ঢাকা ১১:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

বিরল উল্কাপাত দেখল বিশ্ববাসী

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

হঠাৎ করেই রাতের আকাশে উজ্জ্বল আলো ছড়িয়ে কোনও একটি বস্তুকে ছুটতে দেখেন নরওয়েবাসী। তারা এ দৃশ্যে খানিকটা অবাকই বনে যান। কী হয়েছিল?

জানা গিয়েছে, দেশটির দক্ষিণ-পূর্ব দিকে রাতের আকাশ হঠাৎই আলোকিত হয়ে উঠেছিল বড় একটি উল্কার কারণে। এ ধরনের উল্কাপাতের ঘটনা বিরল। ঘটনার বেশ কিছু ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। সব ভিডিয়োতেই আলোর ঝলকানি দেখা যায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা আলোর ঝলকানির পাশাপাশি বিকট শব্দও শোনেন।

নরওয়ে পুলিস জানায়, আলোর ঝলকানির সময়ে অনেক জরুরি কল পেতে শুরু করে তারা। ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

ওটি উল্কাপাত নিশ্চিত হওয়ার পরে উল্কাপিণ্ডের খোঁজে নেমে পড়েছেন অনেক বিশেষজ্ঞই। তাদের ধারণা, রাজধানী অসলোর কাছেই কোনো বনের মধ্যে আঘাত হেনেছে উল্কাপিণ্ডটি। সাধারণত এ ধরনের উল্কাপিণ্ড মহাকাশ থেকে দ্রুতগতিতে ছুটে এসে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশের পর পুড়ে শেষ হয়ে যায়।

দ্যা নরওয়েজিয়ান মেটেওর নেটওয়ার্ক বলছে, ওই আগুনের গোলকটি রাত একটা নাগাদ আকাশে আবির্ভূত হয়। কমপক্ষে পাঁচ সেকেন্ড দৃশ্যমান ছিল সেটি। সেকেন্ডে ১৬.৩ কিলোমিটার গতিসম্পন্ন (ঘণ্টায় ৩৬ হাজার ৫০০ মাইল) উল্কাপিণ্ডটিকে দক্ষিণ স্ক্যান্ডিনেভিয়ার বিশাল এলাকা থেকে দেখা গেছে।

নরওয়ের জ্যোতির্বিদ ভেগার্ড রেক্কা বলেন, ওই সময় তাঁর স্ত্রী জেগেই ছিলেন। তিনি বাতাসে কাঁপনের শব্দ শুনতে পান। এরপর বড় এক বিস্ফোরণের শব্দও শোনেন।

উল্কাপিণ্ডটি যেখানে পড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, সেখানে একদল বিশেষজ্ঞ পাঠানো হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, অসলো থেকে ৬০ কিলোমিটার পশ্চিমে ফিনেমারকা নামের বনভূমি এলাকায় উল্কাপিণ্ডটি পড়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, উল্কাপিণ্ডটির ওজন ১০ কেজি হতে পারে।

এ ধরনের উল্কাপাতের ঘটনা সাধারণত বিরল। এর আগে ২০১৩ সালে রাশিয়ার উরাল পর্বতে একটি উল্কাপাতের ঘটনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি ১ হাজার ৬০০ মানুষ আহত হয়েছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিরল উল্কাপাত দেখল বিশ্ববাসী

আপডেট সময় ১০:০৫:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

হঠাৎ করেই রাতের আকাশে উজ্জ্বল আলো ছড়িয়ে কোনও একটি বস্তুকে ছুটতে দেখেন নরওয়েবাসী। তারা এ দৃশ্যে খানিকটা অবাকই বনে যান। কী হয়েছিল?

জানা গিয়েছে, দেশটির দক্ষিণ-পূর্ব দিকে রাতের আকাশ হঠাৎই আলোকিত হয়ে উঠেছিল বড় একটি উল্কার কারণে। এ ধরনের উল্কাপাতের ঘটনা বিরল। ঘটনার বেশ কিছু ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। সব ভিডিয়োতেই আলোর ঝলকানি দেখা যায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা আলোর ঝলকানির পাশাপাশি বিকট শব্দও শোনেন।

নরওয়ে পুলিস জানায়, আলোর ঝলকানির সময়ে অনেক জরুরি কল পেতে শুরু করে তারা। ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

ওটি উল্কাপাত নিশ্চিত হওয়ার পরে উল্কাপিণ্ডের খোঁজে নেমে পড়েছেন অনেক বিশেষজ্ঞই। তাদের ধারণা, রাজধানী অসলোর কাছেই কোনো বনের মধ্যে আঘাত হেনেছে উল্কাপিণ্ডটি। সাধারণত এ ধরনের উল্কাপিণ্ড মহাকাশ থেকে দ্রুতগতিতে ছুটে এসে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশের পর পুড়ে শেষ হয়ে যায়।

দ্যা নরওয়েজিয়ান মেটেওর নেটওয়ার্ক বলছে, ওই আগুনের গোলকটি রাত একটা নাগাদ আকাশে আবির্ভূত হয়। কমপক্ষে পাঁচ সেকেন্ড দৃশ্যমান ছিল সেটি। সেকেন্ডে ১৬.৩ কিলোমিটার গতিসম্পন্ন (ঘণ্টায় ৩৬ হাজার ৫০০ মাইল) উল্কাপিণ্ডটিকে দক্ষিণ স্ক্যান্ডিনেভিয়ার বিশাল এলাকা থেকে দেখা গেছে।

নরওয়ের জ্যোতির্বিদ ভেগার্ড রেক্কা বলেন, ওই সময় তাঁর স্ত্রী জেগেই ছিলেন। তিনি বাতাসে কাঁপনের শব্দ শুনতে পান। এরপর বড় এক বিস্ফোরণের শব্দও শোনেন।

উল্কাপিণ্ডটি যেখানে পড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, সেখানে একদল বিশেষজ্ঞ পাঠানো হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, অসলো থেকে ৬০ কিলোমিটার পশ্চিমে ফিনেমারকা নামের বনভূমি এলাকায় উল্কাপিণ্ডটি পড়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, উল্কাপিণ্ডটির ওজন ১০ কেজি হতে পারে।

এ ধরনের উল্কাপাতের ঘটনা সাধারণত বিরল। এর আগে ২০১৩ সালে রাশিয়ার উরাল পর্বতে একটি উল্কাপাতের ঘটনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি ১ হাজার ৬০০ মানুষ আহত হয়েছিলেন।