ঢাকা ০৯:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায় পটুয়াখালীতে দুই বান্ধবীকে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার ধর্ষকের মা সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জরুরি নির্দেশনা শিশু পানিতে পড়লেই বাজবে সাইরেন, কল যাবে ফোনে,দাবি ভোলার তরুণ উদ্ভাবকএর আমেরিকার উস্কানিতে ইরানে বিক্ষোভ : মাসুদ পেজেশকিয়ান আমার মনোনয়ন বাতিল করার কোনো কারণ ছিল না: মাহমুদুর রহমান মান্না ব্রিটিশ সরকারকে ‘ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিলেন ইলন মাস্ক ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনে বাণিজ্যে প্রভাব পড়বে না : শেখ বশিরউদ্দীন

করোনা জয়ের গল্প শোনালেন বাবা ও তার দুই মেয়ে

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশে কভিড-১৯ করোনাভাইরাস জয় করে শতাধিক মানুষ ঘরে ফিরেছেন। তাদের সেই করোনা জয়ের গল্প অন্য সকলের জন্য হয়ে উঠেছে অনুপ্রেরণার। মহামারী করোনাকে যারা হারিয়ে দিয়েছেন তাদের বেশিরভাগেরই শেষ পর্যন্ত মনোবল অটুট ছিল। হার না মানার প্রতিজ্ঞাই তাদের সাহায্য করে করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে।

কিশোরগঞ্জে ভৈরবে এক পরিবারের তিন সদস্য করোনাকে হারিয়ে দিয়েছেন। দুই মেয়ে ও তাদের বাবা এবার শুনিয়েছেন করোনাজয়ের গল্প। পরিবারের অভিভাবক কাজী আবুল হোসেন ব্যবসায়ী। তার দুই মেয়ে হালিমা তুর্য স্নিগ্ধা ও নওশিন শার্মিলী নিরা। গত ১৭ এপ্রিল করোনায় আক্রান্ত হন স্নিগ্ধা। আক্রান্ত হওয়ার পর রাতেই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাকে কিশোরগঞ্জের সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠিয়ে দেন। পরদিন ডাক্তার তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নমুনা পরীক্ষা করে ঢাকায় পাঠায়। ১৯ এপ্রিল তার বাবা আবুল হোসেন ও ছোটবোন নিরার রিপোর্টও পজিটিভ আসে। তাদেরও একই হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠায় প্রশাসন। বাবাকে নিয়ে বেশি চিন্তায় পড়েন স্নিগ্ধা। কারণ তার ৬০ বছর বয়সী বাবার হৃদরোগসহ শরীরে আরও কিছু রোগ রয়েছে।

হাসপাতালে থেকে নিয়মিত তারা ওষুধ খাওয়াসহ সব নিয়ম মেনে চলেছেন। এরপর গত শুক্রবার আবারও বাবা-মেয়েদের নমুনা সংগ্রহ করে পাঠানো হয় পরীক্ষার জন্য। সোমবার তিনজনেরই রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। স্নিগ্ধা জানান, নিয়ম মেনে চলায় এটা সম্ভব হয়েছে। হাসপাতালে প্রতিদিন ৫ বার গরম পানিতে ভাপ নেয়াসহ গারগিল করা, লেবুর শরবত, আদা-লং লেবু দিয়ে দৈনিক ৮-১০ বার চা পান, ফলমূল খাওয়া সবই করেছি। ডাক্তারদের দেয়া ওষুধ নিয়মিত সেবন করেছি। চিকিৎসকদের কথা মেনে চলেছি। আবারও আমাদের তিনজনের নমুনা পরীক্ষা করা হবে। তখন নেগেটিভ আসলে আমরা হাসপাতাল থেকে রিলিজ পাব।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কী কারণে ভাঙছে তাহসান-রোজার সংসার

করোনা জয়ের গল্প শোনালেন বাবা ও তার দুই মেয়ে

আপডেট সময় ১০:০১:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশে কভিড-১৯ করোনাভাইরাস জয় করে শতাধিক মানুষ ঘরে ফিরেছেন। তাদের সেই করোনা জয়ের গল্প অন্য সকলের জন্য হয়ে উঠেছে অনুপ্রেরণার। মহামারী করোনাকে যারা হারিয়ে দিয়েছেন তাদের বেশিরভাগেরই শেষ পর্যন্ত মনোবল অটুট ছিল। হার না মানার প্রতিজ্ঞাই তাদের সাহায্য করে করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে।

কিশোরগঞ্জে ভৈরবে এক পরিবারের তিন সদস্য করোনাকে হারিয়ে দিয়েছেন। দুই মেয়ে ও তাদের বাবা এবার শুনিয়েছেন করোনাজয়ের গল্প। পরিবারের অভিভাবক কাজী আবুল হোসেন ব্যবসায়ী। তার দুই মেয়ে হালিমা তুর্য স্নিগ্ধা ও নওশিন শার্মিলী নিরা। গত ১৭ এপ্রিল করোনায় আক্রান্ত হন স্নিগ্ধা। আক্রান্ত হওয়ার পর রাতেই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাকে কিশোরগঞ্জের সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠিয়ে দেন। পরদিন ডাক্তার তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নমুনা পরীক্ষা করে ঢাকায় পাঠায়। ১৯ এপ্রিল তার বাবা আবুল হোসেন ও ছোটবোন নিরার রিপোর্টও পজিটিভ আসে। তাদেরও একই হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠায় প্রশাসন। বাবাকে নিয়ে বেশি চিন্তায় পড়েন স্নিগ্ধা। কারণ তার ৬০ বছর বয়সী বাবার হৃদরোগসহ শরীরে আরও কিছু রোগ রয়েছে।

হাসপাতালে থেকে নিয়মিত তারা ওষুধ খাওয়াসহ সব নিয়ম মেনে চলেছেন। এরপর গত শুক্রবার আবারও বাবা-মেয়েদের নমুনা সংগ্রহ করে পাঠানো হয় পরীক্ষার জন্য। সোমবার তিনজনেরই রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। স্নিগ্ধা জানান, নিয়ম মেনে চলায় এটা সম্ভব হয়েছে। হাসপাতালে প্রতিদিন ৫ বার গরম পানিতে ভাপ নেয়াসহ গারগিল করা, লেবুর শরবত, আদা-লং লেবু দিয়ে দৈনিক ৮-১০ বার চা পান, ফলমূল খাওয়া সবই করেছি। ডাক্তারদের দেয়া ওষুধ নিয়মিত সেবন করেছি। চিকিৎসকদের কথা মেনে চলেছি। আবারও আমাদের তিনজনের নমুনা পরীক্ষা করা হবে। তখন নেগেটিভ আসলে আমরা হাসপাতাল থেকে রিলিজ পাব।