ঢাকা ১১:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাগেরহাটে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন মামুনুল হক ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন পোস্টাল ভোট সফল করতে পারলে বাংলাদেশের নাম ওয়ার্ল্ড হিস্ট্রিতে থাকবে: সিইসি ঢাকায় ফ্ল্যাট পাচ্ছে ওসমান হাদির পরিবার ইসির আচরণ ও কর্মকাণ্ড সন্দেহজনক : রিজভী নির্বাচনের আগেই লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা ‘না’ ভোট দেওয়া মানেই স্বৈরাচারের পক্ষে দাঁড়ানো: শারমীন মুরশিদ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার যেকোনো অপচেষ্টা মোকাবিলায় প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বস্তিবাসীদের জন্য উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে: তারেক রহমান

কোন পরিস্থিতিতে নেবুলাইজার ব্যবহার করা উচিত?

আকাশ নিউজ ডেস্ক : 

শীতের সময়ে শ্বাসকষ্টের রোগীদের সমস্যা বেড়ে যায়, বিশেষ করে যারা অ্যাজমা বা হাঁপানি, সিওপিডি, ব্রঙ্কাইটিস, ব্রঙ্কিয়েক্টাসিস বা দীর্ঘমেয়াদি কোনো শ্বাসকষ্টের সমস্যায় ভোগেন।

শ্বাসকষ্টের চিকিৎসায় নানা ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতি রয়েছে। মুখে খাওয়ার ওষুধ ছাড়াও কার্যকরী চিকিৎসা হচ্ছে ইনহেলার বা নেবুলাইজার।

শ্বাসকষ্টের জন্য ব্যবহৃত মুখে খাওয়ার ওষুধ সেবনের পর পরিপাকতন্ত্রের মাধ্যমে রক্তের সাহায্যে শরীরের বিভিন্ন স্থানে তথা শ্বাসতন্ত্রে পৌঁছে। এতে শ্বাসকষ্টের লাঘব তাৎক্ষণিক বা আশাপ্রদ হয় না, কিন্তু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বেশি হয়। পক্ষান্তরে ইনহেলার বা নেবুলাইজারের মাধ্যমে প্রয়োগকৃত ওষুধ সরাসরি শ্বাসযন্ত্রে প্রবেশ করায় অনেক বেশি কার্যকর ও নিরাপদ হয়।

ইনহেলার বা নেবুলাইজারের মাধ্যমে প্রয়োগকৃত স্টেরয়েড বা শ্বাসযন্ত্র সম্প্রসারণ করার ওষুধ (ব্রঙ্কোডাইলেটর) সূক্ষ্ম কণায় প্রস্তুতকৃত, যা শ্বাসের মাধ্যমে শ্বাসযন্ত্রে তথা ফুসফুসের ভেতরে টেনে নিতে হয়।

এভাবে ওষুধ প্রয়োগের ফলে ওষুধ সরাসরি শ্বাসযন্ত্রে কাজ করে, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও হয় কম এবং কম পরিমাণ ওষুধেই নির্দিষ্ট কার্যকারিতা পাওয়া যায়। সঠিক পদ্ধতিতে ইনহেলার ব্যবহার হাঁপানি বা অন্যান্য শ্বাসকষ্টের চিকিৎসায় খুবই কার্যকরী। স্টেরয়েড জাতীয় ইনহেলার ব্যবহারের পর ভালোভাবে কুলকুচা করতে হবে যাতে মুখগহবরে ওষুধ না লেগে থাকে।

ব্যবহারবিধি:

#নেবুলাইজার ও প্রয়োজনীয় ওষুধ আগে গুছিয়ে নিন।

#সাবান দিয়ে ভালোভাবে হাত ধুয়ে নিন। হাত শুকিয়ে (বা পরিষ্কার টিস্যু দিয়ে মুছে) নেওয়ার পর নির্দিষ্ট অংশে (নেবুলাইজার কাপ) ওষুধটা নিতে হবে।

#নেবুলাইজার কাপ ও মাস্ক সংযুক্ত করুন। এরপর টিউবগুলো সংযুক্ত করুন। যন্ত্রটি সামান্য সময়ের জন্য চালু করে দেখুন, ঠিকঠাক কাজ হচ্ছে কি না। ঠিকঠাক চললে হালকা ধোঁয়া বেরিয়ে আসবে।

#একটি চেয়ারে বসুন। অবস্থানটি যাতে আরামদায়ক হয়, সেদিকে খেয়াল রাখুন। মাস্ক বা নির্দিষ্ট অংশটি মুখে লাগিয়ে নিন।

#ধীর ও গভীর শ্বাস নিন। সম্ভব হলে নিশ্বাস ছাড়ার আগে দুই থেকে তিন সেকেন্ড অপেক্ষা করুন।

#নেবুলাইজার কাপের এক প্রান্তে ওষুধটা লেগে আছে মনে হলে কাপটি একটু ঝাঁকিয়ে নিতে পারেন।

#বিভাগীয় প্রধান, শিশু সার্জারি বিভাগ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কোন পরিস্থিতিতে নেবুলাইজার ব্যবহার করা উচিত?

আপডেট সময় ০৯:৩১:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

আকাশ নিউজ ডেস্ক : 

শীতের সময়ে শ্বাসকষ্টের রোগীদের সমস্যা বেড়ে যায়, বিশেষ করে যারা অ্যাজমা বা হাঁপানি, সিওপিডি, ব্রঙ্কাইটিস, ব্রঙ্কিয়েক্টাসিস বা দীর্ঘমেয়াদি কোনো শ্বাসকষ্টের সমস্যায় ভোগেন।

শ্বাসকষ্টের চিকিৎসায় নানা ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতি রয়েছে। মুখে খাওয়ার ওষুধ ছাড়াও কার্যকরী চিকিৎসা হচ্ছে ইনহেলার বা নেবুলাইজার।

শ্বাসকষ্টের জন্য ব্যবহৃত মুখে খাওয়ার ওষুধ সেবনের পর পরিপাকতন্ত্রের মাধ্যমে রক্তের সাহায্যে শরীরের বিভিন্ন স্থানে তথা শ্বাসতন্ত্রে পৌঁছে। এতে শ্বাসকষ্টের লাঘব তাৎক্ষণিক বা আশাপ্রদ হয় না, কিন্তু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বেশি হয়। পক্ষান্তরে ইনহেলার বা নেবুলাইজারের মাধ্যমে প্রয়োগকৃত ওষুধ সরাসরি শ্বাসযন্ত্রে প্রবেশ করায় অনেক বেশি কার্যকর ও নিরাপদ হয়।

ইনহেলার বা নেবুলাইজারের মাধ্যমে প্রয়োগকৃত স্টেরয়েড বা শ্বাসযন্ত্র সম্প্রসারণ করার ওষুধ (ব্রঙ্কোডাইলেটর) সূক্ষ্ম কণায় প্রস্তুতকৃত, যা শ্বাসের মাধ্যমে শ্বাসযন্ত্রে তথা ফুসফুসের ভেতরে টেনে নিতে হয়।

এভাবে ওষুধ প্রয়োগের ফলে ওষুধ সরাসরি শ্বাসযন্ত্রে কাজ করে, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও হয় কম এবং কম পরিমাণ ওষুধেই নির্দিষ্ট কার্যকারিতা পাওয়া যায়। সঠিক পদ্ধতিতে ইনহেলার ব্যবহার হাঁপানি বা অন্যান্য শ্বাসকষ্টের চিকিৎসায় খুবই কার্যকরী। স্টেরয়েড জাতীয় ইনহেলার ব্যবহারের পর ভালোভাবে কুলকুচা করতে হবে যাতে মুখগহবরে ওষুধ না লেগে থাকে।

ব্যবহারবিধি:

#নেবুলাইজার ও প্রয়োজনীয় ওষুধ আগে গুছিয়ে নিন।

#সাবান দিয়ে ভালোভাবে হাত ধুয়ে নিন। হাত শুকিয়ে (বা পরিষ্কার টিস্যু দিয়ে মুছে) নেওয়ার পর নির্দিষ্ট অংশে (নেবুলাইজার কাপ) ওষুধটা নিতে হবে।

#নেবুলাইজার কাপ ও মাস্ক সংযুক্ত করুন। এরপর টিউবগুলো সংযুক্ত করুন। যন্ত্রটি সামান্য সময়ের জন্য চালু করে দেখুন, ঠিকঠাক কাজ হচ্ছে কি না। ঠিকঠাক চললে হালকা ধোঁয়া বেরিয়ে আসবে।

#একটি চেয়ারে বসুন। অবস্থানটি যাতে আরামদায়ক হয়, সেদিকে খেয়াল রাখুন। মাস্ক বা নির্দিষ্ট অংশটি মুখে লাগিয়ে নিন।

#ধীর ও গভীর শ্বাস নিন। সম্ভব হলে নিশ্বাস ছাড়ার আগে দুই থেকে তিন সেকেন্ড অপেক্ষা করুন।

#নেবুলাইজার কাপের এক প্রান্তে ওষুধটা লেগে আছে মনে হলে কাপটি একটু ঝাঁকিয়ে নিতে পারেন।

#বিভাগীয় প্রধান, শিশু সার্জারি বিভাগ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ