ঢাকা ০৪:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

করোনা জয়ের গল্প শোনালেন বাবা ও তার দুই মেয়ে

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশে কভিড-১৯ করোনাভাইরাস জয় করে শতাধিক মানুষ ঘরে ফিরেছেন। তাদের সেই করোনা জয়ের গল্প অন্য সকলের জন্য হয়ে উঠেছে অনুপ্রেরণার। মহামারী করোনাকে যারা হারিয়ে দিয়েছেন তাদের বেশিরভাগেরই শেষ পর্যন্ত মনোবল অটুট ছিল। হার না মানার প্রতিজ্ঞাই তাদের সাহায্য করে করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে।

কিশোরগঞ্জে ভৈরবে এক পরিবারের তিন সদস্য করোনাকে হারিয়ে দিয়েছেন। দুই মেয়ে ও তাদের বাবা এবার শুনিয়েছেন করোনাজয়ের গল্প। পরিবারের অভিভাবক কাজী আবুল হোসেন ব্যবসায়ী। তার দুই মেয়ে হালিমা তুর্য স্নিগ্ধা ও নওশিন শার্মিলী নিরা। গত ১৭ এপ্রিল করোনায় আক্রান্ত হন স্নিগ্ধা। আক্রান্ত হওয়ার পর রাতেই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাকে কিশোরগঞ্জের সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠিয়ে দেন। পরদিন ডাক্তার তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নমুনা পরীক্ষা করে ঢাকায় পাঠায়। ১৯ এপ্রিল তার বাবা আবুল হোসেন ও ছোটবোন নিরার রিপোর্টও পজিটিভ আসে। তাদেরও একই হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠায় প্রশাসন। বাবাকে নিয়ে বেশি চিন্তায় পড়েন স্নিগ্ধা। কারণ তার ৬০ বছর বয়সী বাবার হৃদরোগসহ শরীরে আরও কিছু রোগ রয়েছে।

হাসপাতালে থেকে নিয়মিত তারা ওষুধ খাওয়াসহ সব নিয়ম মেনে চলেছেন। এরপর গত শুক্রবার আবারও বাবা-মেয়েদের নমুনা সংগ্রহ করে পাঠানো হয় পরীক্ষার জন্য। সোমবার তিনজনেরই রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। স্নিগ্ধা জানান, নিয়ম মেনে চলায় এটা সম্ভব হয়েছে। হাসপাতালে প্রতিদিন ৫ বার গরম পানিতে ভাপ নেয়াসহ গারগিল করা, লেবুর শরবত, আদা-লং লেবু দিয়ে দৈনিক ৮-১০ বার চা পান, ফলমূল খাওয়া সবই করেছি। ডাক্তারদের দেয়া ওষুধ নিয়মিত সেবন করেছি। চিকিৎসকদের কথা মেনে চলেছি। আবারও আমাদের তিনজনের নমুনা পরীক্ষা করা হবে। তখন নেগেটিভ আসলে আমরা হাসপাতাল থেকে রিলিজ পাব।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

করোনা জয়ের গল্প শোনালেন বাবা ও তার দুই মেয়ে

আপডেট সময় ১০:০১:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশে কভিড-১৯ করোনাভাইরাস জয় করে শতাধিক মানুষ ঘরে ফিরেছেন। তাদের সেই করোনা জয়ের গল্প অন্য সকলের জন্য হয়ে উঠেছে অনুপ্রেরণার। মহামারী করোনাকে যারা হারিয়ে দিয়েছেন তাদের বেশিরভাগেরই শেষ পর্যন্ত মনোবল অটুট ছিল। হার না মানার প্রতিজ্ঞাই তাদের সাহায্য করে করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে।

কিশোরগঞ্জে ভৈরবে এক পরিবারের তিন সদস্য করোনাকে হারিয়ে দিয়েছেন। দুই মেয়ে ও তাদের বাবা এবার শুনিয়েছেন করোনাজয়ের গল্প। পরিবারের অভিভাবক কাজী আবুল হোসেন ব্যবসায়ী। তার দুই মেয়ে হালিমা তুর্য স্নিগ্ধা ও নওশিন শার্মিলী নিরা। গত ১৭ এপ্রিল করোনায় আক্রান্ত হন স্নিগ্ধা। আক্রান্ত হওয়ার পর রাতেই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাকে কিশোরগঞ্জের সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠিয়ে দেন। পরদিন ডাক্তার তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নমুনা পরীক্ষা করে ঢাকায় পাঠায়। ১৯ এপ্রিল তার বাবা আবুল হোসেন ও ছোটবোন নিরার রিপোর্টও পজিটিভ আসে। তাদেরও একই হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠায় প্রশাসন। বাবাকে নিয়ে বেশি চিন্তায় পড়েন স্নিগ্ধা। কারণ তার ৬০ বছর বয়সী বাবার হৃদরোগসহ শরীরে আরও কিছু রোগ রয়েছে।

হাসপাতালে থেকে নিয়মিত তারা ওষুধ খাওয়াসহ সব নিয়ম মেনে চলেছেন। এরপর গত শুক্রবার আবারও বাবা-মেয়েদের নমুনা সংগ্রহ করে পাঠানো হয় পরীক্ষার জন্য। সোমবার তিনজনেরই রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। স্নিগ্ধা জানান, নিয়ম মেনে চলায় এটা সম্ভব হয়েছে। হাসপাতালে প্রতিদিন ৫ বার গরম পানিতে ভাপ নেয়াসহ গারগিল করা, লেবুর শরবত, আদা-লং লেবু দিয়ে দৈনিক ৮-১০ বার চা পান, ফলমূল খাওয়া সবই করেছি। ডাক্তারদের দেয়া ওষুধ নিয়মিত সেবন করেছি। চিকিৎসকদের কথা মেনে চলেছি। আবারও আমাদের তিনজনের নমুনা পরীক্ষা করা হবে। তখন নেগেটিভ আসলে আমরা হাসপাতাল থেকে রিলিজ পাব।