ঢাকা ০৭:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

দান সাদকায় প্রতিযোগিতা করাও উত্তম কাজ

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

আল্লাহ তাআলা চাইলে সব মানুষকে ধনী বানিয়ে দিতে পারতেন। কিন্তু তিনি তা করেননি। আসলে বিত্তশালীরা, বিত্তহীনদের সাথে কেমন আচরণ করে আল্লাহ তাআলা তা দেখতে চান। চলমান সময়ে মুসলমানদের অধিকাংশই আল্লাহর কোনো বিধানই যথাযথভাবে পালন করছে না। মুসলিম সমাজ যদি জাকাত, সদকা সম্বন্ধে আল্লাহর নির্দেশ যথাযথভাবে পালন করত; তবে বিশ্ব মুসলিম আজকের মত দারিদ্র্যের জাঁতাকলে পিষ্ট হতো না। মুসলমানদের সকল কাজে মৌলিক একটি উদ্দেশ্য থাকে, আর তাহলো আল্লাহর সন্তুষ্টি। যে কোনো দাতা দানের সময় যদি আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় কাজটি সম্পাদন করেন তাহলে এতে তার অফুরন্ত সাওয়াবও হবে এবং সম্পদও বৃদ্ধি পাবে ।

আল্লাহর পথে দান-সাদকা অন্যতম সৎ কাজ। দান-অনুদানে মানুষের দুনিয়া ও পরকালের অনেক কল্যাণ সাধিত হয়। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমরা সৎকাজে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে এগিয়ে চলো।’ (সুরা বাকারা : আয়াত ১৪৮)

অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা সেই পথে দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলো, যা তোমাদের প্রভুর ক্ষমা এবং আকাশ ও পৃথিবী সমান প্রশস্ত জান্নাতের দিকে এগিয়ে গেছে।’ (সুরা আল ইমরান : আয়াত ১৩৩)

হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত একদিন একলোক রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট এসে জিজ্ঞাসা করলেন, হে আল্লাহর রাসুল! কোন দানে (সাদকায়) সবচেয়ে বেশি সাওয়াব?
তিনি বললেন, তুমি এমন অবস্থায় দান করবে যে, তুমি (শারীরিকভাবে) সুস্থ; ধন-সম্পদের প্রতি লোভ আছে; অভাব-অনটনকে ভয় করছো। এবং ধন-সম্পদের আশাও পোষণ করছো।

তুমি দান করার ব্যাপারে এমন কার্পণ্য পোষণ করো না যে, শেষে মৃত্যুর ক্ষণটি এসে যায়, এবং তখন তুমি এটা ঘোষণা কর যে, এ পরিমাণ অমুকের এবং সে পরিমাণ অমুকে। অথচ অমুকের জন্য সে মাল আগেই নির্ধারিত হয়ে গেছে। (বুখারি ও মুসলিম)

সুতরাং আল্লাহর ক্ষমা লাভ এবং প্রশস্ত জান্নাত পাওয়ার পথে এগিয়ে যেতে দান-সাদকার প্রতি গুরুত্ব দেয়া উচিত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর উম্মতকে দান-সাদকায় প্রতিযোগিতা করার প্রতি উৎসাহিত করেছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

দান সাদকায় প্রতিযোগিতা করাও উত্তম কাজ

আপডেট সময় ০৮:৪৮:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

আল্লাহ তাআলা চাইলে সব মানুষকে ধনী বানিয়ে দিতে পারতেন। কিন্তু তিনি তা করেননি। আসলে বিত্তশালীরা, বিত্তহীনদের সাথে কেমন আচরণ করে আল্লাহ তাআলা তা দেখতে চান। চলমান সময়ে মুসলমানদের অধিকাংশই আল্লাহর কোনো বিধানই যথাযথভাবে পালন করছে না। মুসলিম সমাজ যদি জাকাত, সদকা সম্বন্ধে আল্লাহর নির্দেশ যথাযথভাবে পালন করত; তবে বিশ্ব মুসলিম আজকের মত দারিদ্র্যের জাঁতাকলে পিষ্ট হতো না। মুসলমানদের সকল কাজে মৌলিক একটি উদ্দেশ্য থাকে, আর তাহলো আল্লাহর সন্তুষ্টি। যে কোনো দাতা দানের সময় যদি আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় কাজটি সম্পাদন করেন তাহলে এতে তার অফুরন্ত সাওয়াবও হবে এবং সম্পদও বৃদ্ধি পাবে ।

আল্লাহর পথে দান-সাদকা অন্যতম সৎ কাজ। দান-অনুদানে মানুষের দুনিয়া ও পরকালের অনেক কল্যাণ সাধিত হয়। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমরা সৎকাজে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে এগিয়ে চলো।’ (সুরা বাকারা : আয়াত ১৪৮)

অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা সেই পথে দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলো, যা তোমাদের প্রভুর ক্ষমা এবং আকাশ ও পৃথিবী সমান প্রশস্ত জান্নাতের দিকে এগিয়ে গেছে।’ (সুরা আল ইমরান : আয়াত ১৩৩)

হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত একদিন একলোক রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট এসে জিজ্ঞাসা করলেন, হে আল্লাহর রাসুল! কোন দানে (সাদকায়) সবচেয়ে বেশি সাওয়াব?
তিনি বললেন, তুমি এমন অবস্থায় দান করবে যে, তুমি (শারীরিকভাবে) সুস্থ; ধন-সম্পদের প্রতি লোভ আছে; অভাব-অনটনকে ভয় করছো। এবং ধন-সম্পদের আশাও পোষণ করছো।

তুমি দান করার ব্যাপারে এমন কার্পণ্য পোষণ করো না যে, শেষে মৃত্যুর ক্ষণটি এসে যায়, এবং তখন তুমি এটা ঘোষণা কর যে, এ পরিমাণ অমুকের এবং সে পরিমাণ অমুকে। অথচ অমুকের জন্য সে মাল আগেই নির্ধারিত হয়ে গেছে। (বুখারি ও মুসলিম)

সুতরাং আল্লাহর ক্ষমা লাভ এবং প্রশস্ত জান্নাত পাওয়ার পথে এগিয়ে যেতে দান-সাদকার প্রতি গুরুত্ব দেয়া উচিত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর উম্মতকে দান-সাদকায় প্রতিযোগিতা করার প্রতি উৎসাহিত করেছেন।