ঢাকা ১১:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

সুপ্রিমকোর্টের ক্ষমতা খর্ব করা হয়নি: আইনমন্ত্রী

আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, সবার চাহিদা অনুযায়ী অধস্তন আদালতের বিচারকদের শৃংখলাবিধি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে সুপ্রিমকোর্টের ক্ষমতা খর্ব করা হয়নি বরং বাড়ানো হয়েছে।

মঙ্গলবার সচিবালয়ের আইন মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। সোমবার নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃংখলা বিধিমালার প্রজ্ঞাপন জারি করে আইন মন্ত্রণালয়। এ বিধিমালা অনুযায়ী অধস্তন বিচার বিভাগের কর্মকর্তাদের শৃংখলা সংক্রান্ত বিষয়গুলো উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হবে।

গেজেটে ‘উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ’ অর্থ রাষ্ট্রপতি বা তৎকর্তৃক সংবিধানের ৫৫(৬) অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রণীত রুলস অব বিজনেস-এর আওতায় সার্ভিস প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রণালয় বা বিভাগকে বোঝানো হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আইন বিশেষজ্ঞরা বলেন, অধস্তন আদালতের শৃংখলাবিধির ওপর কার্যত সরকারেরই নিয়ন্ত্রণ থাকছে। কারণ সার্ভিস সদস্যদের প্রশাসনিক দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রণালয় বলতে আইন মন্ত্রণালয়কেই বোঝানো হয়েছে।

অধস্তন আদালতের শৃংখলাবিধি নিয়ে সমালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার এর জবাব দেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। প্রসঙ্গত, ১৯৯৯ সালের ২ ডিসেম্বর মাসদার হোসেন মামলায় ১২ দফা নির্দেশনা দিয়ে রায় দেয়া হয়। ওই রায়ের আলোকে বিচারিক আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃংখলা সংক্রান্ত বিধিমালা প্রণয়নের নির্দেশনা ছিল।

গত বছরের ২৮ আগস্ট শুনানিতে আপিল বিভাগ জানায়, শৃংখলা বিধিমালাসংক্রান্ত সরকারের খসড়াটি ছিল ১৯৮৫ সালের সরকারি কর্মচারী (শৃংখলা ও আপিল) বিধিমালার হুবহু অনুরূপ, যা মাসদার হোসেন মামলার রায়ের পরিপন্থি।

এর পরই সুপ্রিমকোর্ট একটি খসড়া বিধিমালা করে আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠায়। একইসঙ্গে ওই বছরের ৬ নভেম্বরের মধ্যে তা প্রণয়ন করে প্রতিবেদন আকারে আদালতকে অবহিত করতে নির্দেশ দেয়। কিন্তু এ নিয়ে আইনমন্ত্রীর সঙ্গে তৎকালীন প্রধান বিচারপতির কয়েক দফা বৈঠক হয়। একপর্যায়ে মন্ত্রণালয় একটি খসড়া করলে সেটিতে প্রধান বিচারপতি আপত্তি জানান।

এরপর গত বছরের ৭ মে আইন মন্ত্রণালয় থেকে একটি খসড়া শৃংখলাবিধি তৈরি করে সুপ্রিমকোর্টে পাঠানো হয়। কিন্তু তা মাসদার হোসেন মামলার রায়ের আলোকে না হওয়ায় সুপ্রিমকোর্ট কর্তৃপক্ষ একটি কমিটি গঠন করে আলাদা একটি শৃংখলাবিধি তৈরি করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সুপ্রিমকোর্টের ক্ষমতা খর্ব করা হয়নি: আইনমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৫:৪৫:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, সবার চাহিদা অনুযায়ী অধস্তন আদালতের বিচারকদের শৃংখলাবিধি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে সুপ্রিমকোর্টের ক্ষমতা খর্ব করা হয়নি বরং বাড়ানো হয়েছে।

মঙ্গলবার সচিবালয়ের আইন মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। সোমবার নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃংখলা বিধিমালার প্রজ্ঞাপন জারি করে আইন মন্ত্রণালয়। এ বিধিমালা অনুযায়ী অধস্তন বিচার বিভাগের কর্মকর্তাদের শৃংখলা সংক্রান্ত বিষয়গুলো উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হবে।

গেজেটে ‘উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ’ অর্থ রাষ্ট্রপতি বা তৎকর্তৃক সংবিধানের ৫৫(৬) অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রণীত রুলস অব বিজনেস-এর আওতায় সার্ভিস প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রণালয় বা বিভাগকে বোঝানো হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আইন বিশেষজ্ঞরা বলেন, অধস্তন আদালতের শৃংখলাবিধির ওপর কার্যত সরকারেরই নিয়ন্ত্রণ থাকছে। কারণ সার্ভিস সদস্যদের প্রশাসনিক দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রণালয় বলতে আইন মন্ত্রণালয়কেই বোঝানো হয়েছে।

অধস্তন আদালতের শৃংখলাবিধি নিয়ে সমালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার এর জবাব দেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। প্রসঙ্গত, ১৯৯৯ সালের ২ ডিসেম্বর মাসদার হোসেন মামলায় ১২ দফা নির্দেশনা দিয়ে রায় দেয়া হয়। ওই রায়ের আলোকে বিচারিক আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃংখলা সংক্রান্ত বিধিমালা প্রণয়নের নির্দেশনা ছিল।

গত বছরের ২৮ আগস্ট শুনানিতে আপিল বিভাগ জানায়, শৃংখলা বিধিমালাসংক্রান্ত সরকারের খসড়াটি ছিল ১৯৮৫ সালের সরকারি কর্মচারী (শৃংখলা ও আপিল) বিধিমালার হুবহু অনুরূপ, যা মাসদার হোসেন মামলার রায়ের পরিপন্থি।

এর পরই সুপ্রিমকোর্ট একটি খসড়া বিধিমালা করে আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠায়। একইসঙ্গে ওই বছরের ৬ নভেম্বরের মধ্যে তা প্রণয়ন করে প্রতিবেদন আকারে আদালতকে অবহিত করতে নির্দেশ দেয়। কিন্তু এ নিয়ে আইনমন্ত্রীর সঙ্গে তৎকালীন প্রধান বিচারপতির কয়েক দফা বৈঠক হয়। একপর্যায়ে মন্ত্রণালয় একটি খসড়া করলে সেটিতে প্রধান বিচারপতি আপত্তি জানান।

এরপর গত বছরের ৭ মে আইন মন্ত্রণালয় থেকে একটি খসড়া শৃংখলাবিধি তৈরি করে সুপ্রিমকোর্টে পাঠানো হয়। কিন্তু তা মাসদার হোসেন মামলার রায়ের আলোকে না হওয়ায় সুপ্রিমকোর্ট কর্তৃপক্ষ একটি কমিটি গঠন করে আলাদা একটি শৃংখলাবিধি তৈরি করেন।