আকাশ নিউজ ডেস্ক:
একটি চাকরির জন্য হন্যে হয়ে ছুটেছেন দিনের পর দিন। কিন্তু চাকরি মেলেনি তার। শেষমেশ চাকরির আশায় বসে না থেকে আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা করেন ফারজানা।
অদম্য আগ্রহ থেকে কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরের বড়খারচর গ্রামের মেয়ে ফারজানা পোশাক তৈরির কাজ শুরু করেন। এটাও খুব সহজ ছিল না তার কাছে। দিনের পর দিন প্রচণ্ড পরিশ্রম করতে হয়েছে নিজেকে প্রমাণ করতে।
প্রথম দিকে একাই শুরু করলেও পরে গ্রামের বেকার মেয়েদেরও সঙ্গে নেন। তার নিজের সংসারে সচ্ছলতা এসেছে। পাশাপাশি অন্য মেয়েদেরও কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। এখন এ গ্রামের মেয়েরা আর বেকার বসে নেই। ফারজানা ফ্যাশন নামে তার মিনি গার্মেন্টসে পোশাক সেলাই করে তারা রোজগার করছেন। নিজের প্রয়োজনে খরচ করছেন।
দশ ভাইবোনের মধ্যে ফারজানা চতুর্থ। আলিফ বিজ্ঞান কারিগরি কলেজ থেকে ২০১৫ সালে এইচএসসি পাস করেন তিনি। গ্রামের মেয়েদের সেলাই প্রশিক্ষণসহ হস্তশিল্পের নানা প্রশিক্ষণ দেন তিনি। তার প্রতিষ্ঠানে চল্লিশ জন নারী কর্মী কাজ করছেন।
এ প্রসঙ্গে ফারজানা বলেন, চাকরির পেছনে না ছুটে নিজেই একটা গার্মেন্ট দিই। এখানে নারীদের পোশাক তৈরিসহ নকশি কাঁথাও তৈরি হয়। যে নকশি কাঁথা কালের বিবর্তনে দেশ থেকে হারিয়ে যাচ্ছে।
দেশে মেধার মূল্যায়ন নেই, চাকরি পেতেও অনেক কাঠখড় পোহাতে হয়। ভবিষ্যতে আমার ইচ্ছা আছে গ্রামের বেকার মেয়েদের জন্য একটি ইন্ডাস্ট্রি গড়ে তোলার। তাদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিই আমার মূল লক্ষ্য।
গ্রামের মানুষ আমাকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করছেন। আমাকে সামনে এগিয়ে যাওয়ার সাহস জোগাচ্ছেন।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 

























