ঢাকা ১১:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

খালেদার হতাশ আইনজীবীরা আদালত ছাড়লেন নীরবে

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জামিন না হওয়ায় হতাশ বিএনপির আইনজীবীরা কথাও বললেন না গণমাধ্যমের সঙ্গে। আদালতের আদেশের পর বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়েও চুপ তারা।

রবিবার হাইকোর্টে বিচারপতি ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের বেঞ্চে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর জামিন আবেদনের শুনানি হয়। পরে দুই বিচারক নিম্ন আদালতের নথি আসা অবধি আদেশ দেয়া স্থহিত রাখেন।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর রায়ের পর থেকেই কারাগারে বন্দী খালেদা জিয়া। তার আইনজীবীরা আশা করেছিলেন, আপিল আবেদন বৃহস্পতিবার গ্রহণের পর অর্থদণ্ড স্থহিত হয়ে যাওয়ায় আজই জামিন মিলবে। তবে সেটি হয়নি। দুর্নীতি দমন কমিশন এবং অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম জোরাল বিরোধিতা করেছেন জামিন আবেদনের।

শুনানির পর প্রতিবারই বিএনপন্থী আইনজীবীরা গণমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দেন। কিন্তু আদালতের আদেশের পর এমনটা হলো না আজ। তারা গণমাধ্যমকে এড়িয়ে যান। ফোন করলেও বেশ কয়েকজন আইনজীবী এ বিষয়ে বক্তব্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

তবে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মাহবুব উদ্দীন খোকন দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘ম্যাডামকে (খালেদা জিয়া) জামিন না দেয়া নজিরবিহীন। আমরা ব্যাথিত। সাধারণত পাঁচ থেকে সাত বছরের কারাদণ্ড হলে এমনিতেই জামিন দিয়ে দেয়। যে কোনো আইনজীবী দাঁড়ালে জামিন হয়।’

‘নিম্ন আদালতের নথি সাধারণত এমনিতেই আসে। কিন্তু এ মামলায় আদেশ দিয়ে নথি আনা নথি আনা হচ্ছে।’

বিএনপির এই আইনজীবী নেতা বলেন, ‘সাধারণত দুদকের আইনজীবী মামলায় শুনানি করেন। কিন্তু আজ অ্যাটর্নি জেনারেল বক্তব্য দিয়েছেন। এতে বুঝা যায় সরকার মামলা নিয়ে অতি উৎসাহী।’

খালেদা জিয়ার জামিন না হওয়ার বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান জয়নুল আবেদীন দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘আদালত সম্পর্কে এখন আর কিছু বলতে চাই না। আদালত সম্পর্কে সবাই জানে। সিনহা বাবুকে চলে যেতে হয়েছে। আদালতে কি হচ্ছে এটা সবাই জানে।’

বিকাল পৌনে চারটার দিকে আদালত তার সিদ্ধান্ত জানানোর পর খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা। বিকাল সাড়ে চারটার দিকে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্মেলন কক্ষে এ বৈঠক শুরু হয়।

বৈঠকে ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস, খালেদা জিয়ার আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী, আইনজীবী সমিতির সভাপতি জয়নুল আবেদীন ও সানাউল্লাহ মিয়া।

বৈঠকের সূত্র জানায়, এই মামলায় খালেদা জিয়ার পক্ষে বক্তব্য রাখা এ জে মোহাম্মদ আলী জোরাল অবস্থান নিতে পারেননি বলে বিএনপির অন্য আইনজীবীরা মনে করেন। তবে বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে বিস্তারিত কিছু বলতে রাজি নন কোনো আইনজীবী।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

খালেদার হতাশ আইনজীবীরা আদালত ছাড়লেন নীরবে

আপডেট সময় ১১:৫৪:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জামিন না হওয়ায় হতাশ বিএনপির আইনজীবীরা কথাও বললেন না গণমাধ্যমের সঙ্গে। আদালতের আদেশের পর বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়েও চুপ তারা।

রবিবার হাইকোর্টে বিচারপতি ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের বেঞ্চে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর জামিন আবেদনের শুনানি হয়। পরে দুই বিচারক নিম্ন আদালতের নথি আসা অবধি আদেশ দেয়া স্থহিত রাখেন।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর রায়ের পর থেকেই কারাগারে বন্দী খালেদা জিয়া। তার আইনজীবীরা আশা করেছিলেন, আপিল আবেদন বৃহস্পতিবার গ্রহণের পর অর্থদণ্ড স্থহিত হয়ে যাওয়ায় আজই জামিন মিলবে। তবে সেটি হয়নি। দুর্নীতি দমন কমিশন এবং অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম জোরাল বিরোধিতা করেছেন জামিন আবেদনের।

শুনানির পর প্রতিবারই বিএনপন্থী আইনজীবীরা গণমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দেন। কিন্তু আদালতের আদেশের পর এমনটা হলো না আজ। তারা গণমাধ্যমকে এড়িয়ে যান। ফোন করলেও বেশ কয়েকজন আইনজীবী এ বিষয়ে বক্তব্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

তবে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মাহবুব উদ্দীন খোকন দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘ম্যাডামকে (খালেদা জিয়া) জামিন না দেয়া নজিরবিহীন। আমরা ব্যাথিত। সাধারণত পাঁচ থেকে সাত বছরের কারাদণ্ড হলে এমনিতেই জামিন দিয়ে দেয়। যে কোনো আইনজীবী দাঁড়ালে জামিন হয়।’

‘নিম্ন আদালতের নথি সাধারণত এমনিতেই আসে। কিন্তু এ মামলায় আদেশ দিয়ে নথি আনা নথি আনা হচ্ছে।’

বিএনপির এই আইনজীবী নেতা বলেন, ‘সাধারণত দুদকের আইনজীবী মামলায় শুনানি করেন। কিন্তু আজ অ্যাটর্নি জেনারেল বক্তব্য দিয়েছেন। এতে বুঝা যায় সরকার মামলা নিয়ে অতি উৎসাহী।’

খালেদা জিয়ার জামিন না হওয়ার বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান জয়নুল আবেদীন দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘আদালত সম্পর্কে এখন আর কিছু বলতে চাই না। আদালত সম্পর্কে সবাই জানে। সিনহা বাবুকে চলে যেতে হয়েছে। আদালতে কি হচ্ছে এটা সবাই জানে।’

বিকাল পৌনে চারটার দিকে আদালত তার সিদ্ধান্ত জানানোর পর খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা। বিকাল সাড়ে চারটার দিকে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্মেলন কক্ষে এ বৈঠক শুরু হয়।

বৈঠকে ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস, খালেদা জিয়ার আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী, আইনজীবী সমিতির সভাপতি জয়নুল আবেদীন ও সানাউল্লাহ মিয়া।

বৈঠকের সূত্র জানায়, এই মামলায় খালেদা জিয়ার পক্ষে বক্তব্য রাখা এ জে মোহাম্মদ আলী জোরাল অবস্থান নিতে পারেননি বলে বিএনপির অন্য আইনজীবীরা মনে করেন। তবে বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে বিস্তারিত কিছু বলতে রাজি নন কোনো আইনজীবী।