ঢাকা ০৬:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রক্তমাখা পতাকা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ জুলাই যোদ্ধা শেখ আজিজুরের দুই মাসের মধ্যে রমেক হাসপাতালের আইসিইউ শয্যা ২০টিতে উন্নীত করা হবে: আসাদুল হাবীব দুলু বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার ধর্ম ও রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে সকল মানুষের পাশে আছে সরকার: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী তৃণমূল থেকে ক্রীড়ার ভিত্তি শক্ত করাই মূল লক্ষ্য : শিক্ষামন্ত্রী ভোল পাল্টানো লোকজনই এখন অনেক বেশি জুলাই-যোদ্ধা হয়ে গেছে: মির্জা ফখরুল দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে খুলেছে মালয়েশিয়া শ্রমবাজার: মাহদী আমিন এনসিপি জামায়াতের মস্তিষ্ক দ্বারা পরিচালিত : রাশেদ খান পাওয়া গেল ভারতের আধার কার্ড, যেভাবে গ্রেপ্তার ডেভিড ইমন সিলেটে পরপর দুবার এনসিপির শীর্ষ নেতাদের গাড়িবহরে হামলা

নির্যাতনে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন আটক সৌদি প্রিন্সরা

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

সৌদি আরবে দুর্নীতিবিরোধী অভিযানে আটক ব্যক্তিদের ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছে বলে দেশটির রাজপ্রাসাদের ঘনিষ্ঠ একাধিক সূত্র খবর দিয়েছে। এসব সূত্র আরো বলছে, দুর্নীতি দমন অভিযানের নামে সৌদি আরবের সাবেক গোয়েন্দা প্রধান বন্দর বিন সুলতানকেও আটক করা হয়েছে।

ইরানি গণমাধ্যম পার্স টুডে বলেছে, সৌদি রাজপ্রাসাদের সূত্রগুলো নিউজ ওয়েবসাইট ‘মিডল ইস্ট আই’কে বলেছে, আটক প্রিন্স, মন্ত্রী ও কর্মকর্তাদের ওপর ‘পুরনো’ পদ্ধতিতে নির্যাতন চালানো হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের নামে চালানো এসব নির্যাতনের ফলে অনেক বন্দি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন এবং তাদেরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সূত্রগুলো জানিয়েছে, সৌদি কর্মকর্তারা যে সংখ্যা বলেছে, আটক ব্যক্তিদের প্রকৃত সংখ্যা তার চেয়ে অনেক বেশি। এ পর্যন্ত ৫০০ জনের বেশি প্রিন্স, কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে সাবেক গোয়েন্দা প্রধান বন্দর বিন সুলতান এবং সৌদি ধনকুবের ওয়ালিদ বিন তালালের মেয়ে রয়েছেন।

বন্দর বিন সুলতান ২০১২ সালের জুলাই মাস থেকে ২০১৪ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত সৌদি আরবের গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি ১৯৮৩ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত ২২ বছর আমেরিকায় সৌদি রাষ্ট্রদূত হিসেবে কাজ করেছেন।

সম্প্রতি সৌদি রাজা সালমান নিজের ছেলে যুবরাজ মোহাম্মাদ বিন সালমানকে দুর্নীতি দমন কমিটির প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেন। নিয়োগ পাওয়ার পরপরই ৪ নভেম্বর রাতে সৌদি আরবের ন্যাশনাল গার্ড বাহিনীর প্রধানসহ বহু প্রিন্স, পদস্থ কর্মকর্তা, বর্তমান ও সাবেক মন্ত্রী এবং ব্যবসায়ীকে আটক করেন মোহাম্মাদ বিন সালমান।

দুর্নীতি দমনের নামে এসব ধরপাকড় হলেও বিশ্লেষকরা বলছেন, যুবরাজ মোহাম্মাদ বিন সালমানের ক্ষমতা সুসংহত করার লক্ষ্যেই এই অভিযান চালানো হচ্ছে। কোনো কোনো সূত্র বলছে, রাজা সালমান শিগগিরই রাজতন্ত্রের দায়িত্ব মোহাম্মাদ বিন সালমানের কাছে হস্তান্তর করবেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রক্তমাখা পতাকা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ জুলাই যোদ্ধা শেখ আজিজুরের

নির্যাতনে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন আটক সৌদি প্রিন্সরা

আপডেট সময় ১২:১৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

সৌদি আরবে দুর্নীতিবিরোধী অভিযানে আটক ব্যক্তিদের ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছে বলে দেশটির রাজপ্রাসাদের ঘনিষ্ঠ একাধিক সূত্র খবর দিয়েছে। এসব সূত্র আরো বলছে, দুর্নীতি দমন অভিযানের নামে সৌদি আরবের সাবেক গোয়েন্দা প্রধান বন্দর বিন সুলতানকেও আটক করা হয়েছে।

ইরানি গণমাধ্যম পার্স টুডে বলেছে, সৌদি রাজপ্রাসাদের সূত্রগুলো নিউজ ওয়েবসাইট ‘মিডল ইস্ট আই’কে বলেছে, আটক প্রিন্স, মন্ত্রী ও কর্মকর্তাদের ওপর ‘পুরনো’ পদ্ধতিতে নির্যাতন চালানো হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের নামে চালানো এসব নির্যাতনের ফলে অনেক বন্দি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন এবং তাদেরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সূত্রগুলো জানিয়েছে, সৌদি কর্মকর্তারা যে সংখ্যা বলেছে, আটক ব্যক্তিদের প্রকৃত সংখ্যা তার চেয়ে অনেক বেশি। এ পর্যন্ত ৫০০ জনের বেশি প্রিন্স, কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে সাবেক গোয়েন্দা প্রধান বন্দর বিন সুলতান এবং সৌদি ধনকুবের ওয়ালিদ বিন তালালের মেয়ে রয়েছেন।

বন্দর বিন সুলতান ২০১২ সালের জুলাই মাস থেকে ২০১৪ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত সৌদি আরবের গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি ১৯৮৩ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত ২২ বছর আমেরিকায় সৌদি রাষ্ট্রদূত হিসেবে কাজ করেছেন।

সম্প্রতি সৌদি রাজা সালমান নিজের ছেলে যুবরাজ মোহাম্মাদ বিন সালমানকে দুর্নীতি দমন কমিটির প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেন। নিয়োগ পাওয়ার পরপরই ৪ নভেম্বর রাতে সৌদি আরবের ন্যাশনাল গার্ড বাহিনীর প্রধানসহ বহু প্রিন্স, পদস্থ কর্মকর্তা, বর্তমান ও সাবেক মন্ত্রী এবং ব্যবসায়ীকে আটক করেন মোহাম্মাদ বিন সালমান।

দুর্নীতি দমনের নামে এসব ধরপাকড় হলেও বিশ্লেষকরা বলছেন, যুবরাজ মোহাম্মাদ বিন সালমানের ক্ষমতা সুসংহত করার লক্ষ্যেই এই অভিযান চালানো হচ্ছে। কোনো কোনো সূত্র বলছে, রাজা সালমান শিগগিরই রাজতন্ত্রের দায়িত্ব মোহাম্মাদ বিন সালমানের কাছে হস্তান্তর করবেন।