ঢাকা ০৩:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বিশ্বের প্রথম নারীকে চাঁদে উড়িয়ে নিয়ে যাবে যে যান

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

২০২৪ সালে চাঁদে প্রথমবার নারী পাঠানোর লক্ষ্যে জোরকদমে প্রস্তুতি শুরু করেছে নাসা। তার জন্য মহাকাশ যান, স্পেস লঞ্চ সিস্টেম, ল্যান্ডার তৈরির কাজও শুরু হয়েছে। আর নাসার সঙ্গে এই চন্দ্রাভিযানে জুটি বেঁধেছে অ্যামাজনের ফাউন্ডার ও সিইও জেফ বেজোসের সংস্থা ব্লু অরিজিন।

শোনা যাচ্ছে, চাঁদে বিশ্বের প্রথম নারীকে উড়িয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে ব্লু অরিজিনের তৈরি রকেটের ইঞ্জিন BE-7। আলাবামার হান্টসভিলেতে (Huntsville) চলা সেই ইঞ্জিনের একটি পরীক্ষামূলক প্রয়োগের ভিডিও পোস্ট করলেন স্বয়ং জেফ বেজোস। নাসার চন্দ্র অভিযান তথা আর্টেমিস মিশনের সঙ্গী হবে এই রকেট। তার জন্য প্রস্তুতি চূড়ান্ত পর্যায়ে। ইতিমধ্যেই রকেটের ইঞ্জিন BE-7-এর পরীক্ষা শুরু হয়েছে।

নিজেই সেই ভিডিও শেয়ার করেছেন বেজোস। জানা গেছে, স্পেস ফ্লাইট সেন্টারের চেম্বার থেকে হট ফায়ার টেস্ট হচ্ছে এই ইঞ্জিনের। রকেট উৎক্ষেপণের সময় তাপমাত্রার পরিমাপ ও ইঞ্জিনের কার্যক্ষমতা খতিয়ে দেখতেই এই পরীক্ষা। বেজোস জানিয়েছেন, হাই-পারফরম্যান্স লিকুইড হাইড্রোজেন সম্পন্ন এই লুনার ল্যান্ডিং ইঞ্জিন ১০ হাজার lbf শক্তিতে থ্রাস্ট দিতে পারে।

সিএনএন প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই বছর এপ্রিল মাসে নাসার একটি ঘোষণায় Blue Origin সংস্থাটির নাম উঠে আসে। এ ক্ষেত্রে নাসার চাঁদে পাড়ি দেওয়ার মিশনে মূলত মুন ল্যান্ডার অর্থাৎ মহাকাশযানের ল্যান্ডার তৈরি করার জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাটিকে নির্বাচিত করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে আর্টেমিস (Artemis) প্রোগ্রামের অধীনেই এই মুন ল্যান্ডার বা লুনার ল্যান্ডার তৈরি করা হবে।

আসলে এই লুনার ল্যান্ডার বা মুন ল্যান্ডার হল একটি স্পেসক্রাফ্ট যারা সাহায্যে চাঁদের পৃষ্ঠতলে কোনও মানুষ বা বস্তুকে অবতরণ করানো হয়। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের মধ্যে একজন পুরুষ এবং একজন নারীকে চাঁদে পাঠানোর পরিকল্পনা করছে নাসা। তবে মহাকাশে প্রথমবার নারী পাঠায় রাশিয়া। ১৯৬৩ সালে রাশিয়া থেকে ভ্যালেন্তিনা তেরেস্কোভাকে মহাকাশে পাঠানো হয়েছিল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

বিশ্বের প্রথম নারীকে চাঁদে উড়িয়ে নিয়ে যাবে যে যান

আপডেট সময় ১১:১৪:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২০

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

২০২৪ সালে চাঁদে প্রথমবার নারী পাঠানোর লক্ষ্যে জোরকদমে প্রস্তুতি শুরু করেছে নাসা। তার জন্য মহাকাশ যান, স্পেস লঞ্চ সিস্টেম, ল্যান্ডার তৈরির কাজও শুরু হয়েছে। আর নাসার সঙ্গে এই চন্দ্রাভিযানে জুটি বেঁধেছে অ্যামাজনের ফাউন্ডার ও সিইও জেফ বেজোসের সংস্থা ব্লু অরিজিন।

শোনা যাচ্ছে, চাঁদে বিশ্বের প্রথম নারীকে উড়িয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে ব্লু অরিজিনের তৈরি রকেটের ইঞ্জিন BE-7। আলাবামার হান্টসভিলেতে (Huntsville) চলা সেই ইঞ্জিনের একটি পরীক্ষামূলক প্রয়োগের ভিডিও পোস্ট করলেন স্বয়ং জেফ বেজোস। নাসার চন্দ্র অভিযান তথা আর্টেমিস মিশনের সঙ্গী হবে এই রকেট। তার জন্য প্রস্তুতি চূড়ান্ত পর্যায়ে। ইতিমধ্যেই রকেটের ইঞ্জিন BE-7-এর পরীক্ষা শুরু হয়েছে।

নিজেই সেই ভিডিও শেয়ার করেছেন বেজোস। জানা গেছে, স্পেস ফ্লাইট সেন্টারের চেম্বার থেকে হট ফায়ার টেস্ট হচ্ছে এই ইঞ্জিনের। রকেট উৎক্ষেপণের সময় তাপমাত্রার পরিমাপ ও ইঞ্জিনের কার্যক্ষমতা খতিয়ে দেখতেই এই পরীক্ষা। বেজোস জানিয়েছেন, হাই-পারফরম্যান্স লিকুইড হাইড্রোজেন সম্পন্ন এই লুনার ল্যান্ডিং ইঞ্জিন ১০ হাজার lbf শক্তিতে থ্রাস্ট দিতে পারে।

সিএনএন প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই বছর এপ্রিল মাসে নাসার একটি ঘোষণায় Blue Origin সংস্থাটির নাম উঠে আসে। এ ক্ষেত্রে নাসার চাঁদে পাড়ি দেওয়ার মিশনে মূলত মুন ল্যান্ডার অর্থাৎ মহাকাশযানের ল্যান্ডার তৈরি করার জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাটিকে নির্বাচিত করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে আর্টেমিস (Artemis) প্রোগ্রামের অধীনেই এই মুন ল্যান্ডার বা লুনার ল্যান্ডার তৈরি করা হবে।

আসলে এই লুনার ল্যান্ডার বা মুন ল্যান্ডার হল একটি স্পেসক্রাফ্ট যারা সাহায্যে চাঁদের পৃষ্ঠতলে কোনও মানুষ বা বস্তুকে অবতরণ করানো হয়। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের মধ্যে একজন পুরুষ এবং একজন নারীকে চাঁদে পাঠানোর পরিকল্পনা করছে নাসা। তবে মহাকাশে প্রথমবার নারী পাঠায় রাশিয়া। ১৯৬৩ সালে রাশিয়া থেকে ভ্যালেন্তিনা তেরেস্কোভাকে মহাকাশে পাঠানো হয়েছিল।