ঢাকা ০৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফিদেল কাস্ত্রোর বড় ছেলের আত্মহত্যা

ফিদেল কাস্ত্রো ডায়াজ-বালার্ত (ফিদেলিতো)

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

কিউবার বিপ্লবী নেতা ফিদেল কাস্ত্রোর বড় ছেলে ফিদেল কাস্ত্রো ডায়াজ-বালার্ত আত্মহত্যা করেছেন। বাবার মৃত্যুর এক বছর পার হওয়ার পরপরই মৃত্যুর পথ বেছে নিলেন ফিদেলিতো। বৃহস্পতিবার আত্মহত্যায় তার জীবনের অবসান ঘটে।

কিউবার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। বাবার সঙ্গে চেহারায় মিল থাকার কারণে ডায়াজ বালার্তকে সবাই ফিদেলিতো (ছোট ফিদেল) ডাকত। কিউবার পরমাণু কর্মসূচির প্রধান ছিলেন তিনি।

কিউবার সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ৬৮ বছর বয়সী ফিদেলিতো বিষণ্নতায় ভুগছিলেন। কয়েক মাস ধরেই তিনি চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে ছিলেন। ফিদেলিতোর জন্ম ১৯৪৯ সালে; তার মা মার্তা ডায়াজ-বালার্ত। কিউবা বিপ্লবীর আগে মার্তার সঙ্গে ফিদেলের বিয়ে হয়েছিল। তবে তা বেশি দিন টেকেনি।

বিলুপ্ত সোভিয়েত ইউনিয়নে পড়াশোনা করা ফিদেলিতো নিজে ছিলেন পদার্থবিদ। কিউবান একাডেমি অব সায়েন্সেসের ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন তিনি। ১৯৮০-৯০ সাল পর্যন্ত কিউবার পরমাণু কর্মসূচির প্রধান ছিলেন ফিদেলিতো। তবে এ পদ থেকে তার বাবাই তাকে সরিয়ে দিয়েছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফিদেল কাস্ত্রোর বড় ছেলের আত্মহত্যা

আপডেট সময় ১২:৫২:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

কিউবার বিপ্লবী নেতা ফিদেল কাস্ত্রোর বড় ছেলে ফিদেল কাস্ত্রো ডায়াজ-বালার্ত আত্মহত্যা করেছেন। বাবার মৃত্যুর এক বছর পার হওয়ার পরপরই মৃত্যুর পথ বেছে নিলেন ফিদেলিতো। বৃহস্পতিবার আত্মহত্যায় তার জীবনের অবসান ঘটে।

কিউবার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। বাবার সঙ্গে চেহারায় মিল থাকার কারণে ডায়াজ বালার্তকে সবাই ফিদেলিতো (ছোট ফিদেল) ডাকত। কিউবার পরমাণু কর্মসূচির প্রধান ছিলেন তিনি।

কিউবার সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ৬৮ বছর বয়সী ফিদেলিতো বিষণ্নতায় ভুগছিলেন। কয়েক মাস ধরেই তিনি চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে ছিলেন। ফিদেলিতোর জন্ম ১৯৪৯ সালে; তার মা মার্তা ডায়াজ-বালার্ত। কিউবা বিপ্লবীর আগে মার্তার সঙ্গে ফিদেলের বিয়ে হয়েছিল। তবে তা বেশি দিন টেকেনি।

বিলুপ্ত সোভিয়েত ইউনিয়নে পড়াশোনা করা ফিদেলিতো নিজে ছিলেন পদার্থবিদ। কিউবান একাডেমি অব সায়েন্সেসের ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন তিনি। ১৯৮০-৯০ সাল পর্যন্ত কিউবার পরমাণু কর্মসূচির প্রধান ছিলেন ফিদেলিতো। তবে এ পদ থেকে তার বাবাই তাকে সরিয়ে দিয়েছিলেন।