ঢাকা ১০:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
একটি রাজনৈতিক দল বিভিন্ন এলাকা থেকে ভোটারদের ঢাকায় স্থানান্তর করে আনছে: ফখরুলের অভিযোগ নরসিংদীতে দুই ব্যবসায়ীর ঝগড়ায় একজনের মৃত্যু, অভিযুক্তর বাড়িতে ভাঙচুর-আগুন ৭ কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশ চূড়ান্ত আমি এসেছি শুধু শুনতে, শিখতে এবং একসঙ্গে কাজ করার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যেতে: জাইমা রহমান চাকরির ক্ষেত্রে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়েছে কিনা তা দেখা উচিত : আমীর খসরু ওসমানী হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রেকেও খেসারত দিতে হবে, ফরাসি কৃষিমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি ভুয়া জরিপ ও মিথ্যা প্রচারণা দিয়ে রাজনৈতিক ইতিহাস বদলানো যাবে না : দুদু গণ-অভ্যুত্থানের নিষ্ঠুরতম খুনিদের বিচার নিশ্চিত করা হবে : তাজুল ইসলাম এক্সপেকটেশন যদি ১০ থাকে, অন্তত চার তো অর্জন করতে পেরেছি : আসিফ নজরুল

করোনা সন্দেহ হলে কী করবেন, কোথায় যাবেন?

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

করোনাভাইরাসের এই সময়ে জ্বর, শুকনো কাশি অথবা শরীর ব্যথার উপসর্গ দেখা দিলে স্বাভাবিকভাবেই এখন অনেকে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। এ ছাড়া হাসপাতালে রোগীর প্রচণ্ড চাপ ও প্রত্যাশিত সেবা না পাওয়া হাসপাতালে যাবেন কিনা তা নিয়ে সংশয়ে আছেন।

তবে এখন প্রশ্ন হলো– আপনার শরীরে যদি করোনাভাইরাস সংক্রমণের একাধিক উপসর্গ দেখা দেয় তবে কী করবেন?

এ বিষয়ে তথ্য জানিয়েছেন ঢাকার বক্ষব্যাধি হাসপাতালের চিকিৎসক কাজী সাইফুদ্দিন বেন্নুর এবং সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের ভাইরোলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক তাহমিনা শিরিন।

আসুন জেনে নিই কী করবেন?

১. করোনাভাইরাস সংক্রমণের প্রথম উপসর্গ হলো জ্বর ও শুকনো কাশি। এ ছাড়া শরীরের পেশিতে ব্যথা, গলাব্যথা, স্বাদ ও গন্ধের অনুভূতি না থাকা, শ্বাসকষ্ট, কখনও পেট খারাপ ও বমি বা বমি বমি ভাব থাকতে পারে। এসব উপসর্গ দেখা দিলে সেলফ আইসোলেশনে থাকতে হবে।

২. সম্ভব হলে আলাদা একটি ঘরে থাকুন। প্রাতঃকর্ম এবং অন্যান্য কাজের জন্য বাইরে বের হবেন না। খাবার, প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ও ওষুধ ঘরের দরজার বাইরে রেখে যাবেন পরিবারের সদস্যরা। এ ব্যবস্থা করা সম্ভব না হলে অন্যদের থেকে অন্তত ছয়ফুট দূরত্বে থাকুন ও মাস্ক পরুন।

৩. জ্বরের সঙ্গে আরও এক বা একাধিক উপসর্গ দেখা গেলে নমুনা পরীক্ষা এবং চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে।

৪. নমুনা পরীক্ষা রিপোর্ট আসা পর্যন্ত বসে না থেকে প্রতিদিন নিয়ম করে ৪ থেকে ৫ বার গরম পানির গার্গল করুন। এ ছাড়া দিনে কয়েক বার গরম পানির ভাপ নিন।

৫. এ সময় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এমন খাবার খান। প্রতিদিন প্রোটিন জাতীয় খাবার বেশি করে খান। স্যুপ খেতে পারেন। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার খান।

৬. শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা খেয়াল রাখুন। পালস অক্সিমিটার নামে ছোট একটি মেডিকেল যন্ত্র এ ক্ষেত্রে হাতের কাছে রাখতে পারেন।

৭. ডায়াবেটিস, হৃদরোগ ও অ্যাজমার মতো স্বাস্থ্য সমস্যা আছে এমন রোগীকে বিশেষ সতর্ক থাকতে হবে।

৮. এ সময় চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

উত্তরায় নিরাপত্তাকর্মীকে পিটিয়ে অস্ত্র ছিনতাই-অপহরণ

করোনা সন্দেহ হলে কী করবেন, কোথায় যাবেন?

আপডেট সময় ১০:৩৯:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২০

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

করোনাভাইরাসের এই সময়ে জ্বর, শুকনো কাশি অথবা শরীর ব্যথার উপসর্গ দেখা দিলে স্বাভাবিকভাবেই এখন অনেকে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। এ ছাড়া হাসপাতালে রোগীর প্রচণ্ড চাপ ও প্রত্যাশিত সেবা না পাওয়া হাসপাতালে যাবেন কিনা তা নিয়ে সংশয়ে আছেন।

তবে এখন প্রশ্ন হলো– আপনার শরীরে যদি করোনাভাইরাস সংক্রমণের একাধিক উপসর্গ দেখা দেয় তবে কী করবেন?

এ বিষয়ে তথ্য জানিয়েছেন ঢাকার বক্ষব্যাধি হাসপাতালের চিকিৎসক কাজী সাইফুদ্দিন বেন্নুর এবং সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের ভাইরোলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক তাহমিনা শিরিন।

আসুন জেনে নিই কী করবেন?

১. করোনাভাইরাস সংক্রমণের প্রথম উপসর্গ হলো জ্বর ও শুকনো কাশি। এ ছাড়া শরীরের পেশিতে ব্যথা, গলাব্যথা, স্বাদ ও গন্ধের অনুভূতি না থাকা, শ্বাসকষ্ট, কখনও পেট খারাপ ও বমি বা বমি বমি ভাব থাকতে পারে। এসব উপসর্গ দেখা দিলে সেলফ আইসোলেশনে থাকতে হবে।

২. সম্ভব হলে আলাদা একটি ঘরে থাকুন। প্রাতঃকর্ম এবং অন্যান্য কাজের জন্য বাইরে বের হবেন না। খাবার, প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ও ওষুধ ঘরের দরজার বাইরে রেখে যাবেন পরিবারের সদস্যরা। এ ব্যবস্থা করা সম্ভব না হলে অন্যদের থেকে অন্তত ছয়ফুট দূরত্বে থাকুন ও মাস্ক পরুন।

৩. জ্বরের সঙ্গে আরও এক বা একাধিক উপসর্গ দেখা গেলে নমুনা পরীক্ষা এবং চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে।

৪. নমুনা পরীক্ষা রিপোর্ট আসা পর্যন্ত বসে না থেকে প্রতিদিন নিয়ম করে ৪ থেকে ৫ বার গরম পানির গার্গল করুন। এ ছাড়া দিনে কয়েক বার গরম পানির ভাপ নিন।

৫. এ সময় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এমন খাবার খান। প্রতিদিন প্রোটিন জাতীয় খাবার বেশি করে খান। স্যুপ খেতে পারেন। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার খান।

৬. শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা খেয়াল রাখুন। পালস অক্সিমিটার নামে ছোট একটি মেডিকেল যন্ত্র এ ক্ষেত্রে হাতের কাছে রাখতে পারেন।

৭. ডায়াবেটিস, হৃদরোগ ও অ্যাজমার মতো স্বাস্থ্য সমস্যা আছে এমন রোগীকে বিশেষ সতর্ক থাকতে হবে।

৮. এ সময় চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।