ঢাকা ০৫:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পুলিশসহ জরুরি সেবায় জ্বালানি রেশনিং তুলে নেওয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ পর্যালোচনার আড়ালে ঢাকাকে কী বার্তা দিল দিল্লি বিএনপির সাংবাদিক হইয়েন না, সাংবাদিক হোন একটু : অর্থমন্ত্রী কামরাঙ্গীচরে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে হত্যা, ১৪ বছর পর স্বামীর মৃত্যুদণ্ড মুক্তিযুদ্ধকে কৌশলে ভুলিয়ে দেয়ার চেষ্টা সফল হবে না: রিজভী মশক নিধনে বর্তমান ওষুধ কার্যকরী হলেও বিকল্প ভাবছি: আবদুস সালাম ট্রাম্পের অনুষ্ঠানে হামলার উদ্দেশ্য কী ছিল, মুখ খুললেন হামলাকারী ‘গুপ্তদের কারণেই ফ্যাসিবাদ বিদায় নিয়েছে, এটি আমাদের অহংকার’ প্রশ্নফাঁস রোধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে সরকার: মাহদী আমিন বেকারত্ব দূর করতে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো পিছিয়ে আছে: শিক্ষামন্ত্রী

দুর্দান্ত কামব্যাক ভারতের

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:  

দুর্দান্ত শুরু এনে দিয়েছিলেন নিজাকাত খান ও অংশুমান রাথ। তবে রেশটা ধরে রাখতে পারলেন না ক্রিস্টোফার কার্টার ও বাবর হায়াত। কিছুক্ষণ আগেই মাত্র ৩ রান করে ফেরেন কার্টার। ফের শিকারী খলিল। তার দুর্দান্ত ডেলিভেরিতে ধোনিকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি।

এবার তার পথ অনুসরণ করলেন বাবর। ব্যক্তিগত ১৮ রান করে যুজবেন্দ্র চাহালের শিকার হয়ে ফিরলেন তিনি।

শেষ খবর পর্যন্ত ৪১ ওভার শেষে ৪ উইকেটে ২০৩ রান তুলেছে হংকং। জয়ের জন্য এখন তাদের দরকার ৮৩ রান। কিনচিত শাহ ৪ ও এহসান খান ২ রান নিয়ে ব্যাট করছেন।

জবাবে শুরুটা শুভ করেন হংকংয়ের দুই ওপেনার নিজাকাত খান ও অংশুমান রাথ। দুর্দান্ত জুটি গড়ে তুলেছিলেন তারা। ভারতীয় বোলারদের ঘাম ঝরিয়ে ছাড়ছিলেন এ ওপেনিং জুটি। তাতে দুরন্ত গতিতে ছুটছিল নবাগত দলটি।

তবে হঠাৎই ছন্দপতন। কুলদ্বীপ যাদবকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে ফেরেন রাথ। ফেরার আগে ক্যারিয়ারের সপ্তম হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি। ৯৭ বলে ৪ চারে ৭২ রানের কাঁপন ধরানো ইনিংস খেলে সাজঘরের পথ ধরেন হংকং অধিনায়ক।

সঙ্গী হারিয়ে স্থায়ী হতে পারেননি নিজাকাতও। খলিল আহমেদের এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়ে ফেরেন তিনি। ফেরার আগে ক্যারিয়ারের তৃতীয় হাফসেঞ্চুরি হাঁকান এ ওপেনার। ১১৫ বলে ১২ চার ও ১ ছক্কায় ৯২ রান করেন তিনি।

এর আগে দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ৭ উইকেটে ২৮৫ রান করে ভারত। দুর্দান্ত সেঞ্চুরি তুলে নেন শিখর ধাওয়ান (১২৭)। এটি তার ক্যারিয়ারের ১৪তম সেঞ্চুরি। ১২০ বলে ১৫ চার ও ২ ছক্কায় এ ঝকঝকে ইনিংস খেলেন তিনি। এর মাঝে হাফসেঞ্চুরি করেন আম্বাতি রাইডু (৬০)।

প্রথমদিকে ভালোই রান ছিল রোহিত বাহিনীর। এক পর্যায়ে ২ উইকেটেই ২৪০ রান করে ফেলেন তারা। তবে ধাওয়ান ফেরার পরই মড়ক লাগে ভারতীয় শিবিরে। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে তারা। ধোনি তো রানের খাতাই খুলতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত কার্তিকের ৩৩ রান ও কেদার যাদবের ২৮ রানের সুবাদে ৭ উইকেটে ২৮৫ রান তোলে ভারত।

হংকংয়ের হয়ে কিনচিত শাহ নেন ৩ উইকেট। ২ উইকেট শিকার করেন এহসান খান। ১টি করে উইকেট ঝুলিতে ভরেন এহসান নেওয়াজ ও আইজাজ খান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

পুলিশসহ জরুরি সেবায় জ্বালানি রেশনিং তুলে নেওয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

দুর্দান্ত কামব্যাক ভারতের

আপডেট সময় ০১:১৯:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:  

দুর্দান্ত শুরু এনে দিয়েছিলেন নিজাকাত খান ও অংশুমান রাথ। তবে রেশটা ধরে রাখতে পারলেন না ক্রিস্টোফার কার্টার ও বাবর হায়াত। কিছুক্ষণ আগেই মাত্র ৩ রান করে ফেরেন কার্টার। ফের শিকারী খলিল। তার দুর্দান্ত ডেলিভেরিতে ধোনিকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি।

এবার তার পথ অনুসরণ করলেন বাবর। ব্যক্তিগত ১৮ রান করে যুজবেন্দ্র চাহালের শিকার হয়ে ফিরলেন তিনি।

শেষ খবর পর্যন্ত ৪১ ওভার শেষে ৪ উইকেটে ২০৩ রান তুলেছে হংকং। জয়ের জন্য এখন তাদের দরকার ৮৩ রান। কিনচিত শাহ ৪ ও এহসান খান ২ রান নিয়ে ব্যাট করছেন।

জবাবে শুরুটা শুভ করেন হংকংয়ের দুই ওপেনার নিজাকাত খান ও অংশুমান রাথ। দুর্দান্ত জুটি গড়ে তুলেছিলেন তারা। ভারতীয় বোলারদের ঘাম ঝরিয়ে ছাড়ছিলেন এ ওপেনিং জুটি। তাতে দুরন্ত গতিতে ছুটছিল নবাগত দলটি।

তবে হঠাৎই ছন্দপতন। কুলদ্বীপ যাদবকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে ফেরেন রাথ। ফেরার আগে ক্যারিয়ারের সপ্তম হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি। ৯৭ বলে ৪ চারে ৭২ রানের কাঁপন ধরানো ইনিংস খেলে সাজঘরের পথ ধরেন হংকং অধিনায়ক।

সঙ্গী হারিয়ে স্থায়ী হতে পারেননি নিজাকাতও। খলিল আহমেদের এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়ে ফেরেন তিনি। ফেরার আগে ক্যারিয়ারের তৃতীয় হাফসেঞ্চুরি হাঁকান এ ওপেনার। ১১৫ বলে ১২ চার ও ১ ছক্কায় ৯২ রান করেন তিনি।

এর আগে দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ৭ উইকেটে ২৮৫ রান করে ভারত। দুর্দান্ত সেঞ্চুরি তুলে নেন শিখর ধাওয়ান (১২৭)। এটি তার ক্যারিয়ারের ১৪তম সেঞ্চুরি। ১২০ বলে ১৫ চার ও ২ ছক্কায় এ ঝকঝকে ইনিংস খেলেন তিনি। এর মাঝে হাফসেঞ্চুরি করেন আম্বাতি রাইডু (৬০)।

প্রথমদিকে ভালোই রান ছিল রোহিত বাহিনীর। এক পর্যায়ে ২ উইকেটেই ২৪০ রান করে ফেলেন তারা। তবে ধাওয়ান ফেরার পরই মড়ক লাগে ভারতীয় শিবিরে। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে তারা। ধোনি তো রানের খাতাই খুলতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত কার্তিকের ৩৩ রান ও কেদার যাদবের ২৮ রানের সুবাদে ৭ উইকেটে ২৮৫ রান তোলে ভারত।

হংকংয়ের হয়ে কিনচিত শাহ নেন ৩ উইকেট। ২ উইকেট শিকার করেন এহসান খান। ১টি করে উইকেট ঝুলিতে ভরেন এহসান নেওয়াজ ও আইজাজ খান।