ঢাকা ০৮:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খাবার না দেয়ায় চ্যাটে মগ্ন স্ত্রীকে কুপিয়ে খুন

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

স্ত্রী ফেসবুকে চ্যাটিংয়ে ব্যস্ত। বাইরে থেকে স্বামী এসে দুপুরের খাবার চাইলেও তার মগ্নতা ভাঙে না। আর এতেই মেজাজ হারিয়ে স্ত্রীকে কুপিয়ে ও গলায় ফাঁস দিয়ে খুন করলো স্বামী। বুধবার ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার চেতলায় এ ঘটনা ঘটে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে, স্বামী ও দুই ছেলেকে নিয়ে চেতলা থানার আলিপুর রোডের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন টুম্পা। স্বামী সুরজিৎ পেশায় একটি কোম্পানির সেলসম্যান। জিনিসপত্র কিনে দোকানে দোকানে বিক্রির কাজ করতেন।

বুধবার সন্ধ্যার দিকে টুম্পাকে রক্তাক্ত অবস্থায় বিছানায় পড়ে থাকতে দেখে আশেপাশের লোককে ডেকে আনে তার ছেলে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে। প্রথমে গলায় ফাঁস ও পরে মাথার পিছনে ধারাল অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে খুন করা হয়েছে টুম্পা পালকে। ঘটনার পরপর পালিয়ে যায় স্বামী সুরজিৎ।

পরে রাতে হাওড়া স্টেশন এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সুরজিৎ স্বীকার করেন তিনিই খুন করেছেন। তিনি পুলিশকে জানান, দুপুরে বাড়ি ফিরে খাবার দিতে বলেছিলাম স্ত্রীকে। কিন্তু ও ফেসবুক চ্যাটিংয়ে এতটাই মগ্ন ছিল যে, আমার কথা কানেই ঢোকেনি। তাই মেজাজ হারিয়ে খুন করেছি।

তবে টুম্পা ফেসবুকে কার সঙ্গে চ্যাট করত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

খাবার না দেয়ায় চ্যাটে মগ্ন স্ত্রীকে কুপিয়ে খুন

আপডেট সময় ১১:২৭:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

স্ত্রী ফেসবুকে চ্যাটিংয়ে ব্যস্ত। বাইরে থেকে স্বামী এসে দুপুরের খাবার চাইলেও তার মগ্নতা ভাঙে না। আর এতেই মেজাজ হারিয়ে স্ত্রীকে কুপিয়ে ও গলায় ফাঁস দিয়ে খুন করলো স্বামী। বুধবার ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার চেতলায় এ ঘটনা ঘটে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে, স্বামী ও দুই ছেলেকে নিয়ে চেতলা থানার আলিপুর রোডের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন টুম্পা। স্বামী সুরজিৎ পেশায় একটি কোম্পানির সেলসম্যান। জিনিসপত্র কিনে দোকানে দোকানে বিক্রির কাজ করতেন।

বুধবার সন্ধ্যার দিকে টুম্পাকে রক্তাক্ত অবস্থায় বিছানায় পড়ে থাকতে দেখে আশেপাশের লোককে ডেকে আনে তার ছেলে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে। প্রথমে গলায় ফাঁস ও পরে মাথার পিছনে ধারাল অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে খুন করা হয়েছে টুম্পা পালকে। ঘটনার পরপর পালিয়ে যায় স্বামী সুরজিৎ।

পরে রাতে হাওড়া স্টেশন এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সুরজিৎ স্বীকার করেন তিনিই খুন করেছেন। তিনি পুলিশকে জানান, দুপুরে বাড়ি ফিরে খাবার দিতে বলেছিলাম স্ত্রীকে। কিন্তু ও ফেসবুক চ্যাটিংয়ে এতটাই মগ্ন ছিল যে, আমার কথা কানেই ঢোকেনি। তাই মেজাজ হারিয়ে খুন করেছি।

তবে টুম্পা ফেসবুকে কার সঙ্গে চ্যাট করত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।