ঢাকা ০৭:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

দুই সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে বহু মানুষের মৃত্যু হবে: ট্রাম্প

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র কঠিনতম সপ্তাহে প্রবেশ করতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, দুর্ভাগ্যবশত, এই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে বহু মৃত্যু হতে পারে।

বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাসে যুক্তরাষ্ট্রে শনিবার একদিনেই ১২২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এ সময়ে দেশটিতে প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা তিন লাখ ছাড়িয়ে গেছে। আর মৃত্যু হয়েছে আট হাজারের বেশি মানুষের। জনস হপকিনস বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাবে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

শনিবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, এটা হবে সম্ভাব্য কঠিনতম সপ্তাহ, চলতি সপ্তাহ এবং আগামী সপ্তাহের মধ্যে। এ সময়ে প্রচুর মানুষের মৃত্যু হবে।

ভয়াবহভাবে আক্রান্ত রাজ্যগুলোতে সেনা সদস্য ও চিকিৎসাকর্মী মোতায়েন করা হবে বলেও জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

তিনি বলেন, অঙ্গরাজ্যগুলোতে ঘাটতি পূরণে সহায়তা করতে প্রচুর সেনা সদস্য মোতায়েন করা হবে। হাজার হাজার সেনা সদস্য, হাজার হাজার চিকিৎসাকর্মী, পেশাদার নার্স ও চিকিৎসক নিয়োগ দেয়া হবে।

অঙ্গরাজ্যগুলোতে করোনাভাইরাসের অনেক সঙ্কটজনক রোগীকে বাঁচানোর জন্য ভেন্টিলেটরের প্রয়োজন হলেও কেন্দ্রীয় সরকার তা সরবরাহে যথেষ্ট ভূমিকা পালন করছে না, এমন সমালোচনাকেও উড়িয়ে দেন তিনি।

কয়েকটি অঙ্গরাজ্যের গভর্নর তাদের প্রয়োজনের চেয়েও বেশি ভেন্টিলেটর মেশিন চেয়ে পাঠাচ্ছে আর তাতেই এমন কথা উঠছে বলে পাল্টা অভিযোগ করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

ট্রাম্প বলেন, সঙ্কট দেখা দিতে পারে এমন শঙ্কায় অনেকে বেশি পাঠানোর অনুরোধ জানাচ্ছে।

‘আমাদের সামনে এমন সময় আসছে যা খুব ভয়ঙ্কর হতে পারে। যুদ্ধ চলাকালে, দুটি বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে অথবা অন্য কয়েকটি ঘটনায় সম্ভবত এ ধরনের সংখ্যা (মৃত্যুর) দেখলেও আর কখনো আমরা সম্ভবত এমনটি দেখিনি।’

চীনের একটি শহর থেকে উৎপত্তি হয়ে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া ভাইরাসটিতে মৃত্যুর সংখ্যায় এখন পুরো চীনকে ছাড়িয়ে গেছে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্য।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

দুই সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে বহু মানুষের মৃত্যু হবে: ট্রাম্প

আপডেট সময় ০৮:১৭:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র কঠিনতম সপ্তাহে প্রবেশ করতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, দুর্ভাগ্যবশত, এই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে বহু মৃত্যু হতে পারে।

বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাসে যুক্তরাষ্ট্রে শনিবার একদিনেই ১২২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এ সময়ে দেশটিতে প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা তিন লাখ ছাড়িয়ে গেছে। আর মৃত্যু হয়েছে আট হাজারের বেশি মানুষের। জনস হপকিনস বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাবে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

শনিবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, এটা হবে সম্ভাব্য কঠিনতম সপ্তাহ, চলতি সপ্তাহ এবং আগামী সপ্তাহের মধ্যে। এ সময়ে প্রচুর মানুষের মৃত্যু হবে।

ভয়াবহভাবে আক্রান্ত রাজ্যগুলোতে সেনা সদস্য ও চিকিৎসাকর্মী মোতায়েন করা হবে বলেও জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

তিনি বলেন, অঙ্গরাজ্যগুলোতে ঘাটতি পূরণে সহায়তা করতে প্রচুর সেনা সদস্য মোতায়েন করা হবে। হাজার হাজার সেনা সদস্য, হাজার হাজার চিকিৎসাকর্মী, পেশাদার নার্স ও চিকিৎসক নিয়োগ দেয়া হবে।

অঙ্গরাজ্যগুলোতে করোনাভাইরাসের অনেক সঙ্কটজনক রোগীকে বাঁচানোর জন্য ভেন্টিলেটরের প্রয়োজন হলেও কেন্দ্রীয় সরকার তা সরবরাহে যথেষ্ট ভূমিকা পালন করছে না, এমন সমালোচনাকেও উড়িয়ে দেন তিনি।

কয়েকটি অঙ্গরাজ্যের গভর্নর তাদের প্রয়োজনের চেয়েও বেশি ভেন্টিলেটর মেশিন চেয়ে পাঠাচ্ছে আর তাতেই এমন কথা উঠছে বলে পাল্টা অভিযোগ করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

ট্রাম্প বলেন, সঙ্কট দেখা দিতে পারে এমন শঙ্কায় অনেকে বেশি পাঠানোর অনুরোধ জানাচ্ছে।

‘আমাদের সামনে এমন সময় আসছে যা খুব ভয়ঙ্কর হতে পারে। যুদ্ধ চলাকালে, দুটি বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে অথবা অন্য কয়েকটি ঘটনায় সম্ভবত এ ধরনের সংখ্যা (মৃত্যুর) দেখলেও আর কখনো আমরা সম্ভবত এমনটি দেখিনি।’

চীনের একটি শহর থেকে উৎপত্তি হয়ে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া ভাইরাসটিতে মৃত্যুর সংখ্যায় এখন পুরো চীনকে ছাড়িয়ে গেছে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্য।