ঢাকা ১০:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান সরকার অনুমোদন দিলে ক্রসফায়ারও করবে পুলিশ: আইজিপি ব্যবসায়ীকে আটকে চাঁদা দাবি: ডিজিএফআই সদস্যসহ কারাগারে ৬ দেশে হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইজিপি: চাঁদাবাজির অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করার ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ জাপান সফরে তারেক রহমান: অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতির আশা

টিকা পাঠানোয় নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানালেন শেখ হাসিনা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনাভাইস মহামাহির এই সঙ্কটময় সময়ে উপহার হিসেবে ২০ লাখ ডোজ টিকা পাঠানোয় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেদ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবছরপূর্তির অনুষ্ঠানমালা উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন শেখ হাসিনা।

এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ইতিমধ্যে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন, যেটা আমরা পেয়েছি ভারত থেকে উপহার স্বরূপ, সেটা এসে পৌঁছে গেছে। এজন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে আমি ধন্যবাদ জানাই।’

আজ দুপুরেই ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত অক্সফোর্ড-আস্ট্রাজেনাকার আবিষ্কৃত টিকার ২০ লাখ ডোজ টিকা বাংলাদেশে এসেছে। ভারত সরকারের বন্ধুত্বের নিদর্শন স্বরূপ বাংলাদেশকে এ টিকা দিয়েছে।

প্রতিবেশী কোনো দেশকে ভারতের উপহার হিসাবে দেওয়া টিকার সবচেয়ে বড় চালান।

এছাড়া সেরামের কাছ থেকে তিন কোটি ডোজ টিকা কিনতে চুক্তি করেছে বাংলাদেশ। দেশের শীর্ষ ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো ফার্মার মাধ্যমে এ টিকা আনা হবে। যার প্রথম চালান চলতি মাসেই আসার কথা রয়েছে।

বিষয়টির দিকে ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যেটা টাকা দিয়ে কিনেছি, সেটা ২৫ বা ২৬ তারিখ এসে পৌঁছাবে।’ আর ভ্যাক্সিন প্রয়োগ কর্মসূচির সব পরিকল্পনা ঠিক করা ঘয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

বলেন, ‘এই ভ্যাকসিন কীভাবে দেওয়া হবে, সব বিষয়ে পরিকল্পনা আমরা নিয়ে রেখে দিয়েছি।’
করোনাভাইরাস মোকাবেলায় ‘সরকার সব ধরনের পদক্ষেপই নিয়েছে’ বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

নিজের বিশ্ববিদ্যালয়ের বছর পূর্তির অনুষ্ঠানে ভার্চুয়াল বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে করোনা ভাইরাসের জন্য বিশ্ব স্থবির। আমিও না। এটা সত্যিই আমার জন্য খুব কষ্টের, দুঃখের। মনটা পড়ে আছে বিশ্ববিদ্যালয়ে, কিন্তু উপায় নেই।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে শুধু একটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়, এটাকে আন্দোলন সংগ্রামের সূতিকাগার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটা একটা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের, যেটা আমাদের প্রতিটি অর্জনের পথ দেখিয়েছে। আমাদের সকল অর্জনের বাতিঘর। তার সে আলো ছড়িয়ে পড়বে সারা দেশে।’

চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চাহিদার উপযোগী করে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো গড়ে তোলার উপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের আগামী দিনের পথ চলায়, বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্য যে দক্ষ মানব শক্তি দরকার, এ মানবশক্তি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ই গড়তে পারে বা এখান থেকে যাত্রা শুরু করতে পারে’। দেশের জন্য নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে তিনি বলেন, “করোনা আমাদের জন্য অনেক প্রতিবন্ধকতা নিয়ে এসেছে। কিন্তু এর সব অতিক্রম করতে হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

বাংলাদেশের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারত্ব বাড়াতে অঙ্গীকার জাপানের প্রধানমন্ত্রীর

টিকা পাঠানোয় নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানালেন শেখ হাসিনা

আপডেট সময় ১১:১৮:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ জানুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনাভাইস মহামাহির এই সঙ্কটময় সময়ে উপহার হিসেবে ২০ লাখ ডোজ টিকা পাঠানোয় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেদ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবছরপূর্তির অনুষ্ঠানমালা উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন শেখ হাসিনা।

এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ইতিমধ্যে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন, যেটা আমরা পেয়েছি ভারত থেকে উপহার স্বরূপ, সেটা এসে পৌঁছে গেছে। এজন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে আমি ধন্যবাদ জানাই।’

আজ দুপুরেই ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত অক্সফোর্ড-আস্ট্রাজেনাকার আবিষ্কৃত টিকার ২০ লাখ ডোজ টিকা বাংলাদেশে এসেছে। ভারত সরকারের বন্ধুত্বের নিদর্শন স্বরূপ বাংলাদেশকে এ টিকা দিয়েছে।

প্রতিবেশী কোনো দেশকে ভারতের উপহার হিসাবে দেওয়া টিকার সবচেয়ে বড় চালান।

এছাড়া সেরামের কাছ থেকে তিন কোটি ডোজ টিকা কিনতে চুক্তি করেছে বাংলাদেশ। দেশের শীর্ষ ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো ফার্মার মাধ্যমে এ টিকা আনা হবে। যার প্রথম চালান চলতি মাসেই আসার কথা রয়েছে।

বিষয়টির দিকে ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যেটা টাকা দিয়ে কিনেছি, সেটা ২৫ বা ২৬ তারিখ এসে পৌঁছাবে।’ আর ভ্যাক্সিন প্রয়োগ কর্মসূচির সব পরিকল্পনা ঠিক করা ঘয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

বলেন, ‘এই ভ্যাকসিন কীভাবে দেওয়া হবে, সব বিষয়ে পরিকল্পনা আমরা নিয়ে রেখে দিয়েছি।’
করোনাভাইরাস মোকাবেলায় ‘সরকার সব ধরনের পদক্ষেপই নিয়েছে’ বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

নিজের বিশ্ববিদ্যালয়ের বছর পূর্তির অনুষ্ঠানে ভার্চুয়াল বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে করোনা ভাইরাসের জন্য বিশ্ব স্থবির। আমিও না। এটা সত্যিই আমার জন্য খুব কষ্টের, দুঃখের। মনটা পড়ে আছে বিশ্ববিদ্যালয়ে, কিন্তু উপায় নেই।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে শুধু একটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়, এটাকে আন্দোলন সংগ্রামের সূতিকাগার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটা একটা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের, যেটা আমাদের প্রতিটি অর্জনের পথ দেখিয়েছে। আমাদের সকল অর্জনের বাতিঘর। তার সে আলো ছড়িয়ে পড়বে সারা দেশে।’

চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চাহিদার উপযোগী করে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো গড়ে তোলার উপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের আগামী দিনের পথ চলায়, বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্য যে দক্ষ মানব শক্তি দরকার, এ মানবশক্তি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ই গড়তে পারে বা এখান থেকে যাত্রা শুরু করতে পারে’। দেশের জন্য নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে তিনি বলেন, “করোনা আমাদের জন্য অনেক প্রতিবন্ধকতা নিয়ে এসেছে। কিন্তু এর সব অতিক্রম করতে হবে।