আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:
বাজে সময় পার করছেন পাকিস্তানের অন্যতম সফল অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ। সাম্প্রতিক সময়ে প্রত্যাশিত ব্যাটিং করতে পারছেন এ উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান।
ভারতের বিপক্ষে মর্যাদার লড়াইয়ের ম্যাচে মাত্র ৬ রান করে ফেরেন পাকিস্তানের এ অধিনায়ক। শুক্রবার আফগানিস্তানের বিপক্ষে হাত খুলে খেলতে পারেননি তিনি। গুলবাদিন নবির বলে বোল্ড হওয়ার আগে করেন মাত্র ৮ রান।
দলকে জয়ের পথে নিয়ে যাচ্ছেন শোয়েব মালিক। তাকে সঙ্গ দেয়া আসিফ আলীও বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন।
এর আগে ২৫৮ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে শূন্য রানে ওপেনার ফখর জামানের উইকেট হারিয়ে প্রাথমিক বিপর্যয়ে পড়ে যায় পাকিস্তান। সেই অবস্থা থেকে দলকে খেলায় ফেরান ইমাম-উল-হক ও বাবর আজম। দ্বিতীয় উইকেটে ১৫৪ রানের জুটি গড়েন তারা।
এরপর দ্রুত বিদায় নেন তারা। ইনিংসের শুরু থেকে অসাধারণ খেলতে থাকা ইমাম-উল-হক সেঞ্চুরির পথেই ছিলেন। রান আউট হওয়ার আগে ১০৪ বলে পাঁচটি চার ও একটি ছক্কার সাহায্যে ৮০ রান করেন ইমাম।
ইমাম-উল হক আউট হওয়ার ৪ রানের ব্যবধানে ফেরেন সেট ব্যাটসম্যান বাবর আজম। রশিদ খানের গুগলি বলে বিভ্রান্ত হওয়ার আগে ৯৪ বল খেলে ৬৬ রান করেন বাবর আজম।
মুজিবুর রহমানের তৃতীয় শিকারে পরিণত হওয়ার আগে ২১ বলে মাত্র ১৩ রান করেন হারিস সোহেল।
এর আগে হাশমতউল্লাহ শহীদির ক্যারিয়ার সেরা ৯৭ এবং আসগর স্টানিকজাইয়ের ৬৭ রানের ইনিংসে ভর করে ৭ উইকেটে ২৫৭ রান সংগ্রহ করে আফগানিস্তান।
আফগানিস্তানের উন্নতি চোখে পড়ার মতো। নবীন হয়েও শক্তিশালী দলের মতোই খেলছে আফগানিস্তান ক্রিকেট দল। চলমান এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্বের দুই খেলায় শ্রীলংকা ও বাংলাদেশকে বড় ব্যবধানে পরাজিত করেছে আফগানরা।
সুপার ফোরেও পাকিস্তানের বিপক্ষেও অসাধারণ ক্রিকেট খেলে যাচ্ছে যুদ্ধ বিধ্বস্ত আফগান ক্রিকেটাররা।
শুক্রবার আবুধাবিতে এশিয়া কাপের সুপার ফোরের দ্বিতীয় ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নামে আফগানিস্তান।
ইনিংসের শুরুতে ৩১ রানে দুই ওপেনারের উইকেট হারিয়ে প্রাথমিক বিপর্যয়ে পড়ে যাওয়া আফগানিস্তানকে খেলায় ফেরান রহমত শাহ ও হাশতউল্লাহ। তৃতীয় উইকেটে ৬৩ রানের জুটি গড়ে সাজঘরে ফেরেন রহমত শাহ (৩৬)।
এরপর অধিনায়ক আসগর স্টানিকজাইকে সঙ্গে নিয়ে ১০৪ রানের জুটি গড়েন হাশমতউল্লাহ। সাম্প্রতিক সময়ে অফ ফর্মে থাকা আফগান অধিনায়ক পাকিস্তানের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে অসাধারণ ইনিংস খেলেন। তার ৬৭ রানের ইনিংসটি ৫৬ বলে পাঁচটি ছক্কা ও দুটি চারে সাজানো।
এরপর সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ নবি এবং নজিবউল্লাহ জাদরান ৭ ও ৫ রানে ফিরে গেলেও ইনিংসের শেষ পর্যন্ত খেলে যান হাশমতউল্লাহ। ১১৮ বল খেলে সাত চারের সাহায্যে ৯৭ রান করেন তিনি।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
























