জুলাইয়ে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপকে সামনে রেখে সম্প্রতি বেশকিছু ক্রিকেটারকে খেলিয়েছে বাংলাদেশ। বিশ্বকাপ সামনে রেখে নির্বাচকদের এই রদবদল যৌক্তিক। কিন্তু ওয়ানডের পাশাপাশি গত এক মাসে টেস্ট সিরিজে এ নিয়ে পাঁচজনের অভিষেক হয়েছে। ঢাকা টেস্টে অভিষেকের অপেক্ষায় সাদমান ইসলাম।
ঘন ঘন অভিষেক করানো প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হয় জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক আকরাম খানকে। মঙ্গলবার মিরপুরে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আকরাম খান বলেন, ‘আসলে এই প্রশ্নটি নির্বাচকদের করলে ভালো হতো। তবে আমাদের যেহেতু কিছু ক্রিকেটার ইনজুরিতে ছিল এবং একই সঙ্গে আমাদের তরুণ ক্রিকেটারদেরকেও তো সুযোগ দিতে হবে।’
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের এই পরিচালক আরও বলেন, ‘এখন টেস্টে আমরা বেশকিছু ক্রিকেটারকে দেখছি। আমাদের সৌভাগ্য যে চার-পাঁচজন গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার ১০-১২ বছর ধরে বাংলাদেশ দলে খেলছে। তবে ওদেরও তো লিমিট আছে খেলার। আর সেই কারণে আমাদের নতুন ক্রিকেটারদেরকে দেখতে হবে। এটি আসলে একটি ইতিবাচক দিক।’
চট্টগ্রাম টেস্টের দুই ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ২০ উইকেট শিকার করেছেন বাংলাদেশ দলের স্পিনাররা। স্পিন সহায়ক উইকেট তৈরি করে চট্টগ্রামে ৬৪ রানে জয় পায় বাংলাদেশ। ঢাকা টেস্টের আগেও প্রশ্ন উঠেছে উইকেট নিয়ে।
ঢাকা টেস্ট নিয়ে আকরাম খান বলেন, ‘এখনও দুই দিন সময় আছে। আমরা চিন্তাভাবনা করছি। শুধু স্পিনাররাই ভালো খেলেছে তা নয়, আমাদের ব্যাটসম্যানরাও অনেক ভালো খেলেছে। যে ধরনের উইকেটই হোক, দল যদি ভালো খেলে এবং জয় পায় তাহলে দল চাঙ্গা থাকে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো উইন্ডিজদের বিপক্ষে দেশে প্রথম জয় পেয়েছি আমরা। গুরুত্বপূর্ণ কিছু খেলোয়াড়কে ছাড়াই সিরিজের প্রথম ম্যাচটি আমরা জিতেছি। এটা আমাদের জন্য ইতিবাচক দিক। মিরপুরের উইকেট স্পিনিংও হতে পারে, পেস সহায়কও হতে পারে।’
এক প্রশ্নের জবাবে বিসিবির এই পরিচালক বলেন, ‘চট্টগ্রামে স্পিন উইকেট ছিল বিধায় স্পিনার বেশি নিয়েছি। আগামীকাল অনুশীলন হবে। তখনও আমরা উইকেটটা দেখব। উইকেট যেমন হয় তার ওপরে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। আমাদের এখানে তরুণ বোলাররাও ভালো করছে। যারা স্কোয়াডে নেই যেমন এবাদত হোসেন আছে, আবু জায়েদ রাহি আছে- ওরা কিন্তু ভালো করছে। আমাদের যখন যাদের দরকার হবে তাদের দলে আনতে পারব, যেহেতু আমরা দেশে খেলছি।’
আকাশ নিউজ ডেস্ক 

























