ঢাকা ০১:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

‘বাজেটের অর্থ বাস্তবায়নে অপচয় ও যাচ্ছেতাই খরচ করার অধিকার জনগণ কাউকে দেয়নি’:রেজাউল করীম

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির পীর চরমোনাই মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেছেন, বাংলাদেশে প্রায় কোটি জনতা নিবন্ধিত করদাতা। যারা তাদের আয়ের ওপরে কর প্রদান করেন। কিন্তু বাজেটে রাজস্ব প্রদান করেন এদেশের সকল জনতা। তাদের প্রাত্যাহিক ক্রয়-বিক্রয়সহ প্রত্যেকটি সুবিদা গ্রহণের বিপরিতে কর দেয়, একজন ফকিরও কর প্রদান করে। সেই করের টাকার বাজেটের অর্থ বাস্তবায়নে ছলচাতুরি,টালবাহানা, অপচয় ও যাচ্ছেতাই খরচ করার অধিকার জনগণ কাউকে দেয়নি।

সোমবার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির হলে অনুষ্ঠিত “বাংলাদেশের আগামী অর্থ বছরের বাজেট; আমাদের ভাবনা ও জনগনের প্রত্যাশা” শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

চরমোনাই পীর আরও বলেন, সরকার প্রতিবছর বাজেট পেশ করে এবং সংসদে পাশ করিয়ে নেয়। কিন্তু এই বাজেট বাস্তবায়নে সরকারের যথাযথ নজরদারী, আমনতদারী ও জবাবদিহিতার যথেষ্ঠ ঘাটতি বরাবরই পরিলক্ষিত হয়। ফলে জনগনের কষ্টের টাকার বাজেটের একটি বড় অংশই অপব্যয়িত হয়। ক্রয় দুর্নীতির মাধ্যমে পাচার হয়ে যায়। এই ধারা রোধ করতেই হবে।

পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা তৈরিতে শরীয়াহ একটি কার্যকর টুলস।

গোলটেবিল বৈঠকে উপস্থিতি ছিলেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ডক্টর আ ফ ম খালিদ হোসেন, বরগুনা-১ এর সংসদ সদস্য মাওলানা মাহমুদুল হাসান অলিউল্লাহ, চর্চার সম্পাদক ও সাংবাদিক সোহবার হোসেন, সাবেক রাস্তদূত গোলাম মসিহ, ক্যাবের কো-অর্ডিনেটর ইঞ্জিনিয়ার এম এ এম গোলাম কিবরিয়া, ইসলামিক চেম্বার অব কমার্সের সদস্য সচিব মাওলানা মোফাজ্জল ইবনে মাহফুজ, সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী এডভোকেট শেখ আব্দুল্লাহ নাসের, নিজাম গ্রুপের এমডি মোহাম্মাদ নিজাম উদ্দিন, জয় গ্রুপের চেয়ারম্যান মুজিবর রহমান শামীম।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দলের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, অধ্যক্ষ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, সহকারী মহাসচিব মাওলানা আহমদ আব্দুল কাইয়ুম, কেএম আতিকুর রহমান, মাওলানা লোকমান হোসেন জাফরী, ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি আতিকুর রহমান মুজাহিদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ, সহ-প্রচার সম্পাদক কে এম শরীয়াতুল্লাহ, ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ইমরান হোসেন নুর।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

‘বাজেটের অর্থ বাস্তবায়নে অপচয় ও যাচ্ছেতাই খরচ করার অধিকার জনগণ কাউকে দেয়নি’:রেজাউল করীম

আপডেট সময় ০২:৩০:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির পীর চরমোনাই মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেছেন, বাংলাদেশে প্রায় কোটি জনতা নিবন্ধিত করদাতা। যারা তাদের আয়ের ওপরে কর প্রদান করেন। কিন্তু বাজেটে রাজস্ব প্রদান করেন এদেশের সকল জনতা। তাদের প্রাত্যাহিক ক্রয়-বিক্রয়সহ প্রত্যেকটি সুবিদা গ্রহণের বিপরিতে কর দেয়, একজন ফকিরও কর প্রদান করে। সেই করের টাকার বাজেটের অর্থ বাস্তবায়নে ছলচাতুরি,টালবাহানা, অপচয় ও যাচ্ছেতাই খরচ করার অধিকার জনগণ কাউকে দেয়নি।

সোমবার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির হলে অনুষ্ঠিত “বাংলাদেশের আগামী অর্থ বছরের বাজেট; আমাদের ভাবনা ও জনগনের প্রত্যাশা” শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

চরমোনাই পীর আরও বলেন, সরকার প্রতিবছর বাজেট পেশ করে এবং সংসদে পাশ করিয়ে নেয়। কিন্তু এই বাজেট বাস্তবায়নে সরকারের যথাযথ নজরদারী, আমনতদারী ও জবাবদিহিতার যথেষ্ঠ ঘাটতি বরাবরই পরিলক্ষিত হয়। ফলে জনগনের কষ্টের টাকার বাজেটের একটি বড় অংশই অপব্যয়িত হয়। ক্রয় দুর্নীতির মাধ্যমে পাচার হয়ে যায়। এই ধারা রোধ করতেই হবে।

পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা তৈরিতে শরীয়াহ একটি কার্যকর টুলস।

গোলটেবিল বৈঠকে উপস্থিতি ছিলেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ডক্টর আ ফ ম খালিদ হোসেন, বরগুনা-১ এর সংসদ সদস্য মাওলানা মাহমুদুল হাসান অলিউল্লাহ, চর্চার সম্পাদক ও সাংবাদিক সোহবার হোসেন, সাবেক রাস্তদূত গোলাম মসিহ, ক্যাবের কো-অর্ডিনেটর ইঞ্জিনিয়ার এম এ এম গোলাম কিবরিয়া, ইসলামিক চেম্বার অব কমার্সের সদস্য সচিব মাওলানা মোফাজ্জল ইবনে মাহফুজ, সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী এডভোকেট শেখ আব্দুল্লাহ নাসের, নিজাম গ্রুপের এমডি মোহাম্মাদ নিজাম উদ্দিন, জয় গ্রুপের চেয়ারম্যান মুজিবর রহমান শামীম।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দলের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, অধ্যক্ষ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, সহকারী মহাসচিব মাওলানা আহমদ আব্দুল কাইয়ুম, কেএম আতিকুর রহমান, মাওলানা লোকমান হোসেন জাফরী, ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি আতিকুর রহমান মুজাহিদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ, সহ-প্রচার সম্পাদক কে এম শরীয়াতুল্লাহ, ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ইমরান হোসেন নুর।