ঢাকা ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ

বোয়িং থেকে আরও ১১ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান বাংলাদেশ

বহর সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে বোয়িংয়ের কাছ থেকে আরও ১১টি উড়োজাহাজ কেনার চূড়ান্ত চুক্তি করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। সব মিলিয়ে গত পাঁচ মাসে মোট ২৫টি উড়োজাহাজ কেনার ক্রয়াদেশ দিল সংস্থাটি।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স তাদের বহর সম্প্রসারণের লক্ষ্যে মার্কিন উড়োজাহাজ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের সঙ্গে আরও ১১টি নতুন বিমান কেনার চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। গত ২৩ সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালীন এই চুক্তি সম্পন্ন হয়। এই নতুন ক্রয়াদেশের ফলে গত পাঁচ মাসে বোয়িংয়ের কাছ থেকে বিমানের মোট ২৫টি উড়োজাহাজ কেনার বিষয়টি নিশ্চিত হলো। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে স্থানীয় সময় বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

সর্বশেষ চুক্তির আওতায় বিমান বহরে পাঁচটি ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার এবং ছয়টি ৭৩৭-৮ ম্যাক্স মডেলের উড়োজাহাজ যুক্ত হবে। তৎকালীন তালিকামূল্য অনুযায়ী এই ১১টি বিমানের আনুমানিক মূল্য ২ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৪ হাজার ৪০০ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৭৩ পয়সা হারে)। তবে এসব উড়োজাহাজ কবে নাগাদ বহরে যুক্ত হবে, তার নির্দিষ্ট সময়সূচি এখনো প্রকাশ করা হয়নি। এসব উড়োজাহাজ ২০৩১ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে ধাপে ধাপে বাংলাদেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

এর আগে ৩০ এপ্রিল প্রথম দফায় প্রায় ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে আরও ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি হয়েছিল। সেই চুক্তিতে ছিল আটটি ৭৮৭-১০ ও দুটি ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার এবং চারটি ৭৩৭-৮ ম্যাক্স। সব মিলিয়ে দুই দফার এই ক্রয়াদেশ বাস্তবায়িত হলে বিমানের বহরে তিন ধরনের মোট ২৫টি নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত হবে। এই নতুন প্রজন্মের উড়োজাহাজগুলো আগের তুলনায় ২০ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত জ্বালানিসাশ্রয়ী, যা মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা ও এশিয়ার বিভিন্ন গন্তব্যে বিমানের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে সহায়তা করবে।

বর্তমানে ১৯টি উড়োজাহাজ নিয়ে চলছে বিমানের কার্যক্রম, যার মধ্যে ১৪টি বোয়িং এবং পাঁচটি ড্যাশ-৮ মডেলের। নতুন ২৫টি উড়োজাহাজ যুক্ত হলে মোট উড়োজাহাজের সংখ্যা দাঁড়াবে ৪৪টি, যেখানে বোয়িংয়ের তৈরি উড়োজাহাজের সংখ্যা হবে ৩৯টি।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানিয়েছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতেই এই কেনার প্রক্রিয়াটি ত্বরান্বিত করা হয়েছে। চুক্তি স্বাক্ষরের পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন। এছাড়া তিনি তার ব্যক্তিগত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ এই চুক্তিকে যুক্তরাষ্ট্রের উৎপাদন খাতের জন্য বড় সাফল্য হিসেবে অভিহিত করেছেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর

বোয়িং থেকে আরও ১১ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান বাংলাদেশ

আপডেট সময় ০৯:২৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স তাদের বহর সম্প্রসারণের লক্ষ্যে মার্কিন উড়োজাহাজ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের সঙ্গে আরও ১১টি নতুন বিমান কেনার চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। গত ২৩ সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালীন এই চুক্তি সম্পন্ন হয়। এই নতুন ক্রয়াদেশের ফলে গত পাঁচ মাসে বোয়িংয়ের কাছ থেকে বিমানের মোট ২৫টি উড়োজাহাজ কেনার বিষয়টি নিশ্চিত হলো। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে স্থানীয় সময় বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

সর্বশেষ চুক্তির আওতায় বিমান বহরে পাঁচটি ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার এবং ছয়টি ৭৩৭-৮ ম্যাক্স মডেলের উড়োজাহাজ যুক্ত হবে। তৎকালীন তালিকামূল্য অনুযায়ী এই ১১টি বিমানের আনুমানিক মূল্য ২ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৪ হাজার ৪০০ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৭৩ পয়সা হারে)। তবে এসব উড়োজাহাজ কবে নাগাদ বহরে যুক্ত হবে, তার নির্দিষ্ট সময়সূচি এখনো প্রকাশ করা হয়নি। এসব উড়োজাহাজ ২০৩১ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে ধাপে ধাপে বাংলাদেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

এর আগে ৩০ এপ্রিল প্রথম দফায় প্রায় ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে আরও ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি হয়েছিল। সেই চুক্তিতে ছিল আটটি ৭৮৭-১০ ও দুটি ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার এবং চারটি ৭৩৭-৮ ম্যাক্স। সব মিলিয়ে দুই দফার এই ক্রয়াদেশ বাস্তবায়িত হলে বিমানের বহরে তিন ধরনের মোট ২৫টি নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত হবে। এই নতুন প্রজন্মের উড়োজাহাজগুলো আগের তুলনায় ২০ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত জ্বালানিসাশ্রয়ী, যা মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা ও এশিয়ার বিভিন্ন গন্তব্যে বিমানের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে সহায়তা করবে।

বর্তমানে ১৯টি উড়োজাহাজ নিয়ে চলছে বিমানের কার্যক্রম, যার মধ্যে ১৪টি বোয়িং এবং পাঁচটি ড্যাশ-৮ মডেলের। নতুন ২৫টি উড়োজাহাজ যুক্ত হলে মোট উড়োজাহাজের সংখ্যা দাঁড়াবে ৪৪টি, যেখানে বোয়িংয়ের তৈরি উড়োজাহাজের সংখ্যা হবে ৩৯টি।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানিয়েছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতেই এই কেনার প্রক্রিয়াটি ত্বরান্বিত করা হয়েছে। চুক্তি স্বাক্ষরের পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন। এছাড়া তিনি তার ব্যক্তিগত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ এই চুক্তিকে যুক্তরাষ্ট্রের উৎপাদন খাতের জন্য বড় সাফল্য হিসেবে অভিহিত করেছেন।