ঢাকা ০৭:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার ৬ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পে কাঁপল পাকিস্তান, একজনের মৃত্যু ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে: জোনায়েদ সাকি এক্সপ্রেসওয়েতে চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সে আগুন, প্রাণে রক্ষা পেলেন রোগীসহ চারজন ক্ষমতা হস্তান্তর ও গণভোট নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর প্রচেষ্টা অভিযোগ প্রেস সচিবের ‘ক্ষমতায় গেলে গণঅভ্যুত্থানে হতাহতদের পরিবারকে পুনর্বাসন করবে বিএনপি’:রিজভী রাজনৈতিক দলের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে : ইসি আনোয়ারুল বিসমিল্লাহ সারা জীবন থাকবে, সব সময়ই থাকবে: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ইসি যোগ্যতার সঙ্গেই নির্বাচন পরিচালনা করতে সক্ষম হবে: মির্জা ফখরুল বাড্ডায় অটোরিকশা চালকদের সড়ক অবরোধে চরম ভোগান্তি

যেসব বিষয় মেনে চললে অটুট থাকবে সম্পর্ক

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

সম্পর্ক করতে সময় লাগলেও সম্পর্ক ভাঙতে কিন্তু সময় লাগে না। আপনার তিল তিল করে গড়ে ওঠা সম্পর্ক ভেঙে যেতে পারে এক নিমেষেই। তাই যে কোনো সম্পর্কের প্রতি যত্নশীল হওয়া প্রয়োজন।

মাঝে মাঝে দুজনের ঝামেলা বা মনোমালিন্য এমন একটি জায়গায় পৌঁছায় যেখানে স্রেফ কথা বলেই বিষয়টা মেটে না। অবস্থা আরও জটিল হতে পারে যদি কেউ মনে করেন দুজনের মাঝে নিজস্বতা হারাচ্ছেন তিনি। তাই সতর্ক থাকুন।

একটি সম্পর্কে দুটি মানুষ তাদের জীবন এবং সময় ভাগ করে নিয়েছেন, কিন্তু তাই বলে কি ব্যক্তিগত স্থানও? প্রতিটি সম্পর্কে নিজস্ব জায়গা থাকা ভীষণ প্রয়োজন, আরও প্রয়োজন সেই জায়গা ধরে রাখা।

আসুন জেনে নেই যে তিনটি বিষয় মেনে চললে টিকে থাকবে সম্পর্ক।

ইতিবাচক ভঙ্গি :

আপনার সঙ্গীর সঙ্গে সব সময় ইতিবাচক ভঙ্গিতে কথা বলুন ও আচরণ করুন। একসঙ্গে সময় কাটানোর পাশাপাশি আপনার নিজের কাজ করার জন্য বা নিজেকে দেয়ার জন্য সময় বের করা খুবই আবশ্যক। দুজনের সম্পর্কে থেকেও আলাদা করে নিজের জীবন এবং নিজস্ব পরিচয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা খুবই দরকারি।

জীবনসঙ্গী :

অনেক সময়, মানুষ মনে করে যে তাদের জীবনসঙ্গী তাদের নিজস্ব স্থান সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করছেন মানেই তারা ভালো নেই, বা সম্পর্ক ভাঙনের মুখে। এটা একেবারেই ভুল। নিজস্ব স্থান চাওয়া বা জিজ্ঞাসা করা সেই মানুষটির অনেক অন্য প্রয়োজনের মতোই একটি। উভয়ই মানুষকে তাদের সীমা ও চাহিদার সুস্থ ও স্বতঃস্ফূর্ত ভারসাম্য রাখতে হবে না। তবে তাতে যেন কেউই নিরাপত্তাহীনতায় না ভোগেন।

খোলামেলা আলোচনা :

সংসারের কোনো বিষয় যদি আপনাকে চাপে ফেলে দেয় তাহলে আপনার সঙ্গীকে জানান যে আপনি একসঙ্গে কথা বলে সমাধান বের করতে চান বা মধ্যস্থতা করতে চান। নিশ্চিত করুন যে দুজনে একই জায়গায় থেকে বিষয়টি দেখছেন, কেউই কাউকে জোর করছেন না এই বিষয়ে।

যোগাযোগ :

যোগাযোগ ভালোবাসাকে মজবুত করে। যত ব্যস্ত থাকুন না কেন কাজের ফাঁকে ভালোবাসার মানুষের খোঁজখবর রাখুন। ফোন, মেইল, ফেসবুক, টুইটারে নিয়মিত যোগাযোগ অবিশ্বাস দূর করবে সেই সঙ্গে আপনার ভালোবাসার সম্পর্ককে মজবুত করে তুলবে।

গুরুত্বপূর্ণ দিন মনে রাখুন :

আপনার সঙ্গীর জন্মদিনসহ বিশেষ দিনগুলোতে শুভেচ্ছা জানান, উপহার দিন। উপহার ছোট হোক আর বড় হোক ভালোবাসা অটুট রাখতে বিশেষ দিনে উপহারের কোনো জুড়ি নেই।

নিরপেক্ষ চিন্তা: সবসময় নিরপেক্ষ চিন্তা করতে হবে। নিজের কল্পনা দিয়ে সব সময় চিন্তা করা যাবে না। কল্পনাবিলাসী না হয়ে সম্পর্কের ক্ষেত্রে আন্তরিক হতে হবে। সম্পর্কের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ চিন্তা অবিশ্বাস দূর করে ভালোবাসা মজবুত করে তুলবে।

সংশোধনের সুযোগ দিন :

ভালোবাসার মানুষ যদি অবিশ্বাসের কাজ করেই থাকে। তবে তাকে সংশোধনের সুযোগ দেয়া উচিত। সামান্য কারণে সম্পর্ক ভেঙে দেয়া উচিত না। অতীতের সব ভুলত্রুটি ভুলে নতুন করে নিজেদের মধ্যে সম্পর্ক শুরু করতে দুজনকে চেষ্টা করতে হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

যেসব বিষয় মেনে চললে অটুট থাকবে সম্পর্ক

আপডেট সময় ০৬:২৬:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

সম্পর্ক করতে সময় লাগলেও সম্পর্ক ভাঙতে কিন্তু সময় লাগে না। আপনার তিল তিল করে গড়ে ওঠা সম্পর্ক ভেঙে যেতে পারে এক নিমেষেই। তাই যে কোনো সম্পর্কের প্রতি যত্নশীল হওয়া প্রয়োজন।

মাঝে মাঝে দুজনের ঝামেলা বা মনোমালিন্য এমন একটি জায়গায় পৌঁছায় যেখানে স্রেফ কথা বলেই বিষয়টা মেটে না। অবস্থা আরও জটিল হতে পারে যদি কেউ মনে করেন দুজনের মাঝে নিজস্বতা হারাচ্ছেন তিনি। তাই সতর্ক থাকুন।

একটি সম্পর্কে দুটি মানুষ তাদের জীবন এবং সময় ভাগ করে নিয়েছেন, কিন্তু তাই বলে কি ব্যক্তিগত স্থানও? প্রতিটি সম্পর্কে নিজস্ব জায়গা থাকা ভীষণ প্রয়োজন, আরও প্রয়োজন সেই জায়গা ধরে রাখা।

আসুন জেনে নেই যে তিনটি বিষয় মেনে চললে টিকে থাকবে সম্পর্ক।

ইতিবাচক ভঙ্গি :

আপনার সঙ্গীর সঙ্গে সব সময় ইতিবাচক ভঙ্গিতে কথা বলুন ও আচরণ করুন। একসঙ্গে সময় কাটানোর পাশাপাশি আপনার নিজের কাজ করার জন্য বা নিজেকে দেয়ার জন্য সময় বের করা খুবই আবশ্যক। দুজনের সম্পর্কে থেকেও আলাদা করে নিজের জীবন এবং নিজস্ব পরিচয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা খুবই দরকারি।

জীবনসঙ্গী :

অনেক সময়, মানুষ মনে করে যে তাদের জীবনসঙ্গী তাদের নিজস্ব স্থান সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করছেন মানেই তারা ভালো নেই, বা সম্পর্ক ভাঙনের মুখে। এটা একেবারেই ভুল। নিজস্ব স্থান চাওয়া বা জিজ্ঞাসা করা সেই মানুষটির অনেক অন্য প্রয়োজনের মতোই একটি। উভয়ই মানুষকে তাদের সীমা ও চাহিদার সুস্থ ও স্বতঃস্ফূর্ত ভারসাম্য রাখতে হবে না। তবে তাতে যেন কেউই নিরাপত্তাহীনতায় না ভোগেন।

খোলামেলা আলোচনা :

সংসারের কোনো বিষয় যদি আপনাকে চাপে ফেলে দেয় তাহলে আপনার সঙ্গীকে জানান যে আপনি একসঙ্গে কথা বলে সমাধান বের করতে চান বা মধ্যস্থতা করতে চান। নিশ্চিত করুন যে দুজনে একই জায়গায় থেকে বিষয়টি দেখছেন, কেউই কাউকে জোর করছেন না এই বিষয়ে।

যোগাযোগ :

যোগাযোগ ভালোবাসাকে মজবুত করে। যত ব্যস্ত থাকুন না কেন কাজের ফাঁকে ভালোবাসার মানুষের খোঁজখবর রাখুন। ফোন, মেইল, ফেসবুক, টুইটারে নিয়মিত যোগাযোগ অবিশ্বাস দূর করবে সেই সঙ্গে আপনার ভালোবাসার সম্পর্ককে মজবুত করে তুলবে।

গুরুত্বপূর্ণ দিন মনে রাখুন :

আপনার সঙ্গীর জন্মদিনসহ বিশেষ দিনগুলোতে শুভেচ্ছা জানান, উপহার দিন। উপহার ছোট হোক আর বড় হোক ভালোবাসা অটুট রাখতে বিশেষ দিনে উপহারের কোনো জুড়ি নেই।

নিরপেক্ষ চিন্তা: সবসময় নিরপেক্ষ চিন্তা করতে হবে। নিজের কল্পনা দিয়ে সব সময় চিন্তা করা যাবে না। কল্পনাবিলাসী না হয়ে সম্পর্কের ক্ষেত্রে আন্তরিক হতে হবে। সম্পর্কের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ চিন্তা অবিশ্বাস দূর করে ভালোবাসা মজবুত করে তুলবে।

সংশোধনের সুযোগ দিন :

ভালোবাসার মানুষ যদি অবিশ্বাসের কাজ করেই থাকে। তবে তাকে সংশোধনের সুযোগ দেয়া উচিত। সামান্য কারণে সম্পর্ক ভেঙে দেয়া উচিত না। অতীতের সব ভুলত্রুটি ভুলে নতুন করে নিজেদের মধ্যে সম্পর্ক শুরু করতে দুজনকে চেষ্টা করতে হবে।