ঢাকা ০৯:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মিয়ানমারকে অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ইসরায়েল

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমারে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের নির্যাতন অব্যাহত রেখেছে দেশটির সেনাবাহিনী। এটা পুরনো কথা এবং সর্বজনবিদীত। এমন সময়ে দেশটিতে অস্ত্র পাঠাচ্ছে ইহুদী রাষ্ট্র ইসরায়েল। এমনটাই অভিযোগ তুলেছেন মানবাধিকারকর্মীরা। দীর্ঘদিন ধরে লুকিয়ে মিয়ানমারের কাছে ইসরায়েলের অস্ত্র বিক্রি করছে এবং তাদের সেনাদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে বলে শোনা গেছে। বিষয়টি আবারও সামনে এলো। তবে মিয়ানমারের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা বলবৎ রয়েছে।

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের উপর অমানুষিক নির্যাতন চালাচ্ছে দেশটির সেনাবাহিনী। তাদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন থেকে নিজেদের রক্ষা করতে ইতোমধ্যে ৬ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে ঢুকেছে।

ইসরায়েলের সরকারি নথি অনুযায়ী, তারা মিয়ানমার সেনাবাহিনীর কাছে সশস্ত্র নৌযান, বন্দুক এবং নজরদারির যন্ত্রপাতি বিক্রি করেছে। এছাড়া ইসরায়েলের কাছ থেকে প্রশিক্ষণ পেয়েছে দেশটির বিশেষ বাহিনী। এর প্রতিবাদে সরব হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে মানবাধিকার সংগঠনগুলো ৩০ অক্টোবর ইসরায়েলের পার্লামেন্টের বাইরে প্রতিবাদ সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে।

এ বিষয়ে মানবাধিকারবিষয়ক ইসরায়েলি আইনজীবী ইটে ম্যাক জানান, অনেক পশ্চিমা রাষ্ট্র অস্ত্র বিক্রি করে। কিন্তু ইসরায়েলের যে বিষয়টি একেবারে আলাদা, তা হলো যেখানে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধ হয়, সেখানে আপনি ইসরায়েলের প্রেসিডেন্টকে পাবেন। তিনি আরও বলেন, যে কোম্পানিগুলো অস্ত্র বিক্রি করছে, যে কর্মকর্তারা নীরবে এই বাণিজ্য অনুমোদন করছেন, তাঁদের অবশ্যই জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে। নইলে, কীভাবে তা বন্ধ হবে?’

ইসরায়েলের ওপেন ইউনিভার্সিটির গণহত্যাবিষয়ক গবেষক ইয়াইল অউরুন বলেছেন, ‘এই অস্ত্র বিক্রি আমাকে ও সব ইসরায়েলিকে অপরাধী বানিয়েছে। কারণ, সেগুলো ইসরায়েল থেকে যাচ্ছে। বিশ্বের প্রায় ১৩০টি দেশে অস্ত্র রপ্তানির অনুমতি রয়েছে ইসরায়েলি কোম্পানিগুলোর। তবে গোপনে তারা আরও অনেক দেশেই অস্ত্র রপ্তানি করছে বলে ধারণা মানবাধিকারকর্মীদের।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

মিয়ানমারকে অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ইসরায়েল

আপডেট সময় ০১:৫৩:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমারে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের নির্যাতন অব্যাহত রেখেছে দেশটির সেনাবাহিনী। এটা পুরনো কথা এবং সর্বজনবিদীত। এমন সময়ে দেশটিতে অস্ত্র পাঠাচ্ছে ইহুদী রাষ্ট্র ইসরায়েল। এমনটাই অভিযোগ তুলেছেন মানবাধিকারকর্মীরা। দীর্ঘদিন ধরে লুকিয়ে মিয়ানমারের কাছে ইসরায়েলের অস্ত্র বিক্রি করছে এবং তাদের সেনাদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে বলে শোনা গেছে। বিষয়টি আবারও সামনে এলো। তবে মিয়ানমারের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা বলবৎ রয়েছে।

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের উপর অমানুষিক নির্যাতন চালাচ্ছে দেশটির সেনাবাহিনী। তাদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন থেকে নিজেদের রক্ষা করতে ইতোমধ্যে ৬ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে ঢুকেছে।

ইসরায়েলের সরকারি নথি অনুযায়ী, তারা মিয়ানমার সেনাবাহিনীর কাছে সশস্ত্র নৌযান, বন্দুক এবং নজরদারির যন্ত্রপাতি বিক্রি করেছে। এছাড়া ইসরায়েলের কাছ থেকে প্রশিক্ষণ পেয়েছে দেশটির বিশেষ বাহিনী। এর প্রতিবাদে সরব হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে মানবাধিকার সংগঠনগুলো ৩০ অক্টোবর ইসরায়েলের পার্লামেন্টের বাইরে প্রতিবাদ সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে।

এ বিষয়ে মানবাধিকারবিষয়ক ইসরায়েলি আইনজীবী ইটে ম্যাক জানান, অনেক পশ্চিমা রাষ্ট্র অস্ত্র বিক্রি করে। কিন্তু ইসরায়েলের যে বিষয়টি একেবারে আলাদা, তা হলো যেখানে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধ হয়, সেখানে আপনি ইসরায়েলের প্রেসিডেন্টকে পাবেন। তিনি আরও বলেন, যে কোম্পানিগুলো অস্ত্র বিক্রি করছে, যে কর্মকর্তারা নীরবে এই বাণিজ্য অনুমোদন করছেন, তাঁদের অবশ্যই জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে। নইলে, কীভাবে তা বন্ধ হবে?’

ইসরায়েলের ওপেন ইউনিভার্সিটির গণহত্যাবিষয়ক গবেষক ইয়াইল অউরুন বলেছেন, ‘এই অস্ত্র বিক্রি আমাকে ও সব ইসরায়েলিকে অপরাধী বানিয়েছে। কারণ, সেগুলো ইসরায়েল থেকে যাচ্ছে। বিশ্বের প্রায় ১৩০টি দেশে অস্ত্র রপ্তানির অনুমতি রয়েছে ইসরায়েলি কোম্পানিগুলোর। তবে গোপনে তারা আরও অনেক দেশেই অস্ত্র রপ্তানি করছে বলে ধারণা মানবাধিকারকর্মীদের।