ঢাকা ০৯:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ফিদেল কাস্ত্রোর বড় ছেলের আত্মহত্যা

ফিদেল কাস্ত্রো ডায়াজ-বালার্ত (ফিদেলিতো)

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

কিউবার বিপ্লবী নেতা ফিদেল কাস্ত্রোর বড় ছেলে ফিদেল কাস্ত্রো ডায়াজ-বালার্ত আত্মহত্যা করেছেন। বাবার মৃত্যুর এক বছর পার হওয়ার পরপরই মৃত্যুর পথ বেছে নিলেন ফিদেলিতো। বৃহস্পতিবার আত্মহত্যায় তার জীবনের অবসান ঘটে।

কিউবার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। বাবার সঙ্গে চেহারায় মিল থাকার কারণে ডায়াজ বালার্তকে সবাই ফিদেলিতো (ছোট ফিদেল) ডাকত। কিউবার পরমাণু কর্মসূচির প্রধান ছিলেন তিনি।

কিউবার সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ৬৮ বছর বয়সী ফিদেলিতো বিষণ্নতায় ভুগছিলেন। কয়েক মাস ধরেই তিনি চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে ছিলেন। ফিদেলিতোর জন্ম ১৯৪৯ সালে; তার মা মার্তা ডায়াজ-বালার্ত। কিউবা বিপ্লবীর আগে মার্তার সঙ্গে ফিদেলের বিয়ে হয়েছিল। তবে তা বেশি দিন টেকেনি।

বিলুপ্ত সোভিয়েত ইউনিয়নে পড়াশোনা করা ফিদেলিতো নিজে ছিলেন পদার্থবিদ। কিউবান একাডেমি অব সায়েন্সেসের ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন তিনি। ১৯৮০-৯০ সাল পর্যন্ত কিউবার পরমাণু কর্মসূচির প্রধান ছিলেন ফিদেলিতো। তবে এ পদ থেকে তার বাবাই তাকে সরিয়ে দিয়েছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

ফিদেল কাস্ত্রোর বড় ছেলের আত্মহত্যা

আপডেট সময় ১২:৫২:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

কিউবার বিপ্লবী নেতা ফিদেল কাস্ত্রোর বড় ছেলে ফিদেল কাস্ত্রো ডায়াজ-বালার্ত আত্মহত্যা করেছেন। বাবার মৃত্যুর এক বছর পার হওয়ার পরপরই মৃত্যুর পথ বেছে নিলেন ফিদেলিতো। বৃহস্পতিবার আত্মহত্যায় তার জীবনের অবসান ঘটে।

কিউবার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। বাবার সঙ্গে চেহারায় মিল থাকার কারণে ডায়াজ বালার্তকে সবাই ফিদেলিতো (ছোট ফিদেল) ডাকত। কিউবার পরমাণু কর্মসূচির প্রধান ছিলেন তিনি।

কিউবার সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ৬৮ বছর বয়সী ফিদেলিতো বিষণ্নতায় ভুগছিলেন। কয়েক মাস ধরেই তিনি চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে ছিলেন। ফিদেলিতোর জন্ম ১৯৪৯ সালে; তার মা মার্তা ডায়াজ-বালার্ত। কিউবা বিপ্লবীর আগে মার্তার সঙ্গে ফিদেলের বিয়ে হয়েছিল। তবে তা বেশি দিন টেকেনি।

বিলুপ্ত সোভিয়েত ইউনিয়নে পড়াশোনা করা ফিদেলিতো নিজে ছিলেন পদার্থবিদ। কিউবান একাডেমি অব সায়েন্সেসের ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন তিনি। ১৯৮০-৯০ সাল পর্যন্ত কিউবার পরমাণু কর্মসূচির প্রধান ছিলেন ফিদেলিতো। তবে এ পদ থেকে তার বাবাই তাকে সরিয়ে দিয়েছিলেন।