ঢাকা ০৬:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান সরকার অনুমোদন দিলে ক্রসফায়ারও করবে পুলিশ: আইজিপি ব্যবসায়ীকে আটকে চাঁদা দাবি: ডিজিএফআই সদস্যসহ কারাগারে ৬ দেশে হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইজিপি: চাঁদাবাজির অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করার ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ জাপান সফরে তারেক রহমান: অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতির আশা রাষ্ট্রদূতকে আনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়: শামা ওবায়েদ সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটির নবম বৈঠক চলছে

হয় চুক্তি করবে, না হয় নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে: ইরানকে হুমকি ট্রাম্পের

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ইরানকে আবারও হুমকি দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তেহরানকে হয় ওয়াশিংটনের সঙ্গে কূটনৈতিক চুক্তিতে পৌঁছাতে হবে, নয়তো সম্পূর্ণ ধ্বংসের মুখোমুখি হতে হবে। তিনি জানিয়েছেন, তারা হয় চুক্তি করবে, না হয় নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।

যুক্তরাষ্ট্রের একটি সম্প্রচার মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প ইরানকে এই হুমকি দিয়েছেন। খবর আলজাজিরার।

তিনি বলেন, তেহরান তাদের কিছু সমরাস্ত্র সরিয়ে নিয়েছে। তারা কী প্রস্তুতি নিচ্ছে, আমরা তা পুরোপুরি জানি।

ইরানের ভূগর্ভস্থ মিসাইল মোতায়েনের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি আরও বলেন, তারা ভূগর্ভ থেকে কিছু মিসাইল বের করেছে। হামলা হলে একদিনের মধ্যেই সেগুলোর অস্তিত্ব শেষ হয়ে যাবে।

সাক্ষাৎকারে বর্তমান ইরানি প্রশাসনের বিষয়ে একটি মিশ্র মূল্যায়ন তুলে ধরেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তাদের কূটনৈতিক আচরণের ধরনে পরিবর্তন এসেছে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, আমার মনে হয় অনেক দিক থেকেই তারা এখন অনেক বেশি যৌক্তিক।

সাবেক কর্মকর্তাদের চেয়ে নতুন কর্মকর্তাদের ‘বেশি বুদ্ধিমান’ হিসেবে অভিহিত করে ট্রাম্প বলেন, নতুনরা প্রথম বা দ্বিতীয় স্তরের কর্মকর্তাদের চেয়ে বেশি বুদ্ধিমান, যারা এখন আর দায়িত্বে নেই।

ইরানের ভূখণ্ড থেকে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সরিয়ে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ট্রাম্প জানান, এটি নিরাপত্তার চেয়ে প্রচারণার বিষয়। তিনি বলেন, আমি মনে করি না যে এটি খুব প্রয়োজন, তবে জনসংযোগের দিক থেকে এর গুরুত্ব আছে।

হাস্যরসের সুরে তিনি আরও বলেন, ভুয়া সংবাদমাধ্যমের জন্য এটি উদ্ধার করা জরুরি। আর আমিই প্রথম বলেছিলাম যে, আমরা এটি উদ্ধার করব।

লিঙ্কন মেমোরিয়াল রিফ্লেক্টিং পুলে ট্রাম্প বলেন, যদি যুদ্ধবিরতি না হয়, তবে আপনাদের ইরান থেকে শুধু বিশাল আলো বেরোনোর ​​দিকেই তাকিয়ে থাকতে হবে। তাদের দ্রুত চুক্তিতে স্বাক্ষর করা উচিত। যদি তারা স্বাক্ষর না করে, তবে তাদের অনেক ভোগান্তি পোহাতে হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক

হয় চুক্তি করবে, না হয় নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে: ইরানকে হুমকি ট্রাম্পের

আপডেট সময় ১১:৩০:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ইরানকে আবারও হুমকি দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তেহরানকে হয় ওয়াশিংটনের সঙ্গে কূটনৈতিক চুক্তিতে পৌঁছাতে হবে, নয়তো সম্পূর্ণ ধ্বংসের মুখোমুখি হতে হবে। তিনি জানিয়েছেন, তারা হয় চুক্তি করবে, না হয় নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।

যুক্তরাষ্ট্রের একটি সম্প্রচার মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প ইরানকে এই হুমকি দিয়েছেন। খবর আলজাজিরার।

তিনি বলেন, তেহরান তাদের কিছু সমরাস্ত্র সরিয়ে নিয়েছে। তারা কী প্রস্তুতি নিচ্ছে, আমরা তা পুরোপুরি জানি।

ইরানের ভূগর্ভস্থ মিসাইল মোতায়েনের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি আরও বলেন, তারা ভূগর্ভ থেকে কিছু মিসাইল বের করেছে। হামলা হলে একদিনের মধ্যেই সেগুলোর অস্তিত্ব শেষ হয়ে যাবে।

সাক্ষাৎকারে বর্তমান ইরানি প্রশাসনের বিষয়ে একটি মিশ্র মূল্যায়ন তুলে ধরেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তাদের কূটনৈতিক আচরণের ধরনে পরিবর্তন এসেছে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, আমার মনে হয় অনেক দিক থেকেই তারা এখন অনেক বেশি যৌক্তিক।

সাবেক কর্মকর্তাদের চেয়ে নতুন কর্মকর্তাদের ‘বেশি বুদ্ধিমান’ হিসেবে অভিহিত করে ট্রাম্প বলেন, নতুনরা প্রথম বা দ্বিতীয় স্তরের কর্মকর্তাদের চেয়ে বেশি বুদ্ধিমান, যারা এখন আর দায়িত্বে নেই।

ইরানের ভূখণ্ড থেকে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সরিয়ে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ট্রাম্প জানান, এটি নিরাপত্তার চেয়ে প্রচারণার বিষয়। তিনি বলেন, আমি মনে করি না যে এটি খুব প্রয়োজন, তবে জনসংযোগের দিক থেকে এর গুরুত্ব আছে।

হাস্যরসের সুরে তিনি আরও বলেন, ভুয়া সংবাদমাধ্যমের জন্য এটি উদ্ধার করা জরুরি। আর আমিই প্রথম বলেছিলাম যে, আমরা এটি উদ্ধার করব।

লিঙ্কন মেমোরিয়াল রিফ্লেক্টিং পুলে ট্রাম্প বলেন, যদি যুদ্ধবিরতি না হয়, তবে আপনাদের ইরান থেকে শুধু বিশাল আলো বেরোনোর ​​দিকেই তাকিয়ে থাকতে হবে। তাদের দ্রুত চুক্তিতে স্বাক্ষর করা উচিত। যদি তারা স্বাক্ষর না করে, তবে তাদের অনেক ভোগান্তি পোহাতে হবে।