ঢাকা ১১:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

সিরাজগঞ্জে ১১ কোটি টাকায় ফোর লেন সড়ক নির্মাণ কাজ দ্রুত গতিতে

সিরাজগঞ্জে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের অধীনে আঞ্চলিক মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশের ফোর লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্প দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে। নলকা-সিরাজগঞ্জ-সয়দাবাদ আঞ্চলিক মহাসড়কের সিরাজগঞ্জ শহর অংশে অবস্থিত শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে কাটাওয়াবদা পর্যন্ত সড়কটি চার লেনে রূপান্তরের কাজ চলছে। এই প্রকল্পের জন্য সরকার প্রায় ১১ কোটি ২৮ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। সওজ বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী আনিছুর রহমান জানিয়েছেন, প্রকল্পটির কাজ আগামী ডিসেম্বর মাসের শেষ নাগাদ সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য সরকারি বিধি অনুযায়ী দরপত্র আহ্বানের মাধ্যমে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করা হয়েছিল। নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানটি ২০২৫ সালের ডিসেম্বরেই প্রকল্পের নির্মাণ কাজ শুরু করে। সড়ক বিভাগ ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিয়মিত তদারকিতে প্রকল্পের ইতোমধ্যে প্রায় ৬০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। যদিও কিছু ক্ষেত্রে কারিগরি জটিলতা দেখা দিয়েছিল, তবুও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সমাপ্ত করার ব্যাপারে সওজ বিভাগ সর্বোচ্চ সচেষ্ট রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

সিরাজগঞ্জ সওজ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ইমরান ফারহান সুমেল বলেন, জনস্বার্থের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে প্রকল্পের কাজ যথাসময়ে শেষ করার আশা করা হচ্ছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করার জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে জেলা শহর এবং আঞ্চলিক মহাসড়ক ব্যবহারকারীদের চলাচলের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি অনেকটাই লাঘব হবে। কাজের গুণগত মান নিশ্চিতে কর্তৃপক্ষ সতর্ক রয়েছে।

প্রকল্পের স্বচ্ছতা নিয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ইমরান ফারহান সুমেল আরও বলেন, এই উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়নে কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতির সুযোগ নেই। এর আগে অবশ্য প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকা একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ব্যর্থ হওয়ায় তাদের লাইসেন্স কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল। সেই পরিস্থিতির পর নতুন করে পুনরায় দরপত্র আহ্বান করে সওজ কর্তৃপক্ষ কাজটি নতুন ঠিকাদারকে বুঝিয়ে দেয়, যাতে কাজের ধারাবাহিকতা বজায় থাকে এবং জনকল্যাণমূলক এই অবকাঠামো দ্রুত সাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা যায়।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাগুরায় স্বর্ণ লুট ও যুবদল নেতা সংশ্লিষ্ট ঘটনায় সাতজন আটক

সিরাজগঞ্জে ১১ কোটি টাকায় ফোর লেন সড়ক নির্মাণ কাজ দ্রুত গতিতে

আপডেট সময় ০৯:৪৯:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

সিরাজগঞ্জে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের অধীনে আঞ্চলিক মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশের ফোর লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্প দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে। নলকা-সিরাজগঞ্জ-সয়দাবাদ আঞ্চলিক মহাসড়কের সিরাজগঞ্জ শহর অংশে অবস্থিত শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে কাটাওয়াবদা পর্যন্ত সড়কটি চার লেনে রূপান্তরের কাজ চলছে। এই প্রকল্পের জন্য সরকার প্রায় ১১ কোটি ২৮ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। সওজ বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী আনিছুর রহমান জানিয়েছেন, প্রকল্পটির কাজ আগামী ডিসেম্বর মাসের শেষ নাগাদ সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য সরকারি বিধি অনুযায়ী দরপত্র আহ্বানের মাধ্যমে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করা হয়েছিল। নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানটি ২০২৫ সালের ডিসেম্বরেই প্রকল্পের নির্মাণ কাজ শুরু করে। সড়ক বিভাগ ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিয়মিত তদারকিতে প্রকল্পের ইতোমধ্যে প্রায় ৬০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। যদিও কিছু ক্ষেত্রে কারিগরি জটিলতা দেখা দিয়েছিল, তবুও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সমাপ্ত করার ব্যাপারে সওজ বিভাগ সর্বোচ্চ সচেষ্ট রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

সিরাজগঞ্জ সওজ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ইমরান ফারহান সুমেল বলেন, জনস্বার্থের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে প্রকল্পের কাজ যথাসময়ে শেষ করার আশা করা হচ্ছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করার জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে জেলা শহর এবং আঞ্চলিক মহাসড়ক ব্যবহারকারীদের চলাচলের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি অনেকটাই লাঘব হবে। কাজের গুণগত মান নিশ্চিতে কর্তৃপক্ষ সতর্ক রয়েছে।

প্রকল্পের স্বচ্ছতা নিয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ইমরান ফারহান সুমেল আরও বলেন, এই উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়নে কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতির সুযোগ নেই। এর আগে অবশ্য প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকা একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ব্যর্থ হওয়ায় তাদের লাইসেন্স কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল। সেই পরিস্থিতির পর নতুন করে পুনরায় দরপত্র আহ্বান করে সওজ কর্তৃপক্ষ কাজটি নতুন ঠিকাদারকে বুঝিয়ে দেয়, যাতে কাজের ধারাবাহিকতা বজায় থাকে এবং জনকল্যাণমূলক এই অবকাঠামো দ্রুত সাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা যায়।