ঢাকা ০২:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

নির্যাতনে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন আটক সৌদি প্রিন্সরা

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

সৌদি আরবে দুর্নীতিবিরোধী অভিযানে আটক ব্যক্তিদের ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছে বলে দেশটির রাজপ্রাসাদের ঘনিষ্ঠ একাধিক সূত্র খবর দিয়েছে। এসব সূত্র আরো বলছে, দুর্নীতি দমন অভিযানের নামে সৌদি আরবের সাবেক গোয়েন্দা প্রধান বন্দর বিন সুলতানকেও আটক করা হয়েছে।

ইরানি গণমাধ্যম পার্স টুডে বলেছে, সৌদি রাজপ্রাসাদের সূত্রগুলো নিউজ ওয়েবসাইট ‘মিডল ইস্ট আই’কে বলেছে, আটক প্রিন্স, মন্ত্রী ও কর্মকর্তাদের ওপর ‘পুরনো’ পদ্ধতিতে নির্যাতন চালানো হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের নামে চালানো এসব নির্যাতনের ফলে অনেক বন্দি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন এবং তাদেরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সূত্রগুলো জানিয়েছে, সৌদি কর্মকর্তারা যে সংখ্যা বলেছে, আটক ব্যক্তিদের প্রকৃত সংখ্যা তার চেয়ে অনেক বেশি। এ পর্যন্ত ৫০০ জনের বেশি প্রিন্স, কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে সাবেক গোয়েন্দা প্রধান বন্দর বিন সুলতান এবং সৌদি ধনকুবের ওয়ালিদ বিন তালালের মেয়ে রয়েছেন।

বন্দর বিন সুলতান ২০১২ সালের জুলাই মাস থেকে ২০১৪ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত সৌদি আরবের গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি ১৯৮৩ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত ২২ বছর আমেরিকায় সৌদি রাষ্ট্রদূত হিসেবে কাজ করেছেন।

সম্প্রতি সৌদি রাজা সালমান নিজের ছেলে যুবরাজ মোহাম্মাদ বিন সালমানকে দুর্নীতি দমন কমিটির প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেন। নিয়োগ পাওয়ার পরপরই ৪ নভেম্বর রাতে সৌদি আরবের ন্যাশনাল গার্ড বাহিনীর প্রধানসহ বহু প্রিন্স, পদস্থ কর্মকর্তা, বর্তমান ও সাবেক মন্ত্রী এবং ব্যবসায়ীকে আটক করেন মোহাম্মাদ বিন সালমান।

দুর্নীতি দমনের নামে এসব ধরপাকড় হলেও বিশ্লেষকরা বলছেন, যুবরাজ মোহাম্মাদ বিন সালমানের ক্ষমতা সুসংহত করার লক্ষ্যেই এই অভিযান চালানো হচ্ছে। কোনো কোনো সূত্র বলছে, রাজা সালমান শিগগিরই রাজতন্ত্রের দায়িত্ব মোহাম্মাদ বিন সালমানের কাছে হস্তান্তর করবেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

নির্যাতনে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন আটক সৌদি প্রিন্সরা

আপডেট সময় ১২:১৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

সৌদি আরবে দুর্নীতিবিরোধী অভিযানে আটক ব্যক্তিদের ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছে বলে দেশটির রাজপ্রাসাদের ঘনিষ্ঠ একাধিক সূত্র খবর দিয়েছে। এসব সূত্র আরো বলছে, দুর্নীতি দমন অভিযানের নামে সৌদি আরবের সাবেক গোয়েন্দা প্রধান বন্দর বিন সুলতানকেও আটক করা হয়েছে।

ইরানি গণমাধ্যম পার্স টুডে বলেছে, সৌদি রাজপ্রাসাদের সূত্রগুলো নিউজ ওয়েবসাইট ‘মিডল ইস্ট আই’কে বলেছে, আটক প্রিন্স, মন্ত্রী ও কর্মকর্তাদের ওপর ‘পুরনো’ পদ্ধতিতে নির্যাতন চালানো হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের নামে চালানো এসব নির্যাতনের ফলে অনেক বন্দি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন এবং তাদেরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সূত্রগুলো জানিয়েছে, সৌদি কর্মকর্তারা যে সংখ্যা বলেছে, আটক ব্যক্তিদের প্রকৃত সংখ্যা তার চেয়ে অনেক বেশি। এ পর্যন্ত ৫০০ জনের বেশি প্রিন্স, কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে সাবেক গোয়েন্দা প্রধান বন্দর বিন সুলতান এবং সৌদি ধনকুবের ওয়ালিদ বিন তালালের মেয়ে রয়েছেন।

বন্দর বিন সুলতান ২০১২ সালের জুলাই মাস থেকে ২০১৪ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত সৌদি আরবের গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি ১৯৮৩ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত ২২ বছর আমেরিকায় সৌদি রাষ্ট্রদূত হিসেবে কাজ করেছেন।

সম্প্রতি সৌদি রাজা সালমান নিজের ছেলে যুবরাজ মোহাম্মাদ বিন সালমানকে দুর্নীতি দমন কমিটির প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেন। নিয়োগ পাওয়ার পরপরই ৪ নভেম্বর রাতে সৌদি আরবের ন্যাশনাল গার্ড বাহিনীর প্রধানসহ বহু প্রিন্স, পদস্থ কর্মকর্তা, বর্তমান ও সাবেক মন্ত্রী এবং ব্যবসায়ীকে আটক করেন মোহাম্মাদ বিন সালমান।

দুর্নীতি দমনের নামে এসব ধরপাকড় হলেও বিশ্লেষকরা বলছেন, যুবরাজ মোহাম্মাদ বিন সালমানের ক্ষমতা সুসংহত করার লক্ষ্যেই এই অভিযান চালানো হচ্ছে। কোনো কোনো সূত্র বলছে, রাজা সালমান শিগগিরই রাজতন্ত্রের দায়িত্ব মোহাম্মাদ বিন সালমানের কাছে হস্তান্তর করবেন।