ঢাকা ০৯:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সমুদ্র তলায় ২ কোটি টন সোনা!

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

রহস্য, রোমাঞ্চ এবং বিপদসঙ্কুল পরিবেশেই যে লুকিয়ে রয়েছে এই পৃথিবীর অধিকতর সম্পদ। তবে, সোনা সন্ধানকারীরাও মনে করেন এই পৃথিবীর বেশিরভাগ সম্পদে এখনও আঁচড় পড়েনি মানুষের। আর  সেই সম্পদের সিংহভাগই ঘুমিয়ে রয়েছে সমুদ্রের অতলান্তে। এমনটাই অন্তত দাবি সোনা সন্ধানকারীদের।

উত্তরোত্তর এই মূল্য যে আকাশ ছোঁবে তা বলাই বাহুল্য। কিন্তু প্রশ্ন একটাই, এই সম্পদ আদৌ মানুষের হাতে পৌঁছবে কি? ফোর্বসের একটি প্রতিবেদনে ভূগবেষক ট্রেভর নেস জানান, সমুদ্রের অতলে লুকিয়ে রয়েছে ২ কোটি টন সোনা। তার মতে, আজকে সোনার যা বাজার দর তাতে (৪২.৫১ ডলার প্রতি গ্রাম) ওই সম্পদের মূল্য হবে আনুমানিক ৭৭১ লক্ষ কোটি ডলার।

সমুদ্রের যে সব জায়গায় সোনা মজুত রয়েছে, সেখানে পৌঁছানো বিপুল ব্যয় সাপেক্ষ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ১৮৯০ সালে ফোর্ড জার্নেগান নামে এক যাজক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লং আইল্যান্ড সাউন্ড থেকে সোনা উত্তোলনের জন্য অভিনব পরিকল্পনা করেছিলেন।

পারদ এবং বিদ্যুতের সাহায্যে সোনা তোলার কথা ভেবেছিলেন তিনি। বিনিয়োগকারী জোগার করে ইলেকক্ট্রনিক মেরিন সল্টস নামে একটি সংস্থাও খোলেন তিনি। কিন্তু রয়ে গিয়েছিল জার্নেগানের তৈরি সেই সোনা উত্তোলক যন্ত্র। এরপর অনেকেই এসেছেন সমুদ্র থেকে সোনা উত্তোলন করতে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সেই স্বর্ণ গহ্বরে পৌঁছতে পারেনি মানুষ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সমুদ্র তলায় ২ কোটি টন সোনা!

আপডেট সময় ০১:৩২:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

রহস্য, রোমাঞ্চ এবং বিপদসঙ্কুল পরিবেশেই যে লুকিয়ে রয়েছে এই পৃথিবীর অধিকতর সম্পদ। তবে, সোনা সন্ধানকারীরাও মনে করেন এই পৃথিবীর বেশিরভাগ সম্পদে এখনও আঁচড় পড়েনি মানুষের। আর  সেই সম্পদের সিংহভাগই ঘুমিয়ে রয়েছে সমুদ্রের অতলান্তে। এমনটাই অন্তত দাবি সোনা সন্ধানকারীদের।

উত্তরোত্তর এই মূল্য যে আকাশ ছোঁবে তা বলাই বাহুল্য। কিন্তু প্রশ্ন একটাই, এই সম্পদ আদৌ মানুষের হাতে পৌঁছবে কি? ফোর্বসের একটি প্রতিবেদনে ভূগবেষক ট্রেভর নেস জানান, সমুদ্রের অতলে লুকিয়ে রয়েছে ২ কোটি টন সোনা। তার মতে, আজকে সোনার যা বাজার দর তাতে (৪২.৫১ ডলার প্রতি গ্রাম) ওই সম্পদের মূল্য হবে আনুমানিক ৭৭১ লক্ষ কোটি ডলার।

সমুদ্রের যে সব জায়গায় সোনা মজুত রয়েছে, সেখানে পৌঁছানো বিপুল ব্যয় সাপেক্ষ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ১৮৯০ সালে ফোর্ড জার্নেগান নামে এক যাজক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লং আইল্যান্ড সাউন্ড থেকে সোনা উত্তোলনের জন্য অভিনব পরিকল্পনা করেছিলেন।

পারদ এবং বিদ্যুতের সাহায্যে সোনা তোলার কথা ভেবেছিলেন তিনি। বিনিয়োগকারী জোগার করে ইলেকক্ট্রনিক মেরিন সল্টস নামে একটি সংস্থাও খোলেন তিনি। কিন্তু রয়ে গিয়েছিল জার্নেগানের তৈরি সেই সোনা উত্তোলক যন্ত্র। এরপর অনেকেই এসেছেন সমুদ্র থেকে সোনা উত্তোলন করতে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সেই স্বর্ণ গহ্বরে পৌঁছতে পারেনি মানুষ।