ঢাকা ০৭:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান সরকার অনুমোদন দিলে ক্রসফায়ারও করবে পুলিশ: আইজিপি ব্যবসায়ীকে আটকে চাঁদা দাবি: ডিজিএফআই সদস্যসহ কারাগারে ৬ দেশে হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইজিপি: চাঁদাবাজির অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করার ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ জাপান সফরে তারেক রহমান: অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতির আশা রাষ্ট্রদূতকে আনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়: শামা ওবায়েদ সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটির নবম বৈঠক চলছে স্মরণকালের সেরা দুর্গাপূজা উপহার দিলেন দেশনায়ক  তারেক রহমান

ভারত থেকে বাংলাদেশের টিকা পাওয়া এখনো অনিশ্চিত: হাইকমিশনার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে করোনা ভাইরাসের টিকা আবার কবে আসবে তা এখনও নিশ্চিত নয়। ভারতে করোনার অবস্থা এখনো খারাপ থাকায় এই অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী।

হাইকমিশনার বলেন, ভারতে করোনার অবস্থা এখনো করুণ। এ নিয়ে ঠিক কী হবে তা এখনই বলতে পারছি না।

রোববার (২০ জুন) আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে ভারতের হাইকমিশনার এ অনিশ্চয়তার কথা জানান।

এর আগে তিনি আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন যুবলীগের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে সেখানে যান। বিকেল ৩টায় বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে সংগঠনের কার্যালয়ে আসেন ভারতীয় হাইকমিশনার। তাকে স্বাগত জানান যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল। যুবলীগ নেতাদের সঙ্গে প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক করেন তিনি।

বের হয়ে যাওয়ার সময় সেরাম ইনস্টিটিউটের করোনার টিকার বিষয়ে জানতে চাইলে বিক্রম দোরাইস্বামী বলেন, আমরা টিকা উৎপাদন বাড়ানোর জন্য কাজ করে যাচ্ছি। যার জন্য আরও কয়েক সপ্তাহ সময় লাগবে। সে সময়েই এ বিষয়ে বিবেচনা করা ভালো। এ বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে এখনো আলোচনা চলছে।

তিনি বলেন, উপহার হিসেবে ৩৩ লাখ টিকা দেওয়া হয়েছে। আশা করি টিকা উৎপাদন বাড়লে এটা চলমান থাকবে। কিন্তু ভারতে করোনায় অবস্থা এখনো করুণ। সুতরাং, পরবর্তীসময়ে এ নিয়ে ঠিক কী হবে তা এখনই বলতে পারছি না।

বৈঠকের বিষয়ে বিক্রম দোরাইস্বামী বলেন, বাংলাদেশ সৃষ্টির ইতিহাসে যুবলীগ এক অদ্বিতীয় স্থান দখল করে আছে। যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা নিজেও একজন মুক্তিযোদ্ধা ও স্বাধীনতা যুদ্ধের নায়ক। তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের মূল্যবোধ রক্ষা করে কাজ করে যাচ্ছে। তাদের অফিস পরিদর্শনের জন্য আগেই আমি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম কিন্তু করোনা মহামারির জন্য উপস্থিত হতে পারিনি।

তিনি আরও বলেন, আমাদের দ্বিপাক্ষিক বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। যার উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশ ও ভারতের যুবকদের মধ্যে সম্পর্ক বাড়ানো। যুবলীগের সাহায্যে তরুণদের দোরগোড়ায় পৌঁছানো এবং ভারত ও বাংলাদেশের শিক্ষার্থী, তরুণ, ব্যবসায়ীদের মধ্যে সংযোগ বাড়ানো।

যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ বলেন, ভারত আমাদের দুঃসময়ের বন্ধু এবং সুসময়েরও সঙ্গী। সংস্কৃতি ও শিক্ষার বিনিময়ের মাধ্যমে দু’দেশের যুব সমাজের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানো যাতে ভবিষ্যতে বন্ধুত্ব আরও শক্তিশালী করতে পারি। বিষয়গুলো আজ ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্য বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তারা আমাদের তাদের বাস্তবতার কথা বলেছেন। আমরাও আশা করেছি কীভাবে টিকা পেতে পারি। আর টিকা উৎপাদনে ক্ষেত্রেও কীভাবে আমরা সামনে কাজ করতে পারি। আমাদের শিল্পউদ্যোক্তরা যেন কাজ করতে পারে সে ব্যাপারে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন যুবনেতা মামুনুর রশীদ, মজিবুর রহমান চৌধুরী (নিক্সন), খালেক শওকত আলী, রফিকুল ইসলাম এনামুল হক খান, সুব্রত পাল, শেখ ফজলে নাঈম, কাজী মাজহারুল ইসলাম, সাইফুর রহমান সোহাগ প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

ডি থ্রি টুর্নামেন্টের নিলাম সম্পন্ন: কোন দলে কারা, জেনে নিন বিস্তারিত

ভারত থেকে বাংলাদেশের টিকা পাওয়া এখনো অনিশ্চিত: হাইকমিশনার

আপডেট সময় ০৯:৫০:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ জুন ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে করোনা ভাইরাসের টিকা আবার কবে আসবে তা এখনও নিশ্চিত নয়। ভারতে করোনার অবস্থা এখনো খারাপ থাকায় এই অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী।

হাইকমিশনার বলেন, ভারতে করোনার অবস্থা এখনো করুণ। এ নিয়ে ঠিক কী হবে তা এখনই বলতে পারছি না।

রোববার (২০ জুন) আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে ভারতের হাইকমিশনার এ অনিশ্চয়তার কথা জানান।

এর আগে তিনি আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন যুবলীগের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে সেখানে যান। বিকেল ৩টায় বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে সংগঠনের কার্যালয়ে আসেন ভারতীয় হাইকমিশনার। তাকে স্বাগত জানান যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল। যুবলীগ নেতাদের সঙ্গে প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক করেন তিনি।

বের হয়ে যাওয়ার সময় সেরাম ইনস্টিটিউটের করোনার টিকার বিষয়ে জানতে চাইলে বিক্রম দোরাইস্বামী বলেন, আমরা টিকা উৎপাদন বাড়ানোর জন্য কাজ করে যাচ্ছি। যার জন্য আরও কয়েক সপ্তাহ সময় লাগবে। সে সময়েই এ বিষয়ে বিবেচনা করা ভালো। এ বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে এখনো আলোচনা চলছে।

তিনি বলেন, উপহার হিসেবে ৩৩ লাখ টিকা দেওয়া হয়েছে। আশা করি টিকা উৎপাদন বাড়লে এটা চলমান থাকবে। কিন্তু ভারতে করোনায় অবস্থা এখনো করুণ। সুতরাং, পরবর্তীসময়ে এ নিয়ে ঠিক কী হবে তা এখনই বলতে পারছি না।

বৈঠকের বিষয়ে বিক্রম দোরাইস্বামী বলেন, বাংলাদেশ সৃষ্টির ইতিহাসে যুবলীগ এক অদ্বিতীয় স্থান দখল করে আছে। যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা নিজেও একজন মুক্তিযোদ্ধা ও স্বাধীনতা যুদ্ধের নায়ক। তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের মূল্যবোধ রক্ষা করে কাজ করে যাচ্ছে। তাদের অফিস পরিদর্শনের জন্য আগেই আমি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম কিন্তু করোনা মহামারির জন্য উপস্থিত হতে পারিনি।

তিনি আরও বলেন, আমাদের দ্বিপাক্ষিক বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। যার উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশ ও ভারতের যুবকদের মধ্যে সম্পর্ক বাড়ানো। যুবলীগের সাহায্যে তরুণদের দোরগোড়ায় পৌঁছানো এবং ভারত ও বাংলাদেশের শিক্ষার্থী, তরুণ, ব্যবসায়ীদের মধ্যে সংযোগ বাড়ানো।

যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ বলেন, ভারত আমাদের দুঃসময়ের বন্ধু এবং সুসময়েরও সঙ্গী। সংস্কৃতি ও শিক্ষার বিনিময়ের মাধ্যমে দু’দেশের যুব সমাজের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানো যাতে ভবিষ্যতে বন্ধুত্ব আরও শক্তিশালী করতে পারি। বিষয়গুলো আজ ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্য বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তারা আমাদের তাদের বাস্তবতার কথা বলেছেন। আমরাও আশা করেছি কীভাবে টিকা পেতে পারি। আর টিকা উৎপাদনে ক্ষেত্রেও কীভাবে আমরা সামনে কাজ করতে পারি। আমাদের শিল্পউদ্যোক্তরা যেন কাজ করতে পারে সে ব্যাপারে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন যুবনেতা মামুনুর রশীদ, মজিবুর রহমান চৌধুরী (নিক্সন), খালেক শওকত আলী, রফিকুল ইসলাম এনামুল হক খান, সুব্রত পাল, শেখ ফজলে নাঈম, কাজী মাজহারুল ইসলাম, সাইফুর রহমান সোহাগ প্রমুখ।