ঢাকা ১১:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন ঢাকায় ফ্ল্যাট পাচ্ছে ওসমান হাদির পরিবার ইসির আচরণ ও কর্মকাণ্ড সন্দেহজনক : রিজভী নির্বাচনের আগেই লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা ‘না’ ভোট দেওয়া মানেই স্বৈরাচারের পক্ষে দাঁড়ানো: শারমীন মুরশিদ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার যেকোনো অপচেষ্টা মোকাবিলায় প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বস্তিবাসীদের জন্য উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে: তারেক রহমান মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন দেশ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কাজ করব : মির্জা আব্বাস ইমান এনে কোনো লাভ নেই, এরা মুনাফিকি করে মানুষকে ভুল বুঝিয়ে ভোট চাচ্ছে: মির্জা ফখরুল

যেভাবে ১০ দিনে করোনা থেকে সুস্থ হলেন ডা. সালাম

গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আব্দুস সালাম

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সারা দুনিয়ায় এক আতঙ্কের নাম করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯)। আর এই মরণব্যাধি করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বাংলাদেশেও রয়েছে। দিন যতো যাচ্ছে বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলছে। এই ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছেন চিকিৎসকসহ স্বাস্থ্যকর্মীরাও।

গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আব্দুস সালাম করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হন। আর এই করোনা ভাইরাস থেকে সুস্থ হতে নিজেই নিজের বাড়িতে আইসলোশেন চিকিৎসা নেন। একে তো নিজে ডাক্তার, তার উপর করোনার মতো রোগ। ভয় না পেয়ে বাসায় থেকে নিজে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এখন পুরোপুরি সুস্থ। মাত্র ১০ দিনে সুস্থ হয়ে উঠছেন এই ডাক্তার। যা অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আব্দুস সালাম বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, গত ১৮ এপ্রিল আমার করোনাভাইরাস পজেটিভ আসে। এরপর থেকে আমি আমার বাসায় বসে নিজে নিজেই চিকিৎসা নেই। চিকিৎসার মধ্যে সবার আগে গরম পানি খাওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব দেই। সবসময় গরম পানি, আদা চা, গরম পানি দিয়ে গলা গড়গড় করাসহ নানা নিয়ম মেনে চলেছি। খাবারের তালিকায় ভিটামিন সি জাতীয় খাবার ও জিংক সমৃদ্ধ খাবার খেয়েছি। তবে একটু পরপর নাকে মুখে গরম পানির ভাপ নিয়েছি। আর এটাই সবচেয়ে বেশি কার্যকরী।

তিনি আরও বলেন, তেমন কোন আলাদা ওষুধ না খেয়েই আমি এখন সুস্থ। আজ ২৮ এপ্রিল আমার করোনা ভাইরাস নেগেটিভ এসেছে।

এদিকে গাজীপুরের কাপাসিয়া দস্যুনারায়নপুর এলাকার ছোঁয়া এগ্রো লিমিটেডের এক শ্রমিকের প্রথম করোনা ভাইরাস পজেটিভ পাওয়া যায়। এর পর ওই কারখানার কিছু শ্রমিক তথ্য গোপন করে কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেয়। আর হাসপাতালের চিকিৎসক নার্স স্বাস্থ্যকর্মীরা না জেনে কোনো ধরনের প্রটোকল না নিয়ে একের পর এক সংক্রমণ হতে থাকে। এভাবে কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রায় ৩৫ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়।

গাজীপুর সিভিল সার্জন ডা. খায়রুজ্জামান বলেন, চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা জীবন বাজি রেখে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছে। আর এরই মধ্যে তারা সংক্রমিত হচ্ছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যেভাবে ১০ দিনে করোনা থেকে সুস্থ হলেন ডা. সালাম

আপডেট সময় ০৮:০৪:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সারা দুনিয়ায় এক আতঙ্কের নাম করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯)। আর এই মরণব্যাধি করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বাংলাদেশেও রয়েছে। দিন যতো যাচ্ছে বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলছে। এই ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছেন চিকিৎসকসহ স্বাস্থ্যকর্মীরাও।

গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আব্দুস সালাম করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হন। আর এই করোনা ভাইরাস থেকে সুস্থ হতে নিজেই নিজের বাড়িতে আইসলোশেন চিকিৎসা নেন। একে তো নিজে ডাক্তার, তার উপর করোনার মতো রোগ। ভয় না পেয়ে বাসায় থেকে নিজে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এখন পুরোপুরি সুস্থ। মাত্র ১০ দিনে সুস্থ হয়ে উঠছেন এই ডাক্তার। যা অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আব্দুস সালাম বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, গত ১৮ এপ্রিল আমার করোনাভাইরাস পজেটিভ আসে। এরপর থেকে আমি আমার বাসায় বসে নিজে নিজেই চিকিৎসা নেই। চিকিৎসার মধ্যে সবার আগে গরম পানি খাওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব দেই। সবসময় গরম পানি, আদা চা, গরম পানি দিয়ে গলা গড়গড় করাসহ নানা নিয়ম মেনে চলেছি। খাবারের তালিকায় ভিটামিন সি জাতীয় খাবার ও জিংক সমৃদ্ধ খাবার খেয়েছি। তবে একটু পরপর নাকে মুখে গরম পানির ভাপ নিয়েছি। আর এটাই সবচেয়ে বেশি কার্যকরী।

তিনি আরও বলেন, তেমন কোন আলাদা ওষুধ না খেয়েই আমি এখন সুস্থ। আজ ২৮ এপ্রিল আমার করোনা ভাইরাস নেগেটিভ এসেছে।

এদিকে গাজীপুরের কাপাসিয়া দস্যুনারায়নপুর এলাকার ছোঁয়া এগ্রো লিমিটেডের এক শ্রমিকের প্রথম করোনা ভাইরাস পজেটিভ পাওয়া যায়। এর পর ওই কারখানার কিছু শ্রমিক তথ্য গোপন করে কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেয়। আর হাসপাতালের চিকিৎসক নার্স স্বাস্থ্যকর্মীরা না জেনে কোনো ধরনের প্রটোকল না নিয়ে একের পর এক সংক্রমণ হতে থাকে। এভাবে কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রায় ৩৫ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়।

গাজীপুর সিভিল সার্জন ডা. খায়রুজ্জামান বলেন, চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা জীবন বাজি রেখে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছে। আর এরই মধ্যে তারা সংক্রমিত হচ্ছেন।