ঢাকা ১০:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আইজিপি: চাঁদাবাজির অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করার ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ জাপান সফরে তারেক রহমান: অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতির আশা রাষ্ট্রদূতকে আনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়: শামা ওবায়েদ সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটির নবম বৈঠক চলছে স্মরণকালের সেরা দুর্গাপূজা উপহার দিলেন দেশনায়ক  তারেক রহমান ঢাকার বাস টার্মিনাল ও অটোরিকশা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সোহেল গরিবের বিচার, ধনীর বিচার এক করতে হবে —এটাই তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশ আইএইচএফ নেশনস ট্রফিতে ভারতের কাছে হেরে রানার্সআপ বাংলাদেশ কাতার, তুরস্ক, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার ঐতিহাসিক বদর প্রতিরক্ষা চুক্তি দ্বিগুণ যাত্রী সামলাতে হিমশিম দেশের বিমানবন্দরগুলো

ইরানে আজই যুক্তরাষ্ট্রের হামলা হতে পারে: ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, ওয়াশিংটন সিদ্ধান্ত নিলে আজ রোববারই ইরানের ওপর নতুন করে সামরিক হামলা চালাতে পারে। ফ্লোরিডার ওয়েস্ট পাম বিচে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোট প্রদান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এমন সম্ভাবনার কথা জানান। পাম বিচ কাউন্টি সুপারভাইজার অব ইলেকশনস কার্যালয়ে আয়োজিত ওই সংক্ষিপ্ত ব্রিফিংয়ে ট্রাম্প বলেন, মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রকে হয়তো চূড়ান্ত কোনো পদক্ষেপে যেতে হবে, অথবা তেহরানের সঙ্গে একটি চুক্তিতে উপনীত হতে হবে। তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমি হামলা করব কিনা, তা কি আসলেই আপনাদের আগে থেকে বলে দেব?’।

ইরানে নতুন সামরিক অভিযান পরিচালনা নিয়ে সামরিক চিন্তাভাবনা কতদূর গড়িয়েছে—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, বিষয়টি নিয়ে ওয়াশিংটন গভীরভাবে ভাবছে এবং যেকোনো মুহূর্তে, এমনকি রোববারই তা কার্যকর হতে পারে। তবে হামলা বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার বিষয়ে কোনো স্পষ্ট পূর্বাভাস দিতে রাজি হননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি রসিকতার ছলে প্রশ্ন করেন, সামরিক আক্রমণের সিদ্ধান্ত কি তিনি আগেভাগেই সংবাদমাধ্যমের কাছে প্রকাশ করবেন?

মার্কিন প্রশাসনের মূল লক্ষ্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেন, ইরান যেন কোনো অবস্থাতেই পারমাণবিক শক্তি বা অস্ত্র অর্জন করতে না পারে, সেটি নিশ্চিত করাই ওয়াশিংটনের প্রধান উদ্দেশ্য। এর আগে মার্কিন বি-২ বোমারু বিমান ব্যবহার করে যে অভিযান চালানো হয়েছিল, তা সংকট নিরসনে দীর্ঘমেয়াদি ও স্থায়ী সমাধান এনে দিতে পারেনি বলে দাবি করেন তিনি। মার্কিন প্রেসিডেন্টের মতে, দীর্ঘস্থায়ী ফলাফল অর্জনের জন্যই তাকে নতুন করে এই কঠোর সিদ্ধান্ত গ্রহণের দিকে এগোতে হচ্ছে।

সামরিক পদক্ষেপ ও রাজনৈতিক সমঝোতা—উভয় পথ খোলা রাখার কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প জানান, বিষয়টির একটি চূড়ান্ত পরিণতি তিনি চান, তা সামরিক অভিযানের মাধ্যমেই হোক কিংবা কোনো দ্বিপক্ষীয় চুক্তির মাধ্যমেই হোক। তবে যে পথেই সিদ্ধান্ত যাক না কেন, পরিশেষে যুক্তরাষ্ট্রেরই জয় হবে বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া ইরান, ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সংঘাত পরবর্তীতে সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়ে। এর মধ্যে যুদ্ধবিরতি ও দীর্ঘস্থায়ী শান্তি আলোচনার জন্য বিভিন্ন প্রচেষ্টা চালানো হলেও সংকট সমাধানের কোনো স্থায়ী রূপ এখনো প্রকাশ পায়নি। আর একমাত্র সে কারণেই আমি পদক্ষেপ নিচ্ছি।’।

আপলোডকারীর তথ্য

সৌদিতে হামলায় নিহত প্রবাসী শাহেদের মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি দেশে ফেরত

ইরানে আজই যুক্তরাষ্ট্রের হামলা হতে পারে: ট্রাম্প

আপডেট সময় ০৮:০৫:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, ওয়াশিংটন সিদ্ধান্ত নিলে আজ রোববারই ইরানের ওপর নতুন করে সামরিক হামলা চালাতে পারে। ফ্লোরিডার ওয়েস্ট পাম বিচে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোট প্রদান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এমন সম্ভাবনার কথা জানান। পাম বিচ কাউন্টি সুপারভাইজার অব ইলেকশনস কার্যালয়ে আয়োজিত ওই সংক্ষিপ্ত ব্রিফিংয়ে ট্রাম্প বলেন, মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রকে হয়তো চূড়ান্ত কোনো পদক্ষেপে যেতে হবে, অথবা তেহরানের সঙ্গে একটি চুক্তিতে উপনীত হতে হবে। তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমি হামলা করব কিনা, তা কি আসলেই আপনাদের আগে থেকে বলে দেব?’।

ইরানে নতুন সামরিক অভিযান পরিচালনা নিয়ে সামরিক চিন্তাভাবনা কতদূর গড়িয়েছে—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, বিষয়টি নিয়ে ওয়াশিংটন গভীরভাবে ভাবছে এবং যেকোনো মুহূর্তে, এমনকি রোববারই তা কার্যকর হতে পারে। তবে হামলা বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার বিষয়ে কোনো স্পষ্ট পূর্বাভাস দিতে রাজি হননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি রসিকতার ছলে প্রশ্ন করেন, সামরিক আক্রমণের সিদ্ধান্ত কি তিনি আগেভাগেই সংবাদমাধ্যমের কাছে প্রকাশ করবেন?

মার্কিন প্রশাসনের মূল লক্ষ্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেন, ইরান যেন কোনো অবস্থাতেই পারমাণবিক শক্তি বা অস্ত্র অর্জন করতে না পারে, সেটি নিশ্চিত করাই ওয়াশিংটনের প্রধান উদ্দেশ্য। এর আগে মার্কিন বি-২ বোমারু বিমান ব্যবহার করে যে অভিযান চালানো হয়েছিল, তা সংকট নিরসনে দীর্ঘমেয়াদি ও স্থায়ী সমাধান এনে দিতে পারেনি বলে দাবি করেন তিনি। মার্কিন প্রেসিডেন্টের মতে, দীর্ঘস্থায়ী ফলাফল অর্জনের জন্যই তাকে নতুন করে এই কঠোর সিদ্ধান্ত গ্রহণের দিকে এগোতে হচ্ছে।

সামরিক পদক্ষেপ ও রাজনৈতিক সমঝোতা—উভয় পথ খোলা রাখার কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প জানান, বিষয়টির একটি চূড়ান্ত পরিণতি তিনি চান, তা সামরিক অভিযানের মাধ্যমেই হোক কিংবা কোনো দ্বিপক্ষীয় চুক্তির মাধ্যমেই হোক। তবে যে পথেই সিদ্ধান্ত যাক না কেন, পরিশেষে যুক্তরাষ্ট্রেরই জয় হবে বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া ইরান, ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সংঘাত পরবর্তীতে সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়ে। এর মধ্যে যুদ্ধবিরতি ও দীর্ঘস্থায়ী শান্তি আলোচনার জন্য বিভিন্ন প্রচেষ্টা চালানো হলেও সংকট সমাধানের কোনো স্থায়ী রূপ এখনো প্রকাশ পায়নি। আর একমাত্র সে কারণেই আমি পদক্ষেপ নিচ্ছি।’।