ঢাকা ০১:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

টেইলরের ফিফটি

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

টপঅর্ডারের ব্যাটসম্যানরা এসেছেন আর গেছেন। তবে থেকে গেছেন ব্রেন্ডন টেইলর। বিপর্যয়ের মধ্যেও বুক চিতিয়ে লড়ছেন তিনি। ইতিমধ্যে ফিফটি তুলে নিয়েছেন এ অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান। ১০৭ বলে ৪ চারে পঞ্চাশ স্পর্শ করেন ডানহাতি ব্যাটার। এটি তার নবম টেস্ট ফিফটি।

শেষ খবর পর্যন্ত দ্বিতীয় সেশন শেষে ৫ উইকেটে ১৯৫ রান করেছে জিম্বাবুয়ে। ৫৯ রান নিয়ে ক্রিজে আছেন ব্রেন্ডন টেইলর। তাকে যোগ্য সহযোদ্ধার সমর্থন দিচ্ছেন পিটার মুর। তিনিও ফিফটির পথে আছেন। তার সংগ্রহ ৪৪। ষষ্ঠ উইকেটে ইতিমধ্যে ৬৪ রানের জুটি গড়ে প্রতিরোধের আভাস দিচ্ছেন তারা।

আগের দিনের ১ উইকেটে ২৫ রান নিয়ে তৃতীয় দিন খেলতে নামে জিম্বাবুয়ে। ব্রায়ান চারি ১০ এবং নাইটওয়াচম্যান ডোনাল্ড তিরিপানো শূন্য রান নিয়ে খেলা শুরু করেন। রান তোলাই ছিল তাদের লক্ষ্য।

অন্যদিকে প্রতিপক্ষকে দ্রুত গুঁড়িয়ে দেয়ার প্রত্যয় নিয়ে ফিল্ডিংয়ে নামে বাংলাদেশ। শুরু থেকে চেষ্টা করেন বোলাররা। তবে সাফল্য আসছিল না। অবশেষে তাদের প্রচেষ্টা আলোর মুখ দেখে। তাইজুলের স্পিনে ঘায়েল হয়ে মেহেদী হাসান মিরাজকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিরিপানো।

নাইটওয়াচম্যান দ্রুত ফিরলেও থেকে যান ব্রায়ান চারি। শুরুটা ধীরস্থির করলেও সময় গড়ানোর সঙ্গে হাত খোলেন তিনি। এক পর্যায়ে রীতিমতো বাংলাদেশ বোলারদের ওপর তাণ্ডব চালান। ছোটান স্ট্রোকের ফুলঝুরি। ফিফটি (৫৩) তুলে চোখ রাঙাতে থাকেন। দারুণ এক ডেলিভেরিতে তার চোখ রাঙানি থামান মিরাজ। মুমিনুল হকের তালুবন্দি করে জিম্বাবুয়ে ওপেনারকে ফেরান এ অফস্পিনার।

অবশ্য মিরাজের আবেদনে প্রথমে সাড়া দেননি আম্পায়ার। পরে রিভিউ নেয় বাংলাদেশ। তাতে তার আবেদন পজিটিভ প্রমাণিত হলে সিদ্ধান্ত পাল্টাতে বাধ্য হন আম্পায়ার। এতে পথ হারায় রোডেশিয়ানরা।

পরে ক্রিজে আসেন ইনফর্ম শন উইলিয়ামস। তবে ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেননি তিনি। তাকে সেট হতে দেননি তাইজুল। দুর্দান্ত স্পিনে ফর্মের তুঙ্গে থাকা ব্যাটসম্যানকে বোল্ড করে ফেরান তিনি। খানিক বাদেই মায়াবি এ স্পিনারের শিকার হয়ে ফেরেন সিকান্দার রাজা। তিনিও সাজঘরের পথ ধরেন সোজা বোল্ড হয়ে। ফলে কোণঠাসা হয়ে পড়ে জিম্বাবুয়ে।

এর আগে দ্বিতীয় দিন শেষ বিকালে বাংলাদেশের দেয়া ৫২২ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই উইকেট হারায় সফরকারীরা। দলীয় ২০ রানে তাইজুলের বলে মেহেদী হাসান মিরাজকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন হ্যামিল্টন মাসাকাদজা।

প্রথম ইনিংসে মুশফিকুর রহিমের রেকর্ড ডাবল সেঞ্চুরি (২১৯), মুমিনুল হকের সেঞ্চুরি (১৬১) এবং মেহেদী হাসান মিরাজের ফিফটিতে (৬৮) রানের পাহাড় গড়ে বাংলাদেশ। ৭ উইকেটে ৫২২ রানে ইনিংস ঘোষণা করেন স্বাগতিক অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। জিম্বাবুয়ের হয়ে ৫ উইকেট নেন কাইল জার্ভিস।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যামিলি কার্ডে অনিয়ম করলে ব্যবস্থা নেবেন ডিএনসিসি প্রশাসক

টেইলরের ফিফটি

আপডেট সময় ০৩:৪৯:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৮

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

টপঅর্ডারের ব্যাটসম্যানরা এসেছেন আর গেছেন। তবে থেকে গেছেন ব্রেন্ডন টেইলর। বিপর্যয়ের মধ্যেও বুক চিতিয়ে লড়ছেন তিনি। ইতিমধ্যে ফিফটি তুলে নিয়েছেন এ অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান। ১০৭ বলে ৪ চারে পঞ্চাশ স্পর্শ করেন ডানহাতি ব্যাটার। এটি তার নবম টেস্ট ফিফটি।

শেষ খবর পর্যন্ত দ্বিতীয় সেশন শেষে ৫ উইকেটে ১৯৫ রান করেছে জিম্বাবুয়ে। ৫৯ রান নিয়ে ক্রিজে আছেন ব্রেন্ডন টেইলর। তাকে যোগ্য সহযোদ্ধার সমর্থন দিচ্ছেন পিটার মুর। তিনিও ফিফটির পথে আছেন। তার সংগ্রহ ৪৪। ষষ্ঠ উইকেটে ইতিমধ্যে ৬৪ রানের জুটি গড়ে প্রতিরোধের আভাস দিচ্ছেন তারা।

আগের দিনের ১ উইকেটে ২৫ রান নিয়ে তৃতীয় দিন খেলতে নামে জিম্বাবুয়ে। ব্রায়ান চারি ১০ এবং নাইটওয়াচম্যান ডোনাল্ড তিরিপানো শূন্য রান নিয়ে খেলা শুরু করেন। রান তোলাই ছিল তাদের লক্ষ্য।

অন্যদিকে প্রতিপক্ষকে দ্রুত গুঁড়িয়ে দেয়ার প্রত্যয় নিয়ে ফিল্ডিংয়ে নামে বাংলাদেশ। শুরু থেকে চেষ্টা করেন বোলাররা। তবে সাফল্য আসছিল না। অবশেষে তাদের প্রচেষ্টা আলোর মুখ দেখে। তাইজুলের স্পিনে ঘায়েল হয়ে মেহেদী হাসান মিরাজকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিরিপানো।

নাইটওয়াচম্যান দ্রুত ফিরলেও থেকে যান ব্রায়ান চারি। শুরুটা ধীরস্থির করলেও সময় গড়ানোর সঙ্গে হাত খোলেন তিনি। এক পর্যায়ে রীতিমতো বাংলাদেশ বোলারদের ওপর তাণ্ডব চালান। ছোটান স্ট্রোকের ফুলঝুরি। ফিফটি (৫৩) তুলে চোখ রাঙাতে থাকেন। দারুণ এক ডেলিভেরিতে তার চোখ রাঙানি থামান মিরাজ। মুমিনুল হকের তালুবন্দি করে জিম্বাবুয়ে ওপেনারকে ফেরান এ অফস্পিনার।

অবশ্য মিরাজের আবেদনে প্রথমে সাড়া দেননি আম্পায়ার। পরে রিভিউ নেয় বাংলাদেশ। তাতে তার আবেদন পজিটিভ প্রমাণিত হলে সিদ্ধান্ত পাল্টাতে বাধ্য হন আম্পায়ার। এতে পথ হারায় রোডেশিয়ানরা।

পরে ক্রিজে আসেন ইনফর্ম শন উইলিয়ামস। তবে ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেননি তিনি। তাকে সেট হতে দেননি তাইজুল। দুর্দান্ত স্পিনে ফর্মের তুঙ্গে থাকা ব্যাটসম্যানকে বোল্ড করে ফেরান তিনি। খানিক বাদেই মায়াবি এ স্পিনারের শিকার হয়ে ফেরেন সিকান্দার রাজা। তিনিও সাজঘরের পথ ধরেন সোজা বোল্ড হয়ে। ফলে কোণঠাসা হয়ে পড়ে জিম্বাবুয়ে।

এর আগে দ্বিতীয় দিন শেষ বিকালে বাংলাদেশের দেয়া ৫২২ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই উইকেট হারায় সফরকারীরা। দলীয় ২০ রানে তাইজুলের বলে মেহেদী হাসান মিরাজকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন হ্যামিল্টন মাসাকাদজা।

প্রথম ইনিংসে মুশফিকুর রহিমের রেকর্ড ডাবল সেঞ্চুরি (২১৯), মুমিনুল হকের সেঞ্চুরি (১৬১) এবং মেহেদী হাসান মিরাজের ফিফটিতে (৬৮) রানের পাহাড় গড়ে বাংলাদেশ। ৭ উইকেটে ৫২২ রানে ইনিংস ঘোষণা করেন স্বাগতিক অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। জিম্বাবুয়ের হয়ে ৫ উইকেট নেন কাইল জার্ভিস।