ঢাকা ০৫:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ ‘আমি রুমিন ফারহানা, আমার কোনো দল লাগে না’ গুম হওয়া পরিবারের আর্তনাদ শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী ওসমানী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, চলছে কর্মবিরতি নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু আন্দোলনের সুফল একটি দলের ঘরে নেওয়ার চেষ্টা বিফলে যাবে : ডা. জাহিদ ঢাকাকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল রংপুর রাইডার্স খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আগামীর চালিকাশক্তি : খন্দকার মোশাররফ

লালগ্রহে আলো ছড়ালো মেরুজ্যোতি

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

লালগ্রহ মঙ্গলের বুকে মেরুজ্যোতি দেখা গেছে। আরব আমিরাতে মঙ্গল মিশনের মহাকাশযান ‘হোপ’এই মেরুজ্যোতি দেখতে পেয়েছে।

হোপ যে মেরুজ্যোতি দেখতে পেয়েছে, সেটা রাতের দিকে আকাশ জুড়ে দৃশ্যমান মেরুজ্যোতির থেকে আলাদা ধরনের। এর নাম ‘ডিসক্রিট অরোরা’। বাংলায় বলা যায়, বিক্ষিপ্ত মেরুজ্যোতি।

সেই মেরুজ্যোতি লাল গ্রহের রাতের দিকে আকাশের কিছু কিছু অংশে দেখা যায়। বাকি অংশে তা দেখা যায় না।

এই মেরুজ্যোতি জোরালো সৌরঝড়ের জন্য হয় না। পৃথিবীতে এক ধরনেরই মেরুজ্যোতি দেখা যায়। আর তার কারণও একটাই। সৌরঝড়।

সেই ঝড়ের সময় সৌরকণারা এসে কোনও গ্রহের চার দিকে থাকা অদৃশ্য চৌম্বক ক্ষেত্রের উপর পড়লে গ্রহের চৌম্বক ক্ষেত্র তাকে ফিরিয়ে দিতে চায়।

চুম্বকের দুইটি সমমেরু একে অন্যকে বিকর্ষণ করে বলে। তাতেই মেরুজ্যোতির জন্ম হয়। ভয়ঙ্কর সৌরঝড়ের হাত থেকে গ্রহগুলোর রেহাই পাওয়ার সেটাই উপায়। গ্রহের চৌম্বক ক্ষেত্র সেখানে বর্মের মতো কাজ করে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ

লালগ্রহে আলো ছড়ালো মেরুজ্যোতি

আপডেট সময় ০৯:৩৬:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জুলাই ২০২১

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

লালগ্রহ মঙ্গলের বুকে মেরুজ্যোতি দেখা গেছে। আরব আমিরাতে মঙ্গল মিশনের মহাকাশযান ‘হোপ’এই মেরুজ্যোতি দেখতে পেয়েছে।

হোপ যে মেরুজ্যোতি দেখতে পেয়েছে, সেটা রাতের দিকে আকাশ জুড়ে দৃশ্যমান মেরুজ্যোতির থেকে আলাদা ধরনের। এর নাম ‘ডিসক্রিট অরোরা’। বাংলায় বলা যায়, বিক্ষিপ্ত মেরুজ্যোতি।

সেই মেরুজ্যোতি লাল গ্রহের রাতের দিকে আকাশের কিছু কিছু অংশে দেখা যায়। বাকি অংশে তা দেখা যায় না।

এই মেরুজ্যোতি জোরালো সৌরঝড়ের জন্য হয় না। পৃথিবীতে এক ধরনেরই মেরুজ্যোতি দেখা যায়। আর তার কারণও একটাই। সৌরঝড়।

সেই ঝড়ের সময় সৌরকণারা এসে কোনও গ্রহের চার দিকে থাকা অদৃশ্য চৌম্বক ক্ষেত্রের উপর পড়লে গ্রহের চৌম্বক ক্ষেত্র তাকে ফিরিয়ে দিতে চায়।

চুম্বকের দুইটি সমমেরু একে অন্যকে বিকর্ষণ করে বলে। তাতেই মেরুজ্যোতির জন্ম হয়। ভয়ঙ্কর সৌরঝড়ের হাত থেকে গ্রহগুলোর রেহাই পাওয়ার সেটাই উপায়। গ্রহের চৌম্বক ক্ষেত্র সেখানে বর্মের মতো কাজ করে।