ঢাকা ০৬:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

গণপরিবহন ছাড়া সড়কে সব যানবাহনই চলছে

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে পঞ্চম দফায় ৫ মে পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে জনগণকে ঘর থেকে বের না হওয়ার আহ্বান জানানো হলেও ছুটির দিন যত গড়াচ্ছে রাজধানীর সড়কে গণপরিবহন ব্যতীত সব যানবাহনের সংখ্যাও বাড়ছে।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাজধানীর মিরপুর, পল্লবী, ধানমন্ডি, প্রেসক্লাব ও মোহাম্মদপুর এলাকা ঘুরে দেখা যায় এমন চিত্র।

এসব এলাকা ঘুরে দেখা যায়, অন্য দিনের চেয়ে মঙ্গলবার রাস্তায় ব্যক্তিগত পরিবহনের সংখ্যা তুলনামূলক অনেক বেশি। বিশেষ করে জীবিকার তাগিদে মানুষ ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে বের হয়ে পড়েছেন। অনেকে পায়ে হেঁটে গন্তব্যে যাচ্ছেন।

গণপরিবহন না চললেও রিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেলে চড়ে গন্তব্যে ছুটছেন লোকজন। শুধু তাই নয় বেশ কয়েকটি বাসস্ট্যান্ডে যাত্রীর অপেক্ষায় ভাড়ায় চালিত যানবাহনকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে।

গণপরিবহন ব্যতীত সড়কে সব যানবাহনই চলছে। শোয়েব মিথুনজীবনের তাগিদে বাধ্য হয়ে বাসা থেকে গাড়ি নিয়ে বের হয়েছেন বলে জানালেন ভাড়াচালিত পরিবহনের চালকরা। পরিবার নিয়ে কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন তাই আর না পেরে গাড়ি নিয়ে বের হয়েছেন। তারপরও অনেক সময় ধরে বসে আছেন কারণ যাত্রী নেই।

এ ব্যাপারে পাঠাও চালক মো. বাদল মিয়া বলেন, ‘লকডাউনের শুরু থেকে বেশ কয়েকদিন বাসায় ছিলাম। বাসা থেকে বের হইনি। আর চলতে পারছি না। কোথাও থেকে কোনো সহায়তা পাইনি। তাই বাধ্য হয়েই গত দুইদিন যাবত খেপ মারছি। তবে খেপও তেমন নেই।’

এদিকে জরুরি প্রয়োজনে বের হওয়া মানুষ ভাড়ায় এসব পরিবহনে নিজের গন্তব্যে যাচ্ছে।

জনসমাগম ঠেকাতে রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশের চেকপোস্ট দেখা গেছে। প্রাইভেট গাড়ি ও মোটরসাইকেল থামিয়ে জনগণকে বাড়ি থেকে বের হতে নিরুৎসাহিত করছে পুলিশ।

অপরদিকে, প্রতিনিয়ত দেশে করোনা ভাইরাস সংক্রমণজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়েই চলেছে। এ অবস্থায় নগরবাসীকে স্বেচ্ছায় ঘরবন্দি থাকতে হবে। সচেতনতাই পারে এ মহামারি থেকে দেশকে রক্ষা করতে।

তবে দিন যত যাচ্ছে বেকারত্ব, অসহায় দিনমজুর, খেটে খাওয়া মানুষের হাহাকারও বেড়েই চলেছে রাজধানীসহ সারাদেশে। লকডাউনের মধ্যে বেকার হয়ে পড়া অসহায় মানুষেরা প্রতিনিয়ত ত্রাণের আশায় রাস্তার মোড়ে মোড়ে ভিড় করছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

গণপরিবহন ছাড়া সড়কে সব যানবাহনই চলছে

আপডেট সময় ০৪:৫২:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে পঞ্চম দফায় ৫ মে পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে জনগণকে ঘর থেকে বের না হওয়ার আহ্বান জানানো হলেও ছুটির দিন যত গড়াচ্ছে রাজধানীর সড়কে গণপরিবহন ব্যতীত সব যানবাহনের সংখ্যাও বাড়ছে।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাজধানীর মিরপুর, পল্লবী, ধানমন্ডি, প্রেসক্লাব ও মোহাম্মদপুর এলাকা ঘুরে দেখা যায় এমন চিত্র।

এসব এলাকা ঘুরে দেখা যায়, অন্য দিনের চেয়ে মঙ্গলবার রাস্তায় ব্যক্তিগত পরিবহনের সংখ্যা তুলনামূলক অনেক বেশি। বিশেষ করে জীবিকার তাগিদে মানুষ ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে বের হয়ে পড়েছেন। অনেকে পায়ে হেঁটে গন্তব্যে যাচ্ছেন।

গণপরিবহন না চললেও রিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেলে চড়ে গন্তব্যে ছুটছেন লোকজন। শুধু তাই নয় বেশ কয়েকটি বাসস্ট্যান্ডে যাত্রীর অপেক্ষায় ভাড়ায় চালিত যানবাহনকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে।

গণপরিবহন ব্যতীত সড়কে সব যানবাহনই চলছে। শোয়েব মিথুনজীবনের তাগিদে বাধ্য হয়ে বাসা থেকে গাড়ি নিয়ে বের হয়েছেন বলে জানালেন ভাড়াচালিত পরিবহনের চালকরা। পরিবার নিয়ে কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন তাই আর না পেরে গাড়ি নিয়ে বের হয়েছেন। তারপরও অনেক সময় ধরে বসে আছেন কারণ যাত্রী নেই।

এ ব্যাপারে পাঠাও চালক মো. বাদল মিয়া বলেন, ‘লকডাউনের শুরু থেকে বেশ কয়েকদিন বাসায় ছিলাম। বাসা থেকে বের হইনি। আর চলতে পারছি না। কোথাও থেকে কোনো সহায়তা পাইনি। তাই বাধ্য হয়েই গত দুইদিন যাবত খেপ মারছি। তবে খেপও তেমন নেই।’

এদিকে জরুরি প্রয়োজনে বের হওয়া মানুষ ভাড়ায় এসব পরিবহনে নিজের গন্তব্যে যাচ্ছে।

জনসমাগম ঠেকাতে রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশের চেকপোস্ট দেখা গেছে। প্রাইভেট গাড়ি ও মোটরসাইকেল থামিয়ে জনগণকে বাড়ি থেকে বের হতে নিরুৎসাহিত করছে পুলিশ।

অপরদিকে, প্রতিনিয়ত দেশে করোনা ভাইরাস সংক্রমণজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়েই চলেছে। এ অবস্থায় নগরবাসীকে স্বেচ্ছায় ঘরবন্দি থাকতে হবে। সচেতনতাই পারে এ মহামারি থেকে দেশকে রক্ষা করতে।

তবে দিন যত যাচ্ছে বেকারত্ব, অসহায় দিনমজুর, খেটে খাওয়া মানুষের হাহাকারও বেড়েই চলেছে রাজধানীসহ সারাদেশে। লকডাউনের মধ্যে বেকার হয়ে পড়া অসহায় মানুষেরা প্রতিনিয়ত ত্রাণের আশায় রাস্তার মোড়ে মোড়ে ভিড় করছেন।