ঢাকা ০২:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামায়াত-এনসিপির বক্তব্যে দেশপ্রেম নিয়ে আশাবাদী হওয়া যাচ্ছে না:পানিসম্পদ মন্ত্রী জঙ্গল সলিমপুরে পানিতে বিষ মিশিয়ে যৌথবাহিনী সদস্যদের হত্যাচেষ্টা! দেশে ১ কোটি লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে: পরিবেশমন্ত্রী তুরাবদের রক্তের বিনিময়েই দেশ ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়েছে: ডা. শফিকুর রহমান জনগণের স্বার্থের বিপরীতে কিছু করলে দায়ভার সরকারের ওপরই পড়বে: মান্না অস্ত্র প্রস্তুত, তবে ইরানকে ‘কিছুটা সময়’ দিচ্ছেন ট্রাম্প : মার্কিন রাষ্ট্রদূত বিএনপি মো. সাহাবুদ্দিনকে ‘সেফ এক্সিট’ দিতে চায়: আখতার প্রতিমন্ত্রী ইশরাককে ঘিরে উত্তেজনা-ধস্তাধস্তি, বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহ্বান গণতন্ত্র যতবারই হোঁচট খেয়েছে, ততবারই মানুষ বিএনপির ওপর আস্থা রেখেছে: ডা. জাহিদ বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঢুকে পড়লো কুর্মিটোলা হাসপাতাল প্রাঙ্গণে, নিহত ১

অতিরিক্ত স্মার্টফোন ব্যবহারে হতে পারে যে রোগ

আকাশ নিউজ ডেস্ক:  

করোনা সংক্রমণের এই সময়ে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘর থেকে বের হন না। তাই এখন বেশিরভাগ সময় কাটছে ঘরেই। একঘেয়েমি কাটিয়ে উঠতে বেশিরভাগই সময় হয়তো টিভি, মোবাইল ও সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যয় করছেন।

স্মার্টফোন ব্যবহার আধুনিক বিশ্বে প্রায় সবারই জীবনের একটি অঙ্গ হয়ে উঠেছে। শিশু থেকে শুরু করে বয়স্ক– সবার হাতেই রয়েছে স্মার্টফোন।

একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, একজন মানুষ দিনে ৫ ঘণ্টার বেশি ফোন ব্যবহার করলেও করোনায় লকডাউনের কারণে ৫ ঘণ্টা বেড়ে দ্বিগুণ বা তার বেশি সময় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

অতিরিক্ত ফোন ব্যবহারের ফলে দেখা দিচ্ছে এক ভয়ঙ্কর অসুখ। যার নাম ‘স্মার্টফোন পিঙ্কি সিনড্রোম’।

এখন প্রশ্ন হলো– ‘স্মার্টফোন পিঙ্কি সিনড্রোম’ আসলে কী? আর অতিরিক্ত ফোন ব্যবহারের ফলে একজন মানুষ কীভাবে এই রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে।

‘স্মার্টফোন পিঙ্কি সিনড্রোম’ কী?

স্মার্টফোনগুলো আকারে বড় ও ভারী হয়ে থাকে। এই ফোন হাতে থাকার সময়ে আঙুলগুলোর ওপর ভর দিয়ে বেশি ব্যবহার করা হয়। তাই ফোনের বেশিরভাগ ওজনই হাতের আঙুলের ওপর থাকে।

ফলে আঙুলের জয়েন্টে ও থাম্বের (বুড়ো আঙুল) ওপরে চাপ পড়ে এবং জন্ম নেয় ব্যথার। পরে এই ব্যথা থেকে আথ্রাইটিস বা বাত দেখা দিতে পারে। একেই বলা হয় ‘স্মার্টফোন পিঙ্কি সিনড্রোম।

এ রোগের লক্ষণ :

ছোট আঙুল (কনিষ্ঠা) ও থাম্ব (বুড়ে আঙুল) ব্যথা হতে থাকে এবং আঙুলের জয়েন্টে অসহ্য ব্যথা অনুভব করা।

প্রতিরোধে কী করবেন :

১. স্মার্টফোন অতিরিক্ত ব্যবহার করবেন না। অবসর সময়ে টেক্সট, গেম ও ভিডিও দেখার জন্য অল্পসময় নির্ধারণ করুন।

২. টানা ফোন ব্যবহার না করে মাঝে বিরতি নিন। বিরতি নেয়ার সময় আঙুলগুলো প্রসারিত করুন এবং হাত ও আঙুলের এক্সারসাইজ করুন।

৫. টাইপ না করে ফোনের স্পিচ ব্যবহার করুন।

৬. দীর্ঘ সময় ধরে একহাতে ফোন ব্যবহার না করে হাত পরিবর্তন করুন।

৭. ফিল্ম বা যে কোনো ধরনের ভিডিও দেখার জন্য স্ট্যান্ড ব্যবহার করুন।

৮. ভিডিওতে কথা বললে ফোন নির্দিষ্ট একটি জায়গায় রেখে কথা বলুন।

৯. ভয়েসকল করলে লাউডস্পিকার দিয়ে কথা বলুন অথবা এয়ারফোন ব্যবহার করুন। এসব ব্যবহার না করলে টানা ৫-৭ মিনিটের বেশি ফোন কানে দিয়ে কথা বলবেন না।

১০. আঙুলে ব্যথা বা ফোলা ভাব দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াত-এনসিপির বক্তব্যে দেশপ্রেম নিয়ে আশাবাদী হওয়া যাচ্ছে না:পানিসম্পদ মন্ত্রী

অতিরিক্ত স্মার্টফোন ব্যবহারে হতে পারে যে রোগ

আপডেট সময় ১০:৫৩:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২০

আকাশ নিউজ ডেস্ক:  

করোনা সংক্রমণের এই সময়ে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘর থেকে বের হন না। তাই এখন বেশিরভাগ সময় কাটছে ঘরেই। একঘেয়েমি কাটিয়ে উঠতে বেশিরভাগই সময় হয়তো টিভি, মোবাইল ও সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যয় করছেন।

স্মার্টফোন ব্যবহার আধুনিক বিশ্বে প্রায় সবারই জীবনের একটি অঙ্গ হয়ে উঠেছে। শিশু থেকে শুরু করে বয়স্ক– সবার হাতেই রয়েছে স্মার্টফোন।

একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, একজন মানুষ দিনে ৫ ঘণ্টার বেশি ফোন ব্যবহার করলেও করোনায় লকডাউনের কারণে ৫ ঘণ্টা বেড়ে দ্বিগুণ বা তার বেশি সময় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

অতিরিক্ত ফোন ব্যবহারের ফলে দেখা দিচ্ছে এক ভয়ঙ্কর অসুখ। যার নাম ‘স্মার্টফোন পিঙ্কি সিনড্রোম’।

এখন প্রশ্ন হলো– ‘স্মার্টফোন পিঙ্কি সিনড্রোম’ আসলে কী? আর অতিরিক্ত ফোন ব্যবহারের ফলে একজন মানুষ কীভাবে এই রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে।

‘স্মার্টফোন পিঙ্কি সিনড্রোম’ কী?

স্মার্টফোনগুলো আকারে বড় ও ভারী হয়ে থাকে। এই ফোন হাতে থাকার সময়ে আঙুলগুলোর ওপর ভর দিয়ে বেশি ব্যবহার করা হয়। তাই ফোনের বেশিরভাগ ওজনই হাতের আঙুলের ওপর থাকে।

ফলে আঙুলের জয়েন্টে ও থাম্বের (বুড়ো আঙুল) ওপরে চাপ পড়ে এবং জন্ম নেয় ব্যথার। পরে এই ব্যথা থেকে আথ্রাইটিস বা বাত দেখা দিতে পারে। একেই বলা হয় ‘স্মার্টফোন পিঙ্কি সিনড্রোম।

এ রোগের লক্ষণ :

ছোট আঙুল (কনিষ্ঠা) ও থাম্ব (বুড়ে আঙুল) ব্যথা হতে থাকে এবং আঙুলের জয়েন্টে অসহ্য ব্যথা অনুভব করা।

প্রতিরোধে কী করবেন :

১. স্মার্টফোন অতিরিক্ত ব্যবহার করবেন না। অবসর সময়ে টেক্সট, গেম ও ভিডিও দেখার জন্য অল্পসময় নির্ধারণ করুন।

২. টানা ফোন ব্যবহার না করে মাঝে বিরতি নিন। বিরতি নেয়ার সময় আঙুলগুলো প্রসারিত করুন এবং হাত ও আঙুলের এক্সারসাইজ করুন।

৫. টাইপ না করে ফোনের স্পিচ ব্যবহার করুন।

৬. দীর্ঘ সময় ধরে একহাতে ফোন ব্যবহার না করে হাত পরিবর্তন করুন।

৭. ফিল্ম বা যে কোনো ধরনের ভিডিও দেখার জন্য স্ট্যান্ড ব্যবহার করুন।

৮. ভিডিওতে কথা বললে ফোন নির্দিষ্ট একটি জায়গায় রেখে কথা বলুন।

৯. ভয়েসকল করলে লাউডস্পিকার দিয়ে কথা বলুন অথবা এয়ারফোন ব্যবহার করুন। এসব ব্যবহার না করলে টানা ৫-৭ মিনিটের বেশি ফোন কানে দিয়ে কথা বলবেন না।

১০. আঙুলে ব্যথা বা ফোলা ভাব দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।