ঢাকা ০৪:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ধর্ষিতাকে উদ্ধার করে জেল খাটছে দুই যুবক

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সাভারে সড়কের পাশ থেকে অচেতন অবস্থায় এক ধর্ষিতাকে উদ্ধারকারী প্রতিবেশী দুই যুবককে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত ২০ দিন ধরে তারা কারাগারে রয়েছেন। ধর্ষিতা কিশোরী ও তার মা অভিযুক্ত দুই যুবককে নির্দোষ বললেও তাদের গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

অভিযুক্ত দুই কিশোর ইমরান ও সোহাগ আশুলিয়ার জামগড়া এলাকার বাসিন্দা। তারা পরিবারের উপার্জনশীল হওয়ায় বিপাকে পড়েছে তাদের পরিবার।

ধর্ষিতার পরিবার জানায়, গত ১২ জানুয়ারি দুপুরে রাসেল নামের এক যুবক জামগড়া এলাকা থেকে কিশোরীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে। পরে সন্ধ্যার দিকে নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের জিরানী এলাকায় অচেতন অবস্থায় কিশোরীকে ফেলে রেখে যায় বখাটেরা। এসময় স্থানীয়রা কিশোরীর সঙ্গে একটি থাকা একটি ভিজিটিং কার্ডের মাধ্যমে বিষয়টি তার প্রতিবেশী ইমরান ও সোহাগকে জানায়। খবর পেয়ে তারা ধর্ষিতাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। অভিযুক্ত ধর্ষণকারী রাসেলকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।ঘটনার প্রায় এক মাস পর গত ১১ ফেব্রুয়ারি পুলিশ ওই দুই যুবককে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিযে কারাগারে পাঠায়।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী কিশোরী ও তার মা বলেন, বখাটে রাসেল আগে থেকে কিশোরীকে যৌন হয়রানি করে আসছিল। এনিয়ে তাদের প্রতিবেশী ওই দুই যুবক বেশ কয়েকবার এ নিয়ে প্রতিবাদও করেছে। আর এ কারণে বখাটে ধর্ষক ক্ষিপ্ত হয়ে তাদেরকে ফাঁসানোর জন্য জবানবন্দিতে দুই যুবকের সংশ্লিষ্টতার কথা জানিয়েছে। পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে না দেখেই তাদেরকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়।

এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি ইন্টিলিজেন্স) ওবায়দুর ইসলাম দৈনিক আকাশকে বলেন, মামলার প্রধান আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে দুই যুবকের নাম বলায় তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এখানে তার কিছুই করার নেই।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ধর্ষিতাকে উদ্ধার করে জেল খাটছে দুই যুবক

আপডেট সময় ০২:২৯:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সাভারে সড়কের পাশ থেকে অচেতন অবস্থায় এক ধর্ষিতাকে উদ্ধারকারী প্রতিবেশী দুই যুবককে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত ২০ দিন ধরে তারা কারাগারে রয়েছেন। ধর্ষিতা কিশোরী ও তার মা অভিযুক্ত দুই যুবককে নির্দোষ বললেও তাদের গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

অভিযুক্ত দুই কিশোর ইমরান ও সোহাগ আশুলিয়ার জামগড়া এলাকার বাসিন্দা। তারা পরিবারের উপার্জনশীল হওয়ায় বিপাকে পড়েছে তাদের পরিবার।

ধর্ষিতার পরিবার জানায়, গত ১২ জানুয়ারি দুপুরে রাসেল নামের এক যুবক জামগড়া এলাকা থেকে কিশোরীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে। পরে সন্ধ্যার দিকে নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের জিরানী এলাকায় অচেতন অবস্থায় কিশোরীকে ফেলে রেখে যায় বখাটেরা। এসময় স্থানীয়রা কিশোরীর সঙ্গে একটি থাকা একটি ভিজিটিং কার্ডের মাধ্যমে বিষয়টি তার প্রতিবেশী ইমরান ও সোহাগকে জানায়। খবর পেয়ে তারা ধর্ষিতাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। অভিযুক্ত ধর্ষণকারী রাসেলকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।ঘটনার প্রায় এক মাস পর গত ১১ ফেব্রুয়ারি পুলিশ ওই দুই যুবককে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিযে কারাগারে পাঠায়।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী কিশোরী ও তার মা বলেন, বখাটে রাসেল আগে থেকে কিশোরীকে যৌন হয়রানি করে আসছিল। এনিয়ে তাদের প্রতিবেশী ওই দুই যুবক বেশ কয়েকবার এ নিয়ে প্রতিবাদও করেছে। আর এ কারণে বখাটে ধর্ষক ক্ষিপ্ত হয়ে তাদেরকে ফাঁসানোর জন্য জবানবন্দিতে দুই যুবকের সংশ্লিষ্টতার কথা জানিয়েছে। পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে না দেখেই তাদেরকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়।

এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি ইন্টিলিজেন্স) ওবায়দুর ইসলাম দৈনিক আকাশকে বলেন, মামলার প্রধান আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে দুই যুবকের নাম বলায় তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এখানে তার কিছুই করার নেই।