ঢাকা ০৭:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘দুলাভাই’ ‘দুলাভাই’ ধ্বনিতে মুখরিত সিলেটের আলিয়া মাঠ ভারতে টি-২০ বিশ্বকাপ বর্জনের সিদ্ধান্ত সরকারের বিপুল ভোটে জিতে ১০ দলীয় জোট সরকার গঠন করবে : নাহিদ ইসলাম ১ ফেব্রুয়ারি থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সব টেক্সটাইল মিল বন্ধের ঘোষণা ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি থাকবে : শফিকুল আলম কারচুপির খেলা খেলার স্পর্ধা যেন কোনো রাজনৈতিক দল না দেখায়: রুমিন ফারহানার হুঁশিয়ারি সবকিছুর মালিক আল্লাহ, কেউ কেউ বেহেস্তের টিকিট’ বিক্রির মাধ্যমে ভোট চাচ্ছে : তারেক রহমান বিএনপি একটি উদারপন্থী গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল: মির্জা ফখরুল ক্ষমতায় গেলে ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে: তারেক রহমান একটা বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশের ক্রিকেট বন্ধ হবে না : আবুল কালাম

অবৈধ মোবাইল আমদানি ঠেকাতে কাজ করছে সরকার : জব্বার

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

বৈধ পথের চেয়ে অবৈধ পথেই বেশি মোবাইল আসে বাংলাদেশে। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দেশীয় মোবাইল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। এখন দেশে অবৈধভাবে আসা মোবাইল ঠেকাতে পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে সরকার।

২৩ সেপ্টেম্বর আশুলিয়ার জিরাবোতে সিম্ফনির নবনির্মিত মোবাইল ফোন কারখানার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা জানান ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

মন্ত্রী বলেন, আমরা কিছু তথ্য-উপাত্ত নিয়ে কাজ করছি; যা দিয়ে কোন মোবাইল বৈধ আর কোন মোবাইল অবৈধ তা শনাক্ত করা সম্ভব হবে। এটি যদি শনাক্ত করা সম্ভব হয়, তাহলে সরকারের জন্য এটি ইতিবাচক দিক হবে। এতে সরকার জেনে নিতে পারবে, কোনটি বৈধ বা অবৈধভাবে এসেছে। ফলে এ বিষয়ে দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও রাজস্ব বোর্ড ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে।

বাংলাদেশ বর্তমানে সম্পূর্ণভাবে একটি উৎপাদক ও রফতানিকারকের ইকোসিস্টেমের ভেতরে প্রবেশ করেছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘আমরা শুধু পণ্য উৎপাদন করব না, রফতানিও করব।’

সেই স্থানে আমরা পৌঁছে গেছি। কেউ যদি বাংলাদেশ থেকে দেশে সংযোজিত পণ্য বিদেশে রফতানি করে তাহলে তাদের জন্য ১০ শতাংশ ক্যাশ ইনসেনটিভের ব্যবস্থা আমরা করেছি। এ ক্যাশ ইনসেনটিভ কিন্তু যে কোনো প্রতিষ্ঠানের জন্য বিশাল রকমের একটি অবদান।

আন্তর্জাতিক বাজারে কেউ বাড়তি ১০ শতাংশ সুবিধা পাচ্ছে, এ সুবিধা যে কী পরিমাণ জরুরি ও সুবিধাজনক তা আমাদের যারা রয়েছেন তারা তা সুস্পষ্ট করে বলতে পারবেন।’ সিম্ফনি নিয়ে আশা প্রকাশ করেছেন মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

তিনি বলেন, ‘সামগ্রিক চিত্রটি দেখে আমি যা বুঝতে পারছি সেটি হচ্ছে, ইতিমধ্যে সিম্ফনি তার নামের জোরে বাইরে থেকে বানিয়ে এনে এ মোবাইলের বাজার ৩০ ভাগ দখল করে রাখতে পারে। আশা করছি তারা তাদের এ কারখানা দিয়ে ৭০ ভাগ বাজার দখল করতে পারবে।’

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিশাল একটি বাজার রয়েছে। অন্যরা যখন আসে তখন চিন্তা করে, বাংলাদেশে সস্তা লেবার ব্যবহার করব এবং বিদেশে এক্সপোর্ট করব। কিন্তু আমাদের দেশের হিসাবটা একটু ভিন্ন।

যেমন স্যামসাং বাংলাদেশে এসেছে তার কারণ, তারা দেশে উৎপাদন না করলে ওয়ালটন বা সিম্ফনির সঙ্গে টিকে থাকতে পারবে না। সিম্ফনি সূত্রমতে, আশুলিয়ার জিরাবোতে ৫৭ হাজার বর্গফুট জায়গাজুড়ে গড়ে তোলা হয়েছে এডিসন ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। এখানে হ্যান্ডসেট সংযোজন, গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগ, মান নিয়ন্ত্রণ বিভাগ ও টেস্টিং ল্যাব রয়েছে।

এ ছাড়া স্থাপন করা হয়েছে জাপান ও জার্মান প্রযুক্তির মেশিনারিজ। সিম্ফনির দাবি, কারখানাটিতে প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। স্মার্টফোন কারখানাটিতে প্রাথমিকভাবে বার্ষিক ৩০-৪০ লাখ ইউনিট হ্যান্ডসেট উৎপাদন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

এরই মধ্যে আটটি প্রডাকশন লাইন স্থাপন করা হয়েছে। আরও কয়েকটি প্রডাকশন লাইন করার পরিকল্পনা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কলেজশিক্ষককে গলা কেটে হত্যা, ক্ষোভে প্রতিবেশীর বাড়িতে জনতার দেওয়া আগুনে বৃদ্ধার মৃত্যু

অবৈধ মোবাইল আমদানি ঠেকাতে কাজ করছে সরকার : জব্বার

আপডেট সময় ০৩:২৬:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

বৈধ পথের চেয়ে অবৈধ পথেই বেশি মোবাইল আসে বাংলাদেশে। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দেশীয় মোবাইল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। এখন দেশে অবৈধভাবে আসা মোবাইল ঠেকাতে পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে সরকার।

২৩ সেপ্টেম্বর আশুলিয়ার জিরাবোতে সিম্ফনির নবনির্মিত মোবাইল ফোন কারখানার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা জানান ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

মন্ত্রী বলেন, আমরা কিছু তথ্য-উপাত্ত নিয়ে কাজ করছি; যা দিয়ে কোন মোবাইল বৈধ আর কোন মোবাইল অবৈধ তা শনাক্ত করা সম্ভব হবে। এটি যদি শনাক্ত করা সম্ভব হয়, তাহলে সরকারের জন্য এটি ইতিবাচক দিক হবে। এতে সরকার জেনে নিতে পারবে, কোনটি বৈধ বা অবৈধভাবে এসেছে। ফলে এ বিষয়ে দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও রাজস্ব বোর্ড ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে।

বাংলাদেশ বর্তমানে সম্পূর্ণভাবে একটি উৎপাদক ও রফতানিকারকের ইকোসিস্টেমের ভেতরে প্রবেশ করেছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘আমরা শুধু পণ্য উৎপাদন করব না, রফতানিও করব।’

সেই স্থানে আমরা পৌঁছে গেছি। কেউ যদি বাংলাদেশ থেকে দেশে সংযোজিত পণ্য বিদেশে রফতানি করে তাহলে তাদের জন্য ১০ শতাংশ ক্যাশ ইনসেনটিভের ব্যবস্থা আমরা করেছি। এ ক্যাশ ইনসেনটিভ কিন্তু যে কোনো প্রতিষ্ঠানের জন্য বিশাল রকমের একটি অবদান।

আন্তর্জাতিক বাজারে কেউ বাড়তি ১০ শতাংশ সুবিধা পাচ্ছে, এ সুবিধা যে কী পরিমাণ জরুরি ও সুবিধাজনক তা আমাদের যারা রয়েছেন তারা তা সুস্পষ্ট করে বলতে পারবেন।’ সিম্ফনি নিয়ে আশা প্রকাশ করেছেন মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

তিনি বলেন, ‘সামগ্রিক চিত্রটি দেখে আমি যা বুঝতে পারছি সেটি হচ্ছে, ইতিমধ্যে সিম্ফনি তার নামের জোরে বাইরে থেকে বানিয়ে এনে এ মোবাইলের বাজার ৩০ ভাগ দখল করে রাখতে পারে। আশা করছি তারা তাদের এ কারখানা দিয়ে ৭০ ভাগ বাজার দখল করতে পারবে।’

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিশাল একটি বাজার রয়েছে। অন্যরা যখন আসে তখন চিন্তা করে, বাংলাদেশে সস্তা লেবার ব্যবহার করব এবং বিদেশে এক্সপোর্ট করব। কিন্তু আমাদের দেশের হিসাবটা একটু ভিন্ন।

যেমন স্যামসাং বাংলাদেশে এসেছে তার কারণ, তারা দেশে উৎপাদন না করলে ওয়ালটন বা সিম্ফনির সঙ্গে টিকে থাকতে পারবে না। সিম্ফনি সূত্রমতে, আশুলিয়ার জিরাবোতে ৫৭ হাজার বর্গফুট জায়গাজুড়ে গড়ে তোলা হয়েছে এডিসন ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। এখানে হ্যান্ডসেট সংযোজন, গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগ, মান নিয়ন্ত্রণ বিভাগ ও টেস্টিং ল্যাব রয়েছে।

এ ছাড়া স্থাপন করা হয়েছে জাপান ও জার্মান প্রযুক্তির মেশিনারিজ। সিম্ফনির দাবি, কারখানাটিতে প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। স্মার্টফোন কারখানাটিতে প্রাথমিকভাবে বার্ষিক ৩০-৪০ লাখ ইউনিট হ্যান্ডসেট উৎপাদন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

এরই মধ্যে আটটি প্রডাকশন লাইন স্থাপন করা হয়েছে। আরও কয়েকটি প্রডাকশন লাইন করার পরিকল্পনা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।