ঢাকা ১০:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ভারতের লাদাখের ‘উমলিঙ্গালা পাস’ বিশ্বের উচ্চতম সড়ক

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

মাউন্ট এভারেস্টের বেসক্যাম্পের চেয়েও উঁচু ভারতের লাদাখের ‘উমলিঙ্গালা পাস’ এখন বিশ্বের উচ্চতম সড়ক। দক্ষিণ আমেরিকার দেশ বলিভিয়ারকে পেছনে ফেলে উচ্চতার দিক দিয়ে ভারতের লাদাখে নির্মাণ করা হচ্ছে ৫২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কটি।

ভারত সরকারের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, দেশটির বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশন (বিআরও) সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৯ হাজার ৩০০ ফুট উঁচুতে সড়কটি নির্মাণ করেছে।

বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, বর্তমানে পৃথিবীর সর্বোচ্চ সড়কটি বলিভিয়ায় অবস্থিত ছিল। ১৯ হাজার ৯৫৩ ফুট উচ্চতায় নির্মিত ওই সড়কটিকে পিছনে ফেলে ১৯ হাজার ৩০০ ফুট উচ্চতায় নির্মাণ করা হয়েছে ভারতের ‘উমলিঙ্গালা পাস।’ ভারতের দাবি, এই সড়কের মাধ্যমে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি লাদাখের পর্যটনও বিকশিত হবে।

কেন্দ্রশাসিত লাদাখের পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত উমলিংলা পাসে ৫২ কিলোমিটার দীর্ঘ পাকা সড়ক বানানো হয়েছে। লাদাখের এ সড়কটি বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্টের বেসক্যাম্পের চেয়েও উঁচুতে। নেপালের অংশে এভারেস্টের বেসক্যাম্প ১৭ হাজার ৫৯৮ ফুট উঁচুতে অবস্থিত।

অন্যদিকে, তিব্বতের উত্তর বেস ক্যাম্পের উচ্চতা ১৬ হাজার ৯০০ ফুট। সাধারণত বাণিজ্যিক উড়োজাহাজগুলো সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৩০ হাজার ফুট উঁচু দিয়ে উড়ে যায়। সেই হিসাবে, লাদাখের এ সড়কের অবস্থান বাণিজ্যিক উড়োজাহাজ ওড়ার উচ্চতার অর্ধেকের বেশি উঁচুতে।

তবে এত বেশি উঁচু স্থানে অবকাঠামো উন্নয়ন অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। শীতকালে সেখানে তাপমাত্রা মাইনাস ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসে। এছাড়াও এই উচ্চতায় অক্সিজেনের মাত্রা স্বাভাবিক জায়গার তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ কম থাকে।

ভারত সরকার বলছে, চরম প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যে বিশ্বের সবচেয়ে উঁচুতে সড়ক নির্মাণ করতে গিয়ে বিআরও’র কর্মীরা অসীম ধৈর্য ও একাগ্রতার পরিচয় দিয়েছেন। তাই অবকাঠামো নির্মাণে অসাধারণ এক অর্জনের দাবিদার হয়েছেন তারা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ভারতের লাদাখের ‘উমলিঙ্গালা পাস’ বিশ্বের উচ্চতম সড়ক

আপডেট সময় ১০:০৪:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ অগাস্ট ২০২১

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

মাউন্ট এভারেস্টের বেসক্যাম্পের চেয়েও উঁচু ভারতের লাদাখের ‘উমলিঙ্গালা পাস’ এখন বিশ্বের উচ্চতম সড়ক। দক্ষিণ আমেরিকার দেশ বলিভিয়ারকে পেছনে ফেলে উচ্চতার দিক দিয়ে ভারতের লাদাখে নির্মাণ করা হচ্ছে ৫২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কটি।

ভারত সরকারের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, দেশটির বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশন (বিআরও) সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৯ হাজার ৩০০ ফুট উঁচুতে সড়কটি নির্মাণ করেছে।

বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, বর্তমানে পৃথিবীর সর্বোচ্চ সড়কটি বলিভিয়ায় অবস্থিত ছিল। ১৯ হাজার ৯৫৩ ফুট উচ্চতায় নির্মিত ওই সড়কটিকে পিছনে ফেলে ১৯ হাজার ৩০০ ফুট উচ্চতায় নির্মাণ করা হয়েছে ভারতের ‘উমলিঙ্গালা পাস।’ ভারতের দাবি, এই সড়কের মাধ্যমে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি লাদাখের পর্যটনও বিকশিত হবে।

কেন্দ্রশাসিত লাদাখের পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত উমলিংলা পাসে ৫২ কিলোমিটার দীর্ঘ পাকা সড়ক বানানো হয়েছে। লাদাখের এ সড়কটি বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্টের বেসক্যাম্পের চেয়েও উঁচুতে। নেপালের অংশে এভারেস্টের বেসক্যাম্প ১৭ হাজার ৫৯৮ ফুট উঁচুতে অবস্থিত।

অন্যদিকে, তিব্বতের উত্তর বেস ক্যাম্পের উচ্চতা ১৬ হাজার ৯০০ ফুট। সাধারণত বাণিজ্যিক উড়োজাহাজগুলো সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৩০ হাজার ফুট উঁচু দিয়ে উড়ে যায়। সেই হিসাবে, লাদাখের এ সড়কের অবস্থান বাণিজ্যিক উড়োজাহাজ ওড়ার উচ্চতার অর্ধেকের বেশি উঁচুতে।

তবে এত বেশি উঁচু স্থানে অবকাঠামো উন্নয়ন অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। শীতকালে সেখানে তাপমাত্রা মাইনাস ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসে। এছাড়াও এই উচ্চতায় অক্সিজেনের মাত্রা স্বাভাবিক জায়গার তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ কম থাকে।

ভারত সরকার বলছে, চরম প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যে বিশ্বের সবচেয়ে উঁচুতে সড়ক নির্মাণ করতে গিয়ে বিআরও’র কর্মীরা অসীম ধৈর্য ও একাগ্রতার পরিচয় দিয়েছেন। তাই অবকাঠামো নির্মাণে অসাধারণ এক অর্জনের দাবিদার হয়েছেন তারা।