ঢাকা ০৭:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

আইনি প্রয়োজনে পুলিশ বলপ্রয়োগের অধিকার রাখে: জাহেদ উর রহমান

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানিয়েছেন যে, নির্দিষ্ট আইনি প্রেক্ষাপট তৈরি হলে পুলিশ বলপ্রয়োগের পাশাপাশি প্রাণঘাতী শক্তি ব্যবহারের আইনি অধিকার রাখে। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, এ ধরনের পদক্ষেপ অবশ্যই আইনি প্রক্রিয়ার ভেতরে থাকতে হবে এবং তা হতে হবে আনুপাতিক ও পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সরকারি কর্মকাণ্ডের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই বক্তব্য তুলে ধরেন। উক্ত সম্মেলনে তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদও উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু যে কথাটা বারবার বলছি, সেটা আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে এবং প্রপোশনেট বল প্রয়োগের মাধ্যমে। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা আরও বলেন, আমি আগে একদিন বলেছিলাম বাংলাদেশের পুলিশ শেখ হাসিনার পুলিশের মতো আর হবে এটা আমি আশা করি না। আরেক প্রশ্নের উত্তরে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বল প্রয়োগের ঘটনা স্বীকার করে তিনি বলেন, কিন্তু এই ধরনের একটা ঘটনায় আওয়ামী লীগ যেভাবে ঢোকে আমরা না ফার বেটার করেছি, আমি মনে করি, তারপরও দুয়েকটা জায়গায় ভুলভ্রান্তি হতে পারে, হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, দীর্ঘদিন যখন কেউ একটা প্রসেসে। সো দিজ আর দ্যা কোয়েশ্চেনস, কখনো যদি এরকম হয়, ওই যে আবার বলছি, পুলিশের কাছে তো লেথাল ওয়েপন থাকে।

জাহেদ উর রহমান বলেন, পুলিশ বাহিনীর আইনগত বলপ্রয়োগের অধিকার রয়েছে। তবে পুলিশকে সবসময় সচেতন থাকতে হবে যে তারা জনগণের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে কাজ করছে। তিনি আরও বলেন, সেনাবাহিনীর কার্যপদ্ধতির সঙ্গে পুলিশের কাজের মূল পার্থক্য হলো লক্ষ্য নির্ধারণে। সেনাবাহিনী যখন যুদ্ধক্ষেত্রে শত্রুর মোকাবিলা করে, তাদের মূল লক্ষ্য থাকে প্রতিপক্ষকে নিষ্ক্রিয় করা। অন্যদিকে, পুলিশের প্রধান দায়িত্ব হলো জনগণের সঙ্গে সরাসরি এনগেজ হওয়া। এমনকি যখন তাদের প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করতে হয়, তখনও পুলিশকে সতর্ক থাকতে হবে যেন প্রাণহানি সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখা যায়। তিনি আশ্বস্ত করেছেন যে, সরকারের অধীনে পুলিশ বাহিনীকে এই চর্চাগুলোতে অভ্যস্ত করে তোলা হবে এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বর্তমানের দৃশ্যমান বলপ্রয়োগের ঘটনা কমে আসবে। সেনাবাহিনী যখন ডিল করে, সেনাবাহিনীর বন্দুকও যদি তাঁক করে, সে বন্দুক টাক করে শত্রুর দিকে ও চায় একটা গুলিতে যেন একজন শত্রু মারা যায়, এই তো। কোথায় করে তাকে লিস্ট ক্যাজুয়ালটিতে নিবৃত্ত করা যাবে, এ চর্চাগুলো আমরা এ সরকারের অধীনে পুলিশ করবে, এটা আপনাদের নিশ্চিত করছি, আর একটু সময় দেন, যতটুকু দেখছেন এগুলো অনেক বেশি কমে যাবে। কেউ পুলিশকে ইট পাটকেল, মানে গুলি দূরে থাক, ইট পাটকেল মারছিল। প্রচুর ফ্রেমিং আছে, নানান রকম ফ্রেমিং আছে সোশ্যাল মিডিয়াতে, আমরা যেন সেটার দিকে খুব বেশি দৃষ্টি না দিই।

জুলাই আন্দোলনে আবু সাঈদের মৃত্যুর প্রসঙ্গ টেনে উপদেষ্টা বলেন, পুলিশের আইনি সক্ষমতা ও এর সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। আবু সাঈদ কি কোনো হুমকি তৈরি করেছিলেন? তিনি নিরপরাধ অবস্থায় দাঁড়িয়ে ছিলেন। কোনো ইট-পাটকেল নিক্ষেপের মতো পরিস্থিতি না থাকা সত্ত্বেও কেন প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করা হলো—এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর খোঁজা জরুরি। তিনি আরও বলেন, পুলিশের কাছে রিভলভার বা অন্যান্য ওয়ার-গ্রেড অস্ত্র থাকতে পারে, তবে তা ব্যবহার করার সময় আইনগত বৈধতা এবং ঘটনার প্রয়োজনীয়তা যাচাই করা বাধ্যতামূলক। আমি জুলাইয়ের আবু সাঈদের কথা বলছি ও দুহাত দুদিকে ছড়িয়ে দাঁড়িয়েছিল, ওর আশপাশে অন্যকোনো আন্দোলনকারী ছিল কি না।

হাসিনা সরকারের আমলের পুলিশি কর্মকাণ্ডের তীব্র সমালোচনা করে তিনি বলেন, তৎকালীন পুলিশ বাহিনী ‘ট্রিগার হ্যাপি’ বা দ্রুত প্রাণঘাতী অস্ত্র প্রয়োগকারী মানসিকতায় পরিচালিত হতো।

সামান্য লাঠিচার্জ বা কাঁদানে গ্যাস ব্যবহারের পরিস্থিতি থাকা সত্ত্বেও তারা অনেক ক্ষেত্রে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করে মানুষ হত্যা করেছে।

এই প্রবণতা থেকে বর্তমান পুলিশ প্রশাসনকে পুরোপুরি বেরিয়ে আসতে হবে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাম্প্রতিক মৃত্যুর ঘটনা ও বলপ্রয়োগ নিয়ে যে প্রচুর আলোচনা হচ্ছে, সে বিষয়ে তিনি বলেন, কোনো ঘটনার বিষয়ে ভিত্তিহীন মন্তব্য না করে বরং আইনি তদন্তের দিকে নজর দেওয়া উচিত। রাষ্ট্রের কোনো নাগরিকের মৃত্যু হলে তার নিরপেক্ষ ও জেনুইন তদন্ত হবে এবং যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি নিশ্চিত করেন। একটা জিনিস একটু আমরা মাথায় রাখব, সেটা হচ্ছে কোনো একটা অস্থিরতা বা আনরেস্ট সরকার কীভাবে হ্যান্ডেল করবে।

পোশাকশ্রমিকদের সাম্প্রতিক আন্দোলন প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, বর্তমান উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির ফলে শ্রমিকরা কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছেন। সরকার এই বিষয়টি আমলে নিয়ে আগেই নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করেছে। মজুরি পুনর্নির্ধারণের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি জানান, ২০০৬, ২০১০, ২০১৩ এবং ২০১৮ সালের ধারাবাহিকতায় ২০২৩ সালে একবার মজুরি সংশোধন হয়েছিল। সাধারণত পাঁচ বছর পর পর এই রিভিশন হওয়ার কথা থাকলেও বর্তমান সরকার শ্রমিকদের কষ্ট লাঘবে বাড়তি উদ্যোগ নিয়েছে, যদিও টেকনিক্যালি ২০২৬ সালের আগে কমিশন গঠনের প্রয়োজন ছিল না। ২০২৩ সালে কিন্তু একবার মজুরি রিভিশন হয়েছিল, ২৩ সালে। ২৩ সালের পর ২৬ এ এসে এই কমিশন মজুরির জন্য হওয়ার কথা ছিল না।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এআই দিয়ে আপত্তিকর ছবি, উদয়ন স্কুলের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

আইনি প্রয়োজনে পুলিশ বলপ্রয়োগের অধিকার রাখে: জাহেদ উর রহমান

আপডেট সময় ০৪:৫৩:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানিয়েছেন যে, নির্দিষ্ট আইনি প্রেক্ষাপট তৈরি হলে পুলিশ বলপ্রয়োগের পাশাপাশি প্রাণঘাতী শক্তি ব্যবহারের আইনি অধিকার রাখে। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, এ ধরনের পদক্ষেপ অবশ্যই আইনি প্রক্রিয়ার ভেতরে থাকতে হবে এবং তা হতে হবে আনুপাতিক ও পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সরকারি কর্মকাণ্ডের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই বক্তব্য তুলে ধরেন। উক্ত সম্মেলনে তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদও উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু যে কথাটা বারবার বলছি, সেটা আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে এবং প্রপোশনেট বল প্রয়োগের মাধ্যমে। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা আরও বলেন, আমি আগে একদিন বলেছিলাম বাংলাদেশের পুলিশ শেখ হাসিনার পুলিশের মতো আর হবে এটা আমি আশা করি না। আরেক প্রশ্নের উত্তরে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বল প্রয়োগের ঘটনা স্বীকার করে তিনি বলেন, কিন্তু এই ধরনের একটা ঘটনায় আওয়ামী লীগ যেভাবে ঢোকে আমরা না ফার বেটার করেছি, আমি মনে করি, তারপরও দুয়েকটা জায়গায় ভুলভ্রান্তি হতে পারে, হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, দীর্ঘদিন যখন কেউ একটা প্রসেসে। সো দিজ আর দ্যা কোয়েশ্চেনস, কখনো যদি এরকম হয়, ওই যে আবার বলছি, পুলিশের কাছে তো লেথাল ওয়েপন থাকে।

জাহেদ উর রহমান বলেন, পুলিশ বাহিনীর আইনগত বলপ্রয়োগের অধিকার রয়েছে। তবে পুলিশকে সবসময় সচেতন থাকতে হবে যে তারা জনগণের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে কাজ করছে। তিনি আরও বলেন, সেনাবাহিনীর কার্যপদ্ধতির সঙ্গে পুলিশের কাজের মূল পার্থক্য হলো লক্ষ্য নির্ধারণে। সেনাবাহিনী যখন যুদ্ধক্ষেত্রে শত্রুর মোকাবিলা করে, তাদের মূল লক্ষ্য থাকে প্রতিপক্ষকে নিষ্ক্রিয় করা। অন্যদিকে, পুলিশের প্রধান দায়িত্ব হলো জনগণের সঙ্গে সরাসরি এনগেজ হওয়া। এমনকি যখন তাদের প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করতে হয়, তখনও পুলিশকে সতর্ক থাকতে হবে যেন প্রাণহানি সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখা যায়। তিনি আশ্বস্ত করেছেন যে, সরকারের অধীনে পুলিশ বাহিনীকে এই চর্চাগুলোতে অভ্যস্ত করে তোলা হবে এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বর্তমানের দৃশ্যমান বলপ্রয়োগের ঘটনা কমে আসবে। সেনাবাহিনী যখন ডিল করে, সেনাবাহিনীর বন্দুকও যদি তাঁক করে, সে বন্দুক টাক করে শত্রুর দিকে ও চায় একটা গুলিতে যেন একজন শত্রু মারা যায়, এই তো। কোথায় করে তাকে লিস্ট ক্যাজুয়ালটিতে নিবৃত্ত করা যাবে, এ চর্চাগুলো আমরা এ সরকারের অধীনে পুলিশ করবে, এটা আপনাদের নিশ্চিত করছি, আর একটু সময় দেন, যতটুকু দেখছেন এগুলো অনেক বেশি কমে যাবে। কেউ পুলিশকে ইট পাটকেল, মানে গুলি দূরে থাক, ইট পাটকেল মারছিল। প্রচুর ফ্রেমিং আছে, নানান রকম ফ্রেমিং আছে সোশ্যাল মিডিয়াতে, আমরা যেন সেটার দিকে খুব বেশি দৃষ্টি না দিই।

জুলাই আন্দোলনে আবু সাঈদের মৃত্যুর প্রসঙ্গ টেনে উপদেষ্টা বলেন, পুলিশের আইনি সক্ষমতা ও এর সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। আবু সাঈদ কি কোনো হুমকি তৈরি করেছিলেন? তিনি নিরপরাধ অবস্থায় দাঁড়িয়ে ছিলেন। কোনো ইট-পাটকেল নিক্ষেপের মতো পরিস্থিতি না থাকা সত্ত্বেও কেন প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করা হলো—এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর খোঁজা জরুরি। তিনি আরও বলেন, পুলিশের কাছে রিভলভার বা অন্যান্য ওয়ার-গ্রেড অস্ত্র থাকতে পারে, তবে তা ব্যবহার করার সময় আইনগত বৈধতা এবং ঘটনার প্রয়োজনীয়তা যাচাই করা বাধ্যতামূলক। আমি জুলাইয়ের আবু সাঈদের কথা বলছি ও দুহাত দুদিকে ছড়িয়ে দাঁড়িয়েছিল, ওর আশপাশে অন্যকোনো আন্দোলনকারী ছিল কি না।

হাসিনা সরকারের আমলের পুলিশি কর্মকাণ্ডের তীব্র সমালোচনা করে তিনি বলেন, তৎকালীন পুলিশ বাহিনী ‘ট্রিগার হ্যাপি’ বা দ্রুত প্রাণঘাতী অস্ত্র প্রয়োগকারী মানসিকতায় পরিচালিত হতো।

সামান্য লাঠিচার্জ বা কাঁদানে গ্যাস ব্যবহারের পরিস্থিতি থাকা সত্ত্বেও তারা অনেক ক্ষেত্রে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করে মানুষ হত্যা করেছে।

এই প্রবণতা থেকে বর্তমান পুলিশ প্রশাসনকে পুরোপুরি বেরিয়ে আসতে হবে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাম্প্রতিক মৃত্যুর ঘটনা ও বলপ্রয়োগ নিয়ে যে প্রচুর আলোচনা হচ্ছে, সে বিষয়ে তিনি বলেন, কোনো ঘটনার বিষয়ে ভিত্তিহীন মন্তব্য না করে বরং আইনি তদন্তের দিকে নজর দেওয়া উচিত। রাষ্ট্রের কোনো নাগরিকের মৃত্যু হলে তার নিরপেক্ষ ও জেনুইন তদন্ত হবে এবং যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি নিশ্চিত করেন। একটা জিনিস একটু আমরা মাথায় রাখব, সেটা হচ্ছে কোনো একটা অস্থিরতা বা আনরেস্ট সরকার কীভাবে হ্যান্ডেল করবে।

পোশাকশ্রমিকদের সাম্প্রতিক আন্দোলন প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, বর্তমান উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির ফলে শ্রমিকরা কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছেন। সরকার এই বিষয়টি আমলে নিয়ে আগেই নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করেছে। মজুরি পুনর্নির্ধারণের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি জানান, ২০০৬, ২০১০, ২০১৩ এবং ২০১৮ সালের ধারাবাহিকতায় ২০২৩ সালে একবার মজুরি সংশোধন হয়েছিল। সাধারণত পাঁচ বছর পর পর এই রিভিশন হওয়ার কথা থাকলেও বর্তমান সরকার শ্রমিকদের কষ্ট লাঘবে বাড়তি উদ্যোগ নিয়েছে, যদিও টেকনিক্যালি ২০২৬ সালের আগে কমিশন গঠনের প্রয়োজন ছিল না। ২০২৩ সালে কিন্তু একবার মজুরি রিভিশন হয়েছিল, ২৩ সালে। ২৩ সালের পর ২৬ এ এসে এই কমিশন মজুরির জন্য হওয়ার কথা ছিল না।