ঢাকা ০৮:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

জাতীয় লিগে ঢাকার হয়ে ১১ বোলারের বল, ইরফানের সেঞ্চুরি

জাতীয় ক্রিকেট লিগের ম্যাচে সিলেটে ঢাকা ও সিলেটের লড়াইয়ে দেখা গেল বিরল এক দৃশ্য। ম্যাচের চতুর্থ ইনিংসে বোলিং করতে গিয়ে ঢাকা বিভাগের ১১ খেলোয়াড়ই বল করেছেন। এমনকি নিয়মিত উইকেটকিপার ও অধিনায়ক মাহিদুল ইসলামও এক ওভার বোলিং করেছেন, যা তার ২৬৩টি স্বীকৃত ম্যাচের ক্যারিয়ারে প্রথম। এর আগে ঘরোয়া প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে মাত্র সাতবার এক ইনিংসে ১১ জন বোলারের বল করার নজির রয়েছে, যার মধ্যে ঢাকা বিভাগ তিনবার এ কাণ্ড ঘটিয়েছে। এদিকে ম্যাচটি ড্রয়ের পথে রয়েছে; ঢাকা ৫৪৭ রানে ইনিংস ঘোষণার পর তৃতীয় দিন শেষে সিলেট ৫ উইকেটে ৪৩১ রান তুলেছে। সিলেটের হয়ে আসাদুল্লাহ আল গালিব সর্বোচ্চ ৮৯, আশরাফুল হাসান অপরাজিত ৮১, জাকির হাসান ৬৫ ও সৈকত আলী ৬০ রান করেছেন। আগামীকাল শেষ দিনে নাটকীয় কিছু না ঘটলে ড্র-ই হতে যাচ্ছে সিলেট ও ঢাকা বিভাগের ম্যাচ। ২ উইকেটে ১৫৪ রান নিয়ে দিন শুরু করা সিলেট তৃতীয় দিনটা শেষ করেছে ৫ উইকেটে ৪৩১ রান তুলে।

মিরপুরে খুলনা বিভাগের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ১১৯ রানে অলআউট হওয়ার পর রাজশাহী বিভাগ দ্বিতীয় ইনিংসে ৩ উইকেটে ৩০০ রান তুলে দিন শেষ করেছে। তবে দলটি এখনো প্রথম ইনিংসের তুলনায় ৬৫ রানে পিছিয়ে আছে। খুলনার প্রথম ইনিংস ৪৬৩ রান থেকে বেড়ে ৪৮৪ রানে থামে। রাজশাহীর দ্বিতীয় ইনিংসে হাবিবুর রহমান (৯০) ও সাব্বির হোসেন (৮৮) দুর্দান্ত সূচনা করেছিলেন, তারা উদ্বোধনী জুটিতে ১২৬ রান তোলেন। হাবিবুর প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরির খুব কাছে গিয়ে সামিউন বাসীরের বলে আফিফের ক্যাচ হন। এছাড়া নাঈম আহমেদ ৬৯ রান করে আউট হন। দিনের খেলা শেষে প্রিতম কুমার ২৭ ও সাব্বির রহমান ২১ রানে অপরাজিত আছেন। ৯ উইকেটে ৪৬৩ রান নিয়ে দিন শুরু করা খুলনার প্রথম ইনিংস শেষ হয় ৪৮৪ রানে। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে নিজের প্রথম সেঞ্চুরি থেকে ১০ রান দূরে দাঁড়িয়ে সামিউন বাসীরের বলে লং অফে আফিফের ক্যাচ হন হাবিবুর। ৮৩ বলে ৯০ রান করার পথে ৬টি চারের সঙ্গে ৮টি ছক্কা মারেন এই বিস্ফোরক ব্যাটসম্যান। আরেক ওপেনার সাব্বির হোসেনও সেঞ্চুরি হারিয়েছেন। নাঈম আহমেদের সঙ্গে ১১৩ রানের জুটি গড়ার পড় ম্যাচে মেহেদী হাসানের সপ্তম শিকার হন ৮৮ রান করে। ২১ বছর বয়সী নাঈম ফিরেছেন ৬৯ রান করে।

কক্সবাজারে ইনিংস হারের শঙ্কায় পড়েছে বরিশাল। চট্টগ্রামের ৫৭৬ রানের জবাবে বরিশাল দ্বিতীয় ইনিংসে ৪ উইকেটে ১৪৯ রান তুলেছে এবং এখনো তারা ১৪৫ রানে পিছিয়ে আছে। বরিশালের অধিনায়ক ইফতেখার হোসেন সর্বোচ্চ ৭৪ রান করেছেন। এর আগে চট্টগ্রাম ৪ উইকেটে ৪৭৯ রান নিয়ে দিন শুরু করে ৫৭৬ রানে অলআউট হয়। সাদিকুর রহমান (১৪৯) ও শাহাদাত হোসেনের (১০৯) পর ইরফান শুক্কুর ১১২ রানের ইনিংস খেলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেছেন।

সিলেট একাডেমি মাঠে রংপুরের বিপক্ষে ময়মনসিংহ দ্বিতীয় ইনিংসে ৬ উইকেটে ১৯৫ রান তুলেছে। প্রথম ইনিংসে ১২৭ রানের লিড পাওয়া রংপুর সব মিলিয়ে এখন ৩২২ রানে এগিয়ে আছে। ময়মনসিংহ প্রথম ইনিংসে ২৯৫ রানে অলআউট হয়, যেখানে খালিদ হাসান ৭২ ও আবু হায়দার ৫২ রান করেন। রংপুরের দ্বিতীয় ইনিংসে অধিনায়ক আকবর আলী ৭৪ রান করেছেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় লিগে ঢাকার হয়ে ১১ বোলারের বল, ইরফানের সেঞ্চুরি

আপডেট সময় ০৭:৪৭:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় ক্রিকেট লিগের ম্যাচে সিলেটে ঢাকা ও সিলেটের লড়াইয়ে দেখা গেল বিরল এক দৃশ্য। ম্যাচের চতুর্থ ইনিংসে বোলিং করতে গিয়ে ঢাকা বিভাগের ১১ খেলোয়াড়ই বল করেছেন। এমনকি নিয়মিত উইকেটকিপার ও অধিনায়ক মাহিদুল ইসলামও এক ওভার বোলিং করেছেন, যা তার ২৬৩টি স্বীকৃত ম্যাচের ক্যারিয়ারে প্রথম। এর আগে ঘরোয়া প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে মাত্র সাতবার এক ইনিংসে ১১ জন বোলারের বল করার নজির রয়েছে, যার মধ্যে ঢাকা বিভাগ তিনবার এ কাণ্ড ঘটিয়েছে। এদিকে ম্যাচটি ড্রয়ের পথে রয়েছে; ঢাকা ৫৪৭ রানে ইনিংস ঘোষণার পর তৃতীয় দিন শেষে সিলেট ৫ উইকেটে ৪৩১ রান তুলেছে। সিলেটের হয়ে আসাদুল্লাহ আল গালিব সর্বোচ্চ ৮৯, আশরাফুল হাসান অপরাজিত ৮১, জাকির হাসান ৬৫ ও সৈকত আলী ৬০ রান করেছেন। আগামীকাল শেষ দিনে নাটকীয় কিছু না ঘটলে ড্র-ই হতে যাচ্ছে সিলেট ও ঢাকা বিভাগের ম্যাচ। ২ উইকেটে ১৫৪ রান নিয়ে দিন শুরু করা সিলেট তৃতীয় দিনটা শেষ করেছে ৫ উইকেটে ৪৩১ রান তুলে।

মিরপুরে খুলনা বিভাগের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ১১৯ রানে অলআউট হওয়ার পর রাজশাহী বিভাগ দ্বিতীয় ইনিংসে ৩ উইকেটে ৩০০ রান তুলে দিন শেষ করেছে। তবে দলটি এখনো প্রথম ইনিংসের তুলনায় ৬৫ রানে পিছিয়ে আছে। খুলনার প্রথম ইনিংস ৪৬৩ রান থেকে বেড়ে ৪৮৪ রানে থামে। রাজশাহীর দ্বিতীয় ইনিংসে হাবিবুর রহমান (৯০) ও সাব্বির হোসেন (৮৮) দুর্দান্ত সূচনা করেছিলেন, তারা উদ্বোধনী জুটিতে ১২৬ রান তোলেন। হাবিবুর প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরির খুব কাছে গিয়ে সামিউন বাসীরের বলে আফিফের ক্যাচ হন। এছাড়া নাঈম আহমেদ ৬৯ রান করে আউট হন। দিনের খেলা শেষে প্রিতম কুমার ২৭ ও সাব্বির রহমান ২১ রানে অপরাজিত আছেন। ৯ উইকেটে ৪৬৩ রান নিয়ে দিন শুরু করা খুলনার প্রথম ইনিংস শেষ হয় ৪৮৪ রানে। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে নিজের প্রথম সেঞ্চুরি থেকে ১০ রান দূরে দাঁড়িয়ে সামিউন বাসীরের বলে লং অফে আফিফের ক্যাচ হন হাবিবুর। ৮৩ বলে ৯০ রান করার পথে ৬টি চারের সঙ্গে ৮টি ছক্কা মারেন এই বিস্ফোরক ব্যাটসম্যান। আরেক ওপেনার সাব্বির হোসেনও সেঞ্চুরি হারিয়েছেন। নাঈম আহমেদের সঙ্গে ১১৩ রানের জুটি গড়ার পড় ম্যাচে মেহেদী হাসানের সপ্তম শিকার হন ৮৮ রান করে। ২১ বছর বয়সী নাঈম ফিরেছেন ৬৯ রান করে।

কক্সবাজারে ইনিংস হারের শঙ্কায় পড়েছে বরিশাল। চট্টগ্রামের ৫৭৬ রানের জবাবে বরিশাল দ্বিতীয় ইনিংসে ৪ উইকেটে ১৪৯ রান তুলেছে এবং এখনো তারা ১৪৫ রানে পিছিয়ে আছে। বরিশালের অধিনায়ক ইফতেখার হোসেন সর্বোচ্চ ৭৪ রান করেছেন। এর আগে চট্টগ্রাম ৪ উইকেটে ৪৭৯ রান নিয়ে দিন শুরু করে ৫৭৬ রানে অলআউট হয়। সাদিকুর রহমান (১৪৯) ও শাহাদাত হোসেনের (১০৯) পর ইরফান শুক্কুর ১১২ রানের ইনিংস খেলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেছেন।

সিলেট একাডেমি মাঠে রংপুরের বিপক্ষে ময়মনসিংহ দ্বিতীয় ইনিংসে ৬ উইকেটে ১৯৫ রান তুলেছে। প্রথম ইনিংসে ১২৭ রানের লিড পাওয়া রংপুর সব মিলিয়ে এখন ৩২২ রানে এগিয়ে আছে। ময়মনসিংহ প্রথম ইনিংসে ২৯৫ রানে অলআউট হয়, যেখানে খালিদ হাসান ৭২ ও আবু হায়দার ৫২ রান করেন। রংপুরের দ্বিতীয় ইনিংসে অধিনায়ক আকবর আলী ৭৪ রান করেছেন।