ঢাকা ০৩:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

অতিরিক্ত স্মার্টফোন ব্যবহারে হতে পারে যে রোগ

আকাশ নিউজ ডেস্ক:  

করোনা সংক্রমণের এই সময়ে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘর থেকে বের হন না। তাই এখন বেশিরভাগ সময় কাটছে ঘরেই। একঘেয়েমি কাটিয়ে উঠতে বেশিরভাগই সময় হয়তো টিভি, মোবাইল ও সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যয় করছেন।

স্মার্টফোন ব্যবহার আধুনিক বিশ্বে প্রায় সবারই জীবনের একটি অঙ্গ হয়ে উঠেছে। শিশু থেকে শুরু করে বয়স্ক– সবার হাতেই রয়েছে স্মার্টফোন।

একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, একজন মানুষ দিনে ৫ ঘণ্টার বেশি ফোন ব্যবহার করলেও করোনায় লকডাউনের কারণে ৫ ঘণ্টা বেড়ে দ্বিগুণ বা তার বেশি সময় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

অতিরিক্ত ফোন ব্যবহারের ফলে দেখা দিচ্ছে এক ভয়ঙ্কর অসুখ। যার নাম ‘স্মার্টফোন পিঙ্কি সিনড্রোম’।

এখন প্রশ্ন হলো– ‘স্মার্টফোন পিঙ্কি সিনড্রোম’ আসলে কী? আর অতিরিক্ত ফোন ব্যবহারের ফলে একজন মানুষ কীভাবে এই রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে।

‘স্মার্টফোন পিঙ্কি সিনড্রোম’ কী?

স্মার্টফোনগুলো আকারে বড় ও ভারী হয়ে থাকে। এই ফোন হাতে থাকার সময়ে আঙুলগুলোর ওপর ভর দিয়ে বেশি ব্যবহার করা হয়। তাই ফোনের বেশিরভাগ ওজনই হাতের আঙুলের ওপর থাকে।

ফলে আঙুলের জয়েন্টে ও থাম্বের (বুড়ো আঙুল) ওপরে চাপ পড়ে এবং জন্ম নেয় ব্যথার। পরে এই ব্যথা থেকে আথ্রাইটিস বা বাত দেখা দিতে পারে। একেই বলা হয় ‘স্মার্টফোন পিঙ্কি সিনড্রোম।

এ রোগের লক্ষণ :

ছোট আঙুল (কনিষ্ঠা) ও থাম্ব (বুড়ে আঙুল) ব্যথা হতে থাকে এবং আঙুলের জয়েন্টে অসহ্য ব্যথা অনুভব করা।

প্রতিরোধে কী করবেন :

১. স্মার্টফোন অতিরিক্ত ব্যবহার করবেন না। অবসর সময়ে টেক্সট, গেম ও ভিডিও দেখার জন্য অল্পসময় নির্ধারণ করুন।

২. টানা ফোন ব্যবহার না করে মাঝে বিরতি নিন। বিরতি নেয়ার সময় আঙুলগুলো প্রসারিত করুন এবং হাত ও আঙুলের এক্সারসাইজ করুন।

৫. টাইপ না করে ফোনের স্পিচ ব্যবহার করুন।

৬. দীর্ঘ সময় ধরে একহাতে ফোন ব্যবহার না করে হাত পরিবর্তন করুন।

৭. ফিল্ম বা যে কোনো ধরনের ভিডিও দেখার জন্য স্ট্যান্ড ব্যবহার করুন।

৮. ভিডিওতে কথা বললে ফোন নির্দিষ্ট একটি জায়গায় রেখে কথা বলুন।

৯. ভয়েসকল করলে লাউডস্পিকার দিয়ে কথা বলুন অথবা এয়ারফোন ব্যবহার করুন। এসব ব্যবহার না করলে টানা ৫-৭ মিনিটের বেশি ফোন কানে দিয়ে কথা বলবেন না।

১০. আঙুলে ব্যথা বা ফোলা ভাব দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

অতিরিক্ত স্মার্টফোন ব্যবহারে হতে পারে যে রোগ

আপডেট সময় ১০:৫৩:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২০

আকাশ নিউজ ডেস্ক:  

করোনা সংক্রমণের এই সময়ে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘর থেকে বের হন না। তাই এখন বেশিরভাগ সময় কাটছে ঘরেই। একঘেয়েমি কাটিয়ে উঠতে বেশিরভাগই সময় হয়তো টিভি, মোবাইল ও সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যয় করছেন।

স্মার্টফোন ব্যবহার আধুনিক বিশ্বে প্রায় সবারই জীবনের একটি অঙ্গ হয়ে উঠেছে। শিশু থেকে শুরু করে বয়স্ক– সবার হাতেই রয়েছে স্মার্টফোন।

একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, একজন মানুষ দিনে ৫ ঘণ্টার বেশি ফোন ব্যবহার করলেও করোনায় লকডাউনের কারণে ৫ ঘণ্টা বেড়ে দ্বিগুণ বা তার বেশি সময় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

অতিরিক্ত ফোন ব্যবহারের ফলে দেখা দিচ্ছে এক ভয়ঙ্কর অসুখ। যার নাম ‘স্মার্টফোন পিঙ্কি সিনড্রোম’।

এখন প্রশ্ন হলো– ‘স্মার্টফোন পিঙ্কি সিনড্রোম’ আসলে কী? আর অতিরিক্ত ফোন ব্যবহারের ফলে একজন মানুষ কীভাবে এই রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে।

‘স্মার্টফোন পিঙ্কি সিনড্রোম’ কী?

স্মার্টফোনগুলো আকারে বড় ও ভারী হয়ে থাকে। এই ফোন হাতে থাকার সময়ে আঙুলগুলোর ওপর ভর দিয়ে বেশি ব্যবহার করা হয়। তাই ফোনের বেশিরভাগ ওজনই হাতের আঙুলের ওপর থাকে।

ফলে আঙুলের জয়েন্টে ও থাম্বের (বুড়ো আঙুল) ওপরে চাপ পড়ে এবং জন্ম নেয় ব্যথার। পরে এই ব্যথা থেকে আথ্রাইটিস বা বাত দেখা দিতে পারে। একেই বলা হয় ‘স্মার্টফোন পিঙ্কি সিনড্রোম।

এ রোগের লক্ষণ :

ছোট আঙুল (কনিষ্ঠা) ও থাম্ব (বুড়ে আঙুল) ব্যথা হতে থাকে এবং আঙুলের জয়েন্টে অসহ্য ব্যথা অনুভব করা।

প্রতিরোধে কী করবেন :

১. স্মার্টফোন অতিরিক্ত ব্যবহার করবেন না। অবসর সময়ে টেক্সট, গেম ও ভিডিও দেখার জন্য অল্পসময় নির্ধারণ করুন।

২. টানা ফোন ব্যবহার না করে মাঝে বিরতি নিন। বিরতি নেয়ার সময় আঙুলগুলো প্রসারিত করুন এবং হাত ও আঙুলের এক্সারসাইজ করুন।

৫. টাইপ না করে ফোনের স্পিচ ব্যবহার করুন।

৬. দীর্ঘ সময় ধরে একহাতে ফোন ব্যবহার না করে হাত পরিবর্তন করুন।

৭. ফিল্ম বা যে কোনো ধরনের ভিডিও দেখার জন্য স্ট্যান্ড ব্যবহার করুন।

৮. ভিডিওতে কথা বললে ফোন নির্দিষ্ট একটি জায়গায় রেখে কথা বলুন।

৯. ভয়েসকল করলে লাউডস্পিকার দিয়ে কথা বলুন অথবা এয়ারফোন ব্যবহার করুন। এসব ব্যবহার না করলে টানা ৫-৭ মিনিটের বেশি ফোন কানে দিয়ে কথা বলবেন না।

১০. আঙুলে ব্যথা বা ফোলা ভাব দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।