আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:
বিধ্বংসী ব্যাটসম্যান হিসেবে ক্রিস গেইলের খ্যাতি জগতজোড়া। হরহামেশা বোলারদের চোখের পানি ও নাকের জল এক করে ছাড়েন তিনি। সেই বিস্ফোরক ব্যাটসম্যানের সামনেই এক ওভারে ছয় ছক্কা হাঁকালেন হজরতুল্লাহ জাজাই। স্রেফ দর্শক বানিয়ে রাখলেন ক্যারিবীয় ব্যাটিং দানবকে।
রোববার রাতে আফগান প্রিমিয়ার লিগে মুখোমুখি হয়েছিল গেইলের বলখ লিজেন্ডস ও হজরতুল্লাহর কাবুল জওয়ান। সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজায় প্রথমে ব্যাট করে ২৪৪ রান করে বলখ। জবাবে ৭ উইকেটে ২২৩ রান তুলতে সক্ষম হয় কাবুল।
জওয়ানরা ২১ রানে হারলেও ঠিকই জিতেছেন জাজাই। পরের ইনিংসের চতুর্থ ওভারে টানা ছয় ছক্কা হাঁকান তিনি। দুর্ভাগা বোলারের নাম আবদুল্লাহ মাজারি। তার প্রতিটি বলকেই সীমানার বাইরে আছড়ে ফেলেন ২০ বছর বয়সী আফগান তরুণ।
সেই ছোট্টবেলা থেকেই গেইলকে আদর্শ মানেন জাজাই। স্বপ্নের নায়কের সামনেই এমন কাণ্ড ঘটান তিনি। ফিল্ডিংয়ে দর্শক হয়ে যা স্রেফ চেয়ে চেয়ে দেখেন ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান বিস্ফোরক ব্যাটসম্যান।
তরুণ তুর্কি হয়তো কাউকে ছাপিয়ে যেতে চাননি, তবে নিজের আইডলকে ঠিকই ছাড়িয়ে গেছেন। কারণ, এক ওভারে টানা ছয় ছক্কা হাঁকানোর কীর্তি নেই টি-টোয়েন্টি স্পেশালিস্টের।
জাজাইয়ের আগে ক্রিকেটের ইতিহাসে মাত্র ৫ জন ব্যাটসম্যানের এক ওভারে টানা ছয় বলে ছক্কা হাঁকানোর রেকর্ড আছে। স্যার গ্যারি সোবার্স, রবি শাস্ত্রী, হার্শেল গিবস, যুবরাজ সিং ও রস হুইটলি এ কৃতিত্ব দেখান।
এদিন আরো একটি রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছেন জাজাই। টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে দ্রুততম হাফসেঞ্চুরি করার কীর্তি দেখিয়েছেন তিনি। মাত্র ১২ বলে হাফসেঞ্চুরি করার নজির ছিল গেইল ও যুবরাজের। এবার সমানসংখ্যক বলে ফিফটি করে তাদের কাতারে বসলেন প্রতিশ্রুতিশীল ও সম্ভাবনাময়ী এ আফগান ক্রিকেটার।
ম্যাচে ১৭ বলে ৬২ রানের টর্নেডো ইনিংস খেলে বেন লাফলিনের বলে গুলবাদিন নাইবের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন জাজাই। এর আগে বাঁহাতি ব্যাটার মারেন ৭টি ছক্কা এবং ৪টি চার। তার ৬২ রানের ৫৮ রানই এসেছে চার-ছক্কা থেকে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 

























