ঢাকা ০৪:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জুনের ১৭ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এলো ১৮২ কোটি ডলার প্রতিযোগিতামূলক বিনিয়োগ পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান সাবেক প্রতিমন্ত্রী হারুন অর রশীদ আর নেই প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা পেতে হলে পরিবেশের উন্নয়ন করতে হবে : আব্দুস সালাম মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ হবে পরিচ্ছন্ন ও সবুজ জনপরিসর: ডেপুটি স্পিকার ‘সংসদে একজন রাজনৈতিক নেতার অন্ধকার জীবন নিয়ে আলোচনা হোক, আমি চাই না’:স্পিকার কোনো এমপি ঋণখেলাপি নন- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পুনঃতপশিলের কথা সবার জানা- রুমিন প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা সুইস ব্যাংক: ২০২৫ সালে বাংলাদেশিরা জমা রাখেন সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকার বেশি একবেলা না খেয়ে হলেও প্রতিরক্ষা বাজেট বাড়াতে হবে: এনসিপি এমপি মুজাহিদ

ফিদেল কাস্ত্রোর বড় ছেলের আত্মহত্যা

ফিদেল কাস্ত্রো ডায়াজ-বালার্ত (ফিদেলিতো)

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

কিউবার বিপ্লবী নেতা ফিদেল কাস্ত্রোর বড় ছেলে ফিদেল কাস্ত্রো ডায়াজ-বালার্ত আত্মহত্যা করেছেন। বাবার মৃত্যুর এক বছর পার হওয়ার পরপরই মৃত্যুর পথ বেছে নিলেন ফিদেলিতো। বৃহস্পতিবার আত্মহত্যায় তার জীবনের অবসান ঘটে।

কিউবার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। বাবার সঙ্গে চেহারায় মিল থাকার কারণে ডায়াজ বালার্তকে সবাই ফিদেলিতো (ছোট ফিদেল) ডাকত। কিউবার পরমাণু কর্মসূচির প্রধান ছিলেন তিনি।

কিউবার সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ৬৮ বছর বয়সী ফিদেলিতো বিষণ্নতায় ভুগছিলেন। কয়েক মাস ধরেই তিনি চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে ছিলেন। ফিদেলিতোর জন্ম ১৯৪৯ সালে; তার মা মার্তা ডায়াজ-বালার্ত। কিউবা বিপ্লবীর আগে মার্তার সঙ্গে ফিদেলের বিয়ে হয়েছিল। তবে তা বেশি দিন টেকেনি।

বিলুপ্ত সোভিয়েত ইউনিয়নে পড়াশোনা করা ফিদেলিতো নিজে ছিলেন পদার্থবিদ। কিউবান একাডেমি অব সায়েন্সেসের ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন তিনি। ১৯৮০-৯০ সাল পর্যন্ত কিউবার পরমাণু কর্মসূচির প্রধান ছিলেন ফিদেলিতো। তবে এ পদ থেকে তার বাবাই তাকে সরিয়ে দিয়েছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুনের ১৭ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এলো ১৮২ কোটি ডলার

ফিদেল কাস্ত্রোর বড় ছেলের আত্মহত্যা

আপডেট সময় ১২:৫২:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

কিউবার বিপ্লবী নেতা ফিদেল কাস্ত্রোর বড় ছেলে ফিদেল কাস্ত্রো ডায়াজ-বালার্ত আত্মহত্যা করেছেন। বাবার মৃত্যুর এক বছর পার হওয়ার পরপরই মৃত্যুর পথ বেছে নিলেন ফিদেলিতো। বৃহস্পতিবার আত্মহত্যায় তার জীবনের অবসান ঘটে।

কিউবার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। বাবার সঙ্গে চেহারায় মিল থাকার কারণে ডায়াজ বালার্তকে সবাই ফিদেলিতো (ছোট ফিদেল) ডাকত। কিউবার পরমাণু কর্মসূচির প্রধান ছিলেন তিনি।

কিউবার সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ৬৮ বছর বয়সী ফিদেলিতো বিষণ্নতায় ভুগছিলেন। কয়েক মাস ধরেই তিনি চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে ছিলেন। ফিদেলিতোর জন্ম ১৯৪৯ সালে; তার মা মার্তা ডায়াজ-বালার্ত। কিউবা বিপ্লবীর আগে মার্তার সঙ্গে ফিদেলের বিয়ে হয়েছিল। তবে তা বেশি দিন টেকেনি।

বিলুপ্ত সোভিয়েত ইউনিয়নে পড়াশোনা করা ফিদেলিতো নিজে ছিলেন পদার্থবিদ। কিউবান একাডেমি অব সায়েন্সেসের ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন তিনি। ১৯৮০-৯০ সাল পর্যন্ত কিউবার পরমাণু কর্মসূচির প্রধান ছিলেন ফিদেলিতো। তবে এ পদ থেকে তার বাবাই তাকে সরিয়ে দিয়েছিলেন।