ঢাকা ০৯:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায় পটুয়াখালীতে দুই বান্ধবীকে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার ধর্ষকের মা সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জরুরি নির্দেশনা শিশু পানিতে পড়লেই বাজবে সাইরেন, কল যাবে ফোনে,দাবি ভোলার তরুণ উদ্ভাবকএর আমেরিকার উস্কানিতে ইরানে বিক্ষোভ : মাসুদ পেজেশকিয়ান আমার মনোনয়ন বাতিল করার কোনো কারণ ছিল না: মাহমুদুর রহমান মান্না ব্রিটিশ সরকারকে ‘ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিলেন ইলন মাস্ক ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনে বাণিজ্যে প্রভাব পড়বে না : শেখ বশিরউদ্দীন

কুষ্টিয়ায় ডাকাতি করতে এসে মা-ছেলেকে হত্যা, ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ডাকাতদের চিনে ফেলায় মা ও ছেলেকে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যার ঘটনায় তিন আসামির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে তাদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়। অপরদিকে একই মামলায় আরও একটি ধারায় আসামিদের অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডসহ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে।

আজ বুধবার (২০ ন‌ভেম্বর) বেলা সাড়ে ১২টার দি‌কে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-০১ এর বিচারক সোহানী পুষণ এই রায় ঘোষণা করেন।

কুষ্টিয়া জেলা জজ আদালতের অতিরিক্ত পিপি খাদিমুল ইসলাম রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন-দৌলতপুর উপজেলার জোয়াদ্দার পাড়া এলাকার সেকেন্দার মোল্লার ছেলে আবু হানিফ মোল্লা, একই উপ‌জেলার সোনাইকান্দি গ্রামের ইমরান হোসেন মন্ডলের ছেলে আলী আকবর ও মৃত শহিদুল ইসলাম মন্ডলের ছেলে লাল চাঁন মন্ডল। রায় ঘোষণাার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত ৩ আসামিই আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাদেরকে কড়া পুলিশ পাহারায় জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার এজাহার এবং আদালত সূত্রে জানা যায়, দৌলতপুর উপজেলার সোনাইকান্দি গ্রামের আব্দুল মানিকের স্ত্রী ছানোয়ারা বেগম তার আগের পক্ষের ৮ বছরের ছেলে রাজ আহাম্মেদকে নিয়ে একসঙ্গে থাকতেন। ২০১৯ সালের ১৭ নভেম্বর দিবাগত গভীর রাতে দন্ডপ্রাপ্ত আসামীরা দরজা ভেঙ্গে ওই বাড়ীতে ডাকাতি করতে যায়। এসময় ছানোয়ারা ডাকাতদের চিনে ফেলে এবং চিৎকার দেওয়ার চেষ্টা করলে ডাকাতদল ছানোয়ারা এবং তার ছেলেকে শ্বাসরোধে হত্যা করে পালিয়ে যায়। পরে সকালে স্থানীয়দের দেয়া সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ এসে মা-ছেলের লাশ উদ্ধার করে। ঘটনার পরদিন ছানোয়ারার মেয়ে পারভীনা আক্তার বাদী হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামী করে দৌলতপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পরে দীর্ঘ তদন্ত শেষে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নিশিকান্ত সরকার আসামিদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। দীর্ঘ শুনানী শেষে বুধবার বিজ্ঞ বিচারক এই রায় ঘোষণা করেন

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কী কারণে ভাঙছে তাহসান-রোজার সংসার

কুষ্টিয়ায় ডাকাতি করতে এসে মা-ছেলেকে হত্যা, ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ০৫:৪৭:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ নভেম্বর ২০২৪

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ডাকাতদের চিনে ফেলায় মা ও ছেলেকে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যার ঘটনায় তিন আসামির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে তাদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়। অপরদিকে একই মামলায় আরও একটি ধারায় আসামিদের অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডসহ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে।

আজ বুধবার (২০ ন‌ভেম্বর) বেলা সাড়ে ১২টার দি‌কে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-০১ এর বিচারক সোহানী পুষণ এই রায় ঘোষণা করেন।

কুষ্টিয়া জেলা জজ আদালতের অতিরিক্ত পিপি খাদিমুল ইসলাম রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন-দৌলতপুর উপজেলার জোয়াদ্দার পাড়া এলাকার সেকেন্দার মোল্লার ছেলে আবু হানিফ মোল্লা, একই উপ‌জেলার সোনাইকান্দি গ্রামের ইমরান হোসেন মন্ডলের ছেলে আলী আকবর ও মৃত শহিদুল ইসলাম মন্ডলের ছেলে লাল চাঁন মন্ডল। রায় ঘোষণাার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত ৩ আসামিই আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাদেরকে কড়া পুলিশ পাহারায় জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার এজাহার এবং আদালত সূত্রে জানা যায়, দৌলতপুর উপজেলার সোনাইকান্দি গ্রামের আব্দুল মানিকের স্ত্রী ছানোয়ারা বেগম তার আগের পক্ষের ৮ বছরের ছেলে রাজ আহাম্মেদকে নিয়ে একসঙ্গে থাকতেন। ২০১৯ সালের ১৭ নভেম্বর দিবাগত গভীর রাতে দন্ডপ্রাপ্ত আসামীরা দরজা ভেঙ্গে ওই বাড়ীতে ডাকাতি করতে যায়। এসময় ছানোয়ারা ডাকাতদের চিনে ফেলে এবং চিৎকার দেওয়ার চেষ্টা করলে ডাকাতদল ছানোয়ারা এবং তার ছেলেকে শ্বাসরোধে হত্যা করে পালিয়ে যায়। পরে সকালে স্থানীয়দের দেয়া সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ এসে মা-ছেলের লাশ উদ্ধার করে। ঘটনার পরদিন ছানোয়ারার মেয়ে পারভীনা আক্তার বাদী হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামী করে দৌলতপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পরে দীর্ঘ তদন্ত শেষে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নিশিকান্ত সরকার আসামিদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। দীর্ঘ শুনানী শেষে বুধবার বিজ্ঞ বিচারক এই রায় ঘোষণা করেন