ঢাকা ০৬:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

নাচতে নাচতে মৃত্যু ৪০০ লোকের

আকাশ নিউজ ডেস্ক:  

হঠাৎ শুরু হওয়া নাচের এ ঘটনা বহু পুরনো। ১৫১৮ সাল। জুলাই মাস। ফ্রান্সের স্ট্রসবার্গে মিসেস ত্রোফফেয়া নামের এক নারী হঠাৎ নাচতে শুরু করেন।

তারপর সেখানে উপস্থিত সবাই নাচতে শুরু করেন। কিছুতেই তাদের নাচ থামছিল না।

এক সপ্তাহ পর আরও বহু মানুষ সেই নাচের সঙ্গে যোগ দেন। এক মাস পর শত-শত মানুষ সেই অবিরাম নাচে যোগ দেন। অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলেন কেউ কেউ। বাকিরা ফের নাচতে শুরু করেন।

শহরের সে সময়ের শাসকরা ভাবলেন, এভাবে অবিরত নাচতে দিলে নিশ্চয় ক্লান্ত হয়ে নাচ থেমে যাবে সবার। তাই তারা শহরের টাউনহলে সব মানুষের নাচার ব্যবস্থা করে দিলেন। এদের মধ্যে ক্লান্তি, হার্ট অ্যাটাক ও উচ্চ রক্তচাপে প্রাণ হারান প্রায় ৪০০ মানুষ।

মাসের পর মাস অবিরাম নাচ চালানো কোনো ব্যক্তির পক্ষেই সম্ভব নয়। কিন্তু কেন শুরু হয়েছিল সেই নাচ, আজ পর্যন্ত জানা সম্ভব হয়নি।

যদিও অনেকে দাবি করেন, বহু দিন ধরে অন্ধকার ও বদ্ধঘরে পানি আর পাউরুটি খাইয়ে রাখার পর বাইরে ছেড়ে দেয়া হয় কিছু লোককে। তাদের মধ্যেই এ নাচের ঝোঁক দেখা যায়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

The Daily Akash

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

নাচতে নাচতে মৃত্যু ৪০০ লোকের

আপডেট সময় ১০:৫১:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২০

আকাশ নিউজ ডেস্ক:  

হঠাৎ শুরু হওয়া নাচের এ ঘটনা বহু পুরনো। ১৫১৮ সাল। জুলাই মাস। ফ্রান্সের স্ট্রসবার্গে মিসেস ত্রোফফেয়া নামের এক নারী হঠাৎ নাচতে শুরু করেন।

তারপর সেখানে উপস্থিত সবাই নাচতে শুরু করেন। কিছুতেই তাদের নাচ থামছিল না।

এক সপ্তাহ পর আরও বহু মানুষ সেই নাচের সঙ্গে যোগ দেন। এক মাস পর শত-শত মানুষ সেই অবিরাম নাচে যোগ দেন। অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলেন কেউ কেউ। বাকিরা ফের নাচতে শুরু করেন।

শহরের সে সময়ের শাসকরা ভাবলেন, এভাবে অবিরত নাচতে দিলে নিশ্চয় ক্লান্ত হয়ে নাচ থেমে যাবে সবার। তাই তারা শহরের টাউনহলে সব মানুষের নাচার ব্যবস্থা করে দিলেন। এদের মধ্যে ক্লান্তি, হার্ট অ্যাটাক ও উচ্চ রক্তচাপে প্রাণ হারান প্রায় ৪০০ মানুষ।

মাসের পর মাস অবিরাম নাচ চালানো কোনো ব্যক্তির পক্ষেই সম্ভব নয়। কিন্তু কেন শুরু হয়েছিল সেই নাচ, আজ পর্যন্ত জানা সম্ভব হয়নি।

যদিও অনেকে দাবি করেন, বহু দিন ধরে অন্ধকার ও বদ্ধঘরে পানি আর পাউরুটি খাইয়ে রাখার পর বাইরে ছেড়ে দেয়া হয় কিছু লোককে। তাদের মধ্যেই এ নাচের ঝোঁক দেখা যায়।