ঢাকা ০৪:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

যেভাবে ১০ দিনে করোনা থেকে সুস্থ হলেন ডা. সালাম

গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আব্দুস সালাম

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সারা দুনিয়ায় এক আতঙ্কের নাম করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯)। আর এই মরণব্যাধি করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বাংলাদেশেও রয়েছে। দিন যতো যাচ্ছে বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলছে। এই ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছেন চিকিৎসকসহ স্বাস্থ্যকর্মীরাও।

গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আব্দুস সালাম করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হন। আর এই করোনা ভাইরাস থেকে সুস্থ হতে নিজেই নিজের বাড়িতে আইসলোশেন চিকিৎসা নেন। একে তো নিজে ডাক্তার, তার উপর করোনার মতো রোগ। ভয় না পেয়ে বাসায় থেকে নিজে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এখন পুরোপুরি সুস্থ। মাত্র ১০ দিনে সুস্থ হয়ে উঠছেন এই ডাক্তার। যা অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আব্দুস সালাম বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, গত ১৮ এপ্রিল আমার করোনাভাইরাস পজেটিভ আসে। এরপর থেকে আমি আমার বাসায় বসে নিজে নিজেই চিকিৎসা নেই। চিকিৎসার মধ্যে সবার আগে গরম পানি খাওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব দেই। সবসময় গরম পানি, আদা চা, গরম পানি দিয়ে গলা গড়গড় করাসহ নানা নিয়ম মেনে চলেছি। খাবারের তালিকায় ভিটামিন সি জাতীয় খাবার ও জিংক সমৃদ্ধ খাবার খেয়েছি। তবে একটু পরপর নাকে মুখে গরম পানির ভাপ নিয়েছি। আর এটাই সবচেয়ে বেশি কার্যকরী।

তিনি আরও বলেন, তেমন কোন আলাদা ওষুধ না খেয়েই আমি এখন সুস্থ। আজ ২৮ এপ্রিল আমার করোনা ভাইরাস নেগেটিভ এসেছে।

এদিকে গাজীপুরের কাপাসিয়া দস্যুনারায়নপুর এলাকার ছোঁয়া এগ্রো লিমিটেডের এক শ্রমিকের প্রথম করোনা ভাইরাস পজেটিভ পাওয়া যায়। এর পর ওই কারখানার কিছু শ্রমিক তথ্য গোপন করে কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেয়। আর হাসপাতালের চিকিৎসক নার্স স্বাস্থ্যকর্মীরা না জেনে কোনো ধরনের প্রটোকল না নিয়ে একের পর এক সংক্রমণ হতে থাকে। এভাবে কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রায় ৩৫ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়।

গাজীপুর সিভিল সার্জন ডা. খায়রুজ্জামান বলেন, চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা জীবন বাজি রেখে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছে। আর এরই মধ্যে তারা সংক্রমিত হচ্ছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

যেভাবে ১০ দিনে করোনা থেকে সুস্থ হলেন ডা. সালাম

আপডেট সময় ০৮:০৪:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সারা দুনিয়ায় এক আতঙ্কের নাম করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯)। আর এই মরণব্যাধি করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বাংলাদেশেও রয়েছে। দিন যতো যাচ্ছে বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলছে। এই ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছেন চিকিৎসকসহ স্বাস্থ্যকর্মীরাও।

গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আব্দুস সালাম করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হন। আর এই করোনা ভাইরাস থেকে সুস্থ হতে নিজেই নিজের বাড়িতে আইসলোশেন চিকিৎসা নেন। একে তো নিজে ডাক্তার, তার উপর করোনার মতো রোগ। ভয় না পেয়ে বাসায় থেকে নিজে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এখন পুরোপুরি সুস্থ। মাত্র ১০ দিনে সুস্থ হয়ে উঠছেন এই ডাক্তার। যা অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আব্দুস সালাম বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, গত ১৮ এপ্রিল আমার করোনাভাইরাস পজেটিভ আসে। এরপর থেকে আমি আমার বাসায় বসে নিজে নিজেই চিকিৎসা নেই। চিকিৎসার মধ্যে সবার আগে গরম পানি খাওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব দেই। সবসময় গরম পানি, আদা চা, গরম পানি দিয়ে গলা গড়গড় করাসহ নানা নিয়ম মেনে চলেছি। খাবারের তালিকায় ভিটামিন সি জাতীয় খাবার ও জিংক সমৃদ্ধ খাবার খেয়েছি। তবে একটু পরপর নাকে মুখে গরম পানির ভাপ নিয়েছি। আর এটাই সবচেয়ে বেশি কার্যকরী।

তিনি আরও বলেন, তেমন কোন আলাদা ওষুধ না খেয়েই আমি এখন সুস্থ। আজ ২৮ এপ্রিল আমার করোনা ভাইরাস নেগেটিভ এসেছে।

এদিকে গাজীপুরের কাপাসিয়া দস্যুনারায়নপুর এলাকার ছোঁয়া এগ্রো লিমিটেডের এক শ্রমিকের প্রথম করোনা ভাইরাস পজেটিভ পাওয়া যায়। এর পর ওই কারখানার কিছু শ্রমিক তথ্য গোপন করে কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেয়। আর হাসপাতালের চিকিৎসক নার্স স্বাস্থ্যকর্মীরা না জেনে কোনো ধরনের প্রটোকল না নিয়ে একের পর এক সংক্রমণ হতে থাকে। এভাবে কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রায় ৩৫ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়।

গাজীপুর সিভিল সার্জন ডা. খায়রুজ্জামান বলেন, চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা জীবন বাজি রেখে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছে। আর এরই মধ্যে তারা সংক্রমিত হচ্ছেন।