ঢাকা ০৮:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

ইন্টারনেটে ব্যালেন্স কাটা সবচেয়ে বড় জোচ্চুরি

অাকাশ আইসিটি ডেস্ক: 

বাংলাদেশের টেলিকম অপারেটরদের বড় একটা জোচ্চুরির জায়গা হলো ইন্টারনেট ব্যালেন্স শেষ হওয়ার পর অটো রিনিউ না করে অস্বাভাবিক রেটে মোবাইলের ব্যালেন্স থেকে ক্রেডিট কেটে নেয়া। এই জোচ্চুরির ফাঁদে পড়ে বিগত এক বছরে গ্রামীণফোনকে আমি কত টাকা অতিরিক্ত দিয়েছি, আল্লাহই জানে। এই ফাঁদ থেকে বের হতে রবির একটা সিম নিয়েছি, সেখানেও খুব সুক্ষ্ম কিছু ছলনা রয়েছে, যেগুলোও সমস্যাপূর্ণ মনে হচ্ছে।

মূল সমস্যা হলো, টেলিকম অপারেটররা ইন্টেরনেট ব্যালেন্স শেষ হওয়ার পর লাইনটিকে বন্ধ না করে অস্বাভাবিক মূল্যে ব্যালেন্স (প্যাকেজ বহির্ভূত) থেকে মেগাবাইট প্রতি রেটে টাকা কাটতে থাকে, যেটি অনেক সময়ে খেয়াল করা যায় না।

মনে করেন, আপনি ফোন থেকে ওয়াই ফাই হট স্পট চালাচ্ছেন। ইন্টারনেটের ব্যালেন্স শেষ হয়ে যাওয়ার পরে মোবাইলের ম্যাসেজে যে নটিফিকেশন আসে সেটি অনেক সময় দেখা হয় না বা কিছু ডাউনলোড দিয়ে দূরে চলে গেছেন। কিন্তু এসে দেখলেন ডাউনলোড হতে গিয়ে ইন্টারনেট ব্যালান্স শেষ হওয়ার পরও আপনার ক্রেডিট থেকে ২ হাজার টাকা কেটে নিয়েছে।

আমি অত্যন্ত ভুলোমনা মানুষ এবং একটা টেকনিক্যাল কারণে পোস্ট পেইডের বিল আমার কাছে আসে না। ফলে এই ব্যালেন্স শেষ হয়ে যাওয়ার পর, গ্রামীণ আমার পোস্ট পেইড প্যাকেজ থেকে গত দুই বছরে বিশাল অঙ্কের টাকা কেটে নিয়েছে। আমি বুঝতেই পারিনি। কারণ বিলের কাগজটি আমার হাতে আসতো না।

কয়েক মাস আগে এটি নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়ার পরে, সেই স্ট্যাটাসটি অনেক শেয়ার হয়। তারপর গ্রামীণের কাস্টমার সার্ভিস থেকে আমার সাথে যোগাযোগ করা হয়। তারা জানায় যে তারা এই পলিসিটা রিভিউ করছে। এবং তার কিছু দিন পরে তারা জানায়,আগামীতে তারা আনলিমিটেড কাটবে না, একটি নির্দিষ্ট টাকা পর্যন্ত কাটবে। কিন্ত আমার ধারনা এটি ঠিকমত কার্যকর হয়নি। কারণ তারপরেও গ্রামীণফোন ইন্টারনেটে সামান্য ভুল করলেও এমবির জন্য অনেক টাকা কেটে নিচ্ছে।

আমি এই সময়ে, গ্রামীণ ছেড়ে শুধু মাত্র ইন্টারনেটের জন্যে রবি সিম ব্যবহার করি। রবির খুব ভালো একটা প্যাকেজ আছে, ৩০ টাকায় ৫০০ এমবি একদিন। এটি অনেক ভেতরে, সহজে মানুষ দেখে না। ব্যয়বহুল প্যাকেজগুলো সামনে আসে শুধু।

এটি ঠিক তারা ৮০% এবং শেষ হওয়ার পর নোটিফিকেশন পাঠায় কিন্তু, অনেক সময়ে আমি সেলফোন দিয়ে হটস্পট নেট করে পিসিতে ইন্টেরনেট ব্যবহার করি। ফলে ম্যাসেজ সব সময়ে দেখা যায় না।আমার কথা হলো, ইন্টারনেট শেষ, কানেকশান কেটে দিবে। অনুমতি ছাড়া ক্রেডিট কাটবে কেন ?

যদি অনুমতি ছাড়া ক্রেডিট কাটার অপশনে কাস্টমারের ডিমান্ড চায় তবে সেটার অপশানটাতো দিতে হবে। যার যেটা লাগে, সে সেই অপশন ব্যবহার করবে।

অটো রিনিউ করবে কিনা, এমন একটা অপশন আছে, কিন্ত এটা রবি, গ্রামীণ কোনটাতেই কাজ করে না। অতিরিক্ত হারে এমবি রেটে কাটতে থাকে। এই অটো রিনিউ দেয়ার কী মানে? এই অপশনটা দুই নেটওয়ার্কেই প্রতারণার কাজে ব্যবহার হচ্ছে। এতো মহব্বতের দরকার নাই। ব্ল্যালেন্স শেষ লাইন কেটে দাও। লাগলে আবার নিবো।

এই বিষয়ে ভোক্তা অভিযোগ কেন্দ্রে কেউ অভিযোগ করতে পারেন, আমার সময় থাকলে আমি করতাম কিন্ত সেই সুযোগ নেই।

কোনোআইনজীবী রিটের কথাও ভাবতে পারেন। জাস্ট লুজ একটা নিয়ম করে, ভোক্তাদেরকে কোন অপশন না দিয়ে প্যাচে ফেলে কোটি কোটি টাকা মেরে নেয়া হচ্ছে। এবং ভোক্তারা প্রতারণার শিকার হচ্ছে। এটা বন্ধ হওয়া দরকার।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নানা পাটেকরের মৃত্যু: তনুশ্রীর ‘শয়তানের মৃত্যু’ মন্তব্যে পুরোনো বিতর্ক

ইন্টারনেটে ব্যালেন্স কাটা সবচেয়ে বড় জোচ্চুরি

আপডেট সময় ০৯:৫০:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ আইসিটি ডেস্ক: 

বাংলাদেশের টেলিকম অপারেটরদের বড় একটা জোচ্চুরির জায়গা হলো ইন্টারনেট ব্যালেন্স শেষ হওয়ার পর অটো রিনিউ না করে অস্বাভাবিক রেটে মোবাইলের ব্যালেন্স থেকে ক্রেডিট কেটে নেয়া। এই জোচ্চুরির ফাঁদে পড়ে বিগত এক বছরে গ্রামীণফোনকে আমি কত টাকা অতিরিক্ত দিয়েছি, আল্লাহই জানে। এই ফাঁদ থেকে বের হতে রবির একটা সিম নিয়েছি, সেখানেও খুব সুক্ষ্ম কিছু ছলনা রয়েছে, যেগুলোও সমস্যাপূর্ণ মনে হচ্ছে।

মূল সমস্যা হলো, টেলিকম অপারেটররা ইন্টেরনেট ব্যালেন্স শেষ হওয়ার পর লাইনটিকে বন্ধ না করে অস্বাভাবিক মূল্যে ব্যালেন্স (প্যাকেজ বহির্ভূত) থেকে মেগাবাইট প্রতি রেটে টাকা কাটতে থাকে, যেটি অনেক সময়ে খেয়াল করা যায় না।

মনে করেন, আপনি ফোন থেকে ওয়াই ফাই হট স্পট চালাচ্ছেন। ইন্টারনেটের ব্যালেন্স শেষ হয়ে যাওয়ার পরে মোবাইলের ম্যাসেজে যে নটিফিকেশন আসে সেটি অনেক সময় দেখা হয় না বা কিছু ডাউনলোড দিয়ে দূরে চলে গেছেন। কিন্তু এসে দেখলেন ডাউনলোড হতে গিয়ে ইন্টারনেট ব্যালান্স শেষ হওয়ার পরও আপনার ক্রেডিট থেকে ২ হাজার টাকা কেটে নিয়েছে।

আমি অত্যন্ত ভুলোমনা মানুষ এবং একটা টেকনিক্যাল কারণে পোস্ট পেইডের বিল আমার কাছে আসে না। ফলে এই ব্যালেন্স শেষ হয়ে যাওয়ার পর, গ্রামীণ আমার পোস্ট পেইড প্যাকেজ থেকে গত দুই বছরে বিশাল অঙ্কের টাকা কেটে নিয়েছে। আমি বুঝতেই পারিনি। কারণ বিলের কাগজটি আমার হাতে আসতো না।

কয়েক মাস আগে এটি নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়ার পরে, সেই স্ট্যাটাসটি অনেক শেয়ার হয়। তারপর গ্রামীণের কাস্টমার সার্ভিস থেকে আমার সাথে যোগাযোগ করা হয়। তারা জানায় যে তারা এই পলিসিটা রিভিউ করছে। এবং তার কিছু দিন পরে তারা জানায়,আগামীতে তারা আনলিমিটেড কাটবে না, একটি নির্দিষ্ট টাকা পর্যন্ত কাটবে। কিন্ত আমার ধারনা এটি ঠিকমত কার্যকর হয়নি। কারণ তারপরেও গ্রামীণফোন ইন্টারনেটে সামান্য ভুল করলেও এমবির জন্য অনেক টাকা কেটে নিচ্ছে।

আমি এই সময়ে, গ্রামীণ ছেড়ে শুধু মাত্র ইন্টারনেটের জন্যে রবি সিম ব্যবহার করি। রবির খুব ভালো একটা প্যাকেজ আছে, ৩০ টাকায় ৫০০ এমবি একদিন। এটি অনেক ভেতরে, সহজে মানুষ দেখে না। ব্যয়বহুল প্যাকেজগুলো সামনে আসে শুধু।

এটি ঠিক তারা ৮০% এবং শেষ হওয়ার পর নোটিফিকেশন পাঠায় কিন্তু, অনেক সময়ে আমি সেলফোন দিয়ে হটস্পট নেট করে পিসিতে ইন্টেরনেট ব্যবহার করি। ফলে ম্যাসেজ সব সময়ে দেখা যায় না।আমার কথা হলো, ইন্টারনেট শেষ, কানেকশান কেটে দিবে। অনুমতি ছাড়া ক্রেডিট কাটবে কেন ?

যদি অনুমতি ছাড়া ক্রেডিট কাটার অপশনে কাস্টমারের ডিমান্ড চায় তবে সেটার অপশানটাতো দিতে হবে। যার যেটা লাগে, সে সেই অপশন ব্যবহার করবে।

অটো রিনিউ করবে কিনা, এমন একটা অপশন আছে, কিন্ত এটা রবি, গ্রামীণ কোনটাতেই কাজ করে না। অতিরিক্ত হারে এমবি রেটে কাটতে থাকে। এই অটো রিনিউ দেয়ার কী মানে? এই অপশনটা দুই নেটওয়ার্কেই প্রতারণার কাজে ব্যবহার হচ্ছে। এতো মহব্বতের দরকার নাই। ব্ল্যালেন্স শেষ লাইন কেটে দাও। লাগলে আবার নিবো।

এই বিষয়ে ভোক্তা অভিযোগ কেন্দ্রে কেউ অভিযোগ করতে পারেন, আমার সময় থাকলে আমি করতাম কিন্ত সেই সুযোগ নেই।

কোনোআইনজীবী রিটের কথাও ভাবতে পারেন। জাস্ট লুজ একটা নিয়ম করে, ভোক্তাদেরকে কোন অপশন না দিয়ে প্যাচে ফেলে কোটি কোটি টাকা মেরে নেয়া হচ্ছে। এবং ভোক্তারা প্রতারণার শিকার হচ্ছে। এটা বন্ধ হওয়া দরকার।