ঢাকা ১২:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

কুষ্টিয়ায় হত্যা মামলায় ছয় আসামির যাবজ্জীবন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কুষ্টিয়ায় দীর্ঘ ১২ বছর পর মাইক্রোবাস চালক কাবিজুর রহমান হত্যা মামলায় ৬ আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ রবিবার দুপুরে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক তাজুল ইসলামর এই রায় প্রদান করেন।

অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার এক আসামিকে আদালত বেকসুর খালাস প্রদান করেন। একই সাথে আদালত প্রত্যেক আসামিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো এক বছর সশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন। রায় ঘোষণার সময় শুধুমাত্র আসামি কাওছার আলী আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বাকি ৫ আসামি এখনো পলাতক রয়েছেন।

দন্ডপ্রাপ্তরা আসামিরা হলেন- পলাতক ঝিনাইদহের স্বরূপদহ গ্রামের বাসিন্দা রজব আলী জোয়াদ্দারের ছেলে মানিক জোয়াদ্দার (৩৭), মিরপুর উপজেলার ইশালমারী গ্রামের হাসান আলীর ছেলে কোরবান আলী (৪৭), সদর উপজেলার বাহির বোয়ালদহ গ্রামের আফিল উদ্দিন সর্দারের ছেলে আনোয়ার হোসেন ওরফে আনার (৫২), চরসাদিপুর গ্রামের নুজদার সেখের ছেলে সোহান (৩৭), মাগুড়া জেলার হাফিজুর মোল্লার ছেলে জাহাঙ্গীর হোসেন মান্না ওরফে সাগর (৩৭) এবং আদালতে উপস্থিত আলমডাঙ্গা উপজেলার হাটবোয়ালিয়া গ্রামের নফর আলী শাহের ছেলে কাওছার আলী (৪০)।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালের ২৮ জুলাই দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার আইলচারা গ্রামে মাইক্রো ছিনতাই চক্রের সদস্য আসামিরা পরিকল্পিতভাবে মাইক্রোচালক কাবিজুর রহমানকে (৪০) গলায় ফাঁস দিয়ে শ্বাসরোধ ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে হত্যা করে লাশ ফেলে মাইক্রোবাসটি নিয়ে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় নিহতের ভাই মিরপুর উপজেলার পুটিমারি গ্রামের মৃত আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে আব্দুর রউফ বাদি হয়ে পরের দিন ২৯ জুলাই অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে কুষ্টিয়া মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০১০ সালে ২৩ সেপ্টেম্বর কুষ্টিয়া মডেল থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আজিজুল হক ৭ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন।

কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি আইনজীবী অনুপ কুমার নন্দী জানান, মাইক্রোচালক কাবিজুর রহমান হত্যাকান্ডে জড়িত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের যাবজ্জাীবন কারাদন্ডাদেশ প্রদান করেন। রায় ঘোষণার সময় দন্ডপ্রাপ্ত আসামি কাওছার আলী ব্যাতীত অপর ৫ জন আসামি আদালতে উপস্থিত না হয়ে পলাতক ছিলেন। এছাড়াও কোরবান নামের এক আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

কুষ্টিয়ায় হত্যা মামলায় ছয় আসামির যাবজ্জীবন

আপডেট সময় ০৫:৪৩:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কুষ্টিয়ায় দীর্ঘ ১২ বছর পর মাইক্রোবাস চালক কাবিজুর রহমান হত্যা মামলায় ৬ আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ রবিবার দুপুরে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক তাজুল ইসলামর এই রায় প্রদান করেন।

অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার এক আসামিকে আদালত বেকসুর খালাস প্রদান করেন। একই সাথে আদালত প্রত্যেক আসামিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো এক বছর সশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন। রায় ঘোষণার সময় শুধুমাত্র আসামি কাওছার আলী আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বাকি ৫ আসামি এখনো পলাতক রয়েছেন।

দন্ডপ্রাপ্তরা আসামিরা হলেন- পলাতক ঝিনাইদহের স্বরূপদহ গ্রামের বাসিন্দা রজব আলী জোয়াদ্দারের ছেলে মানিক জোয়াদ্দার (৩৭), মিরপুর উপজেলার ইশালমারী গ্রামের হাসান আলীর ছেলে কোরবান আলী (৪৭), সদর উপজেলার বাহির বোয়ালদহ গ্রামের আফিল উদ্দিন সর্দারের ছেলে আনোয়ার হোসেন ওরফে আনার (৫২), চরসাদিপুর গ্রামের নুজদার সেখের ছেলে সোহান (৩৭), মাগুড়া জেলার হাফিজুর মোল্লার ছেলে জাহাঙ্গীর হোসেন মান্না ওরফে সাগর (৩৭) এবং আদালতে উপস্থিত আলমডাঙ্গা উপজেলার হাটবোয়ালিয়া গ্রামের নফর আলী শাহের ছেলে কাওছার আলী (৪০)।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালের ২৮ জুলাই দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার আইলচারা গ্রামে মাইক্রো ছিনতাই চক্রের সদস্য আসামিরা পরিকল্পিতভাবে মাইক্রোচালক কাবিজুর রহমানকে (৪০) গলায় ফাঁস দিয়ে শ্বাসরোধ ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে হত্যা করে লাশ ফেলে মাইক্রোবাসটি নিয়ে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় নিহতের ভাই মিরপুর উপজেলার পুটিমারি গ্রামের মৃত আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে আব্দুর রউফ বাদি হয়ে পরের দিন ২৯ জুলাই অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে কুষ্টিয়া মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০১০ সালে ২৩ সেপ্টেম্বর কুষ্টিয়া মডেল থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আজিজুল হক ৭ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন।

কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি আইনজীবী অনুপ কুমার নন্দী জানান, মাইক্রোচালক কাবিজুর রহমান হত্যাকান্ডে জড়িত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের যাবজ্জাীবন কারাদন্ডাদেশ প্রদান করেন। রায় ঘোষণার সময় দন্ডপ্রাপ্ত আসামি কাওছার আলী ব্যাতীত অপর ৫ জন আসামি আদালতে উপস্থিত না হয়ে পলাতক ছিলেন। এছাড়াও কোরবান নামের এক আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।