ঢাকা ০৯:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায় পটুয়াখালীতে দুই বান্ধবীকে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার ধর্ষকের মা সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জরুরি নির্দেশনা শিশু পানিতে পড়লেই বাজবে সাইরেন, কল যাবে ফোনে,দাবি ভোলার তরুণ উদ্ভাবকএর আমেরিকার উস্কানিতে ইরানে বিক্ষোভ : মাসুদ পেজেশকিয়ান আমার মনোনয়ন বাতিল করার কোনো কারণ ছিল না: মাহমুদুর রহমান মান্না ব্রিটিশ সরকারকে ‘ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিলেন ইলন মাস্ক ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনে বাণিজ্যে প্রভাব পড়বে না : শেখ বশিরউদ্দীন

আলেমদের জন্য আবাসিক পল্লী গড়ে তোলা হবে: লিটন

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত মেয়র প্রার্থী এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেছেন, সরকার ইমাম, খতিব, আলেম ও ওলামাদের জন্য কাজ করছে। সরকারি নীতিমালার মাধ্যমে তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন করা হবে। আগামীতে রাজশাহীতে আলেম সমাজের জন্য আবাসিক পল্লী গড়ে তোলা হবে।

শনিবার দুপুরে রাজশাহীর একটি কমিউনিটি সেন্টারে মহানগরীর সর্বস্তরের ইমাম ও ওলামাদের উদ্যোগে আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী ও মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে লিটন বলেন, আমি মেয়র থাকার সময় নগরীর সার্বিক উন্নয়নে কাজ করেছি। ইমাম-ওলামাদের জন্য ঈদে শুভেচ্ছা ভাতার ব্যবস্থা করেছি। সে সময় তাদের জন্য তহবিল গঠনের কাজ শুরু করলেও তা অসম্পন্ন থেকে যায়। আগামীতে ইমাম-ওলামাদের জন্য স্থায়ী তহবিল গঠন করা হবে। এই তহবিল থেকে তাদের নিয়মিত সম্মানী দেয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

অনুষ্ঠানের সভাপতি ইসলামী ফাউন্ডেশনের রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের সাবেক পরিচালক সৈয়দ আমিনউদ্দিন মাহমুদ বলেন, খায়রুজ্জামান লিটনের আমলে, ইমাম-ওলামারা সম্মানিত হয়েছেন। তিনি মেয়র থাকার সময় বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছিলেন। পরের মেয়রের আমলে সব কর্মসূচি কোথায় যেন হারিয়ে গেছে। আশা করছি আগামীতে লিটন ভাই আমাদের জন্য আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করবেন।

মতবিনিময় সভায় ইমাম-ওলামেরা বলেন, ইসলামের নামে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালানো হলে সেটা জিহাদ হবে না। যারা ইসলামের শক্র তারাই জঙ্গিবাদে জড়িত। প্রকৃত আলেমরা কখনো জঙ্গিবাদে জড়িত হয় না। বাংলাদেশ ইমাম সমিতি রাজশাহী মহানগরীর সাধারণ সম্পাদক ড. মুহাম্মদ কাওসার হুসাইনের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় প্রধান আলোচক ছিলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. বারকুল্লাহ বিন দুরুল হুদা।

অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন- বাংলাদেশ জাতীয় মুফাসসির পরিষদের সিনিয়র সহসভাপতি অধ্যক্ষ এইচএম শহীদুল ইসলাম, উপশহর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব মুফতি ওমর ফারুক প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শার্টের বুকে ‘কাপুর’ লিখে আলোচনায় আলিয়া ভাট

আলেমদের জন্য আবাসিক পল্লী গড়ে তোলা হবে: লিটন

আপডেট সময় ০৬:০১:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ জুন ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত মেয়র প্রার্থী এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেছেন, সরকার ইমাম, খতিব, আলেম ও ওলামাদের জন্য কাজ করছে। সরকারি নীতিমালার মাধ্যমে তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন করা হবে। আগামীতে রাজশাহীতে আলেম সমাজের জন্য আবাসিক পল্লী গড়ে তোলা হবে।

শনিবার দুপুরে রাজশাহীর একটি কমিউনিটি সেন্টারে মহানগরীর সর্বস্তরের ইমাম ও ওলামাদের উদ্যোগে আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী ও মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে লিটন বলেন, আমি মেয়র থাকার সময় নগরীর সার্বিক উন্নয়নে কাজ করেছি। ইমাম-ওলামাদের জন্য ঈদে শুভেচ্ছা ভাতার ব্যবস্থা করেছি। সে সময় তাদের জন্য তহবিল গঠনের কাজ শুরু করলেও তা অসম্পন্ন থেকে যায়। আগামীতে ইমাম-ওলামাদের জন্য স্থায়ী তহবিল গঠন করা হবে। এই তহবিল থেকে তাদের নিয়মিত সম্মানী দেয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

অনুষ্ঠানের সভাপতি ইসলামী ফাউন্ডেশনের রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের সাবেক পরিচালক সৈয়দ আমিনউদ্দিন মাহমুদ বলেন, খায়রুজ্জামান লিটনের আমলে, ইমাম-ওলামারা সম্মানিত হয়েছেন। তিনি মেয়র থাকার সময় বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছিলেন। পরের মেয়রের আমলে সব কর্মসূচি কোথায় যেন হারিয়ে গেছে। আশা করছি আগামীতে লিটন ভাই আমাদের জন্য আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করবেন।

মতবিনিময় সভায় ইমাম-ওলামেরা বলেন, ইসলামের নামে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালানো হলে সেটা জিহাদ হবে না। যারা ইসলামের শক্র তারাই জঙ্গিবাদে জড়িত। প্রকৃত আলেমরা কখনো জঙ্গিবাদে জড়িত হয় না। বাংলাদেশ ইমাম সমিতি রাজশাহী মহানগরীর সাধারণ সম্পাদক ড. মুহাম্মদ কাওসার হুসাইনের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় প্রধান আলোচক ছিলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. বারকুল্লাহ বিন দুরুল হুদা।

অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন- বাংলাদেশ জাতীয় মুফাসসির পরিষদের সিনিয়র সহসভাপতি অধ্যক্ষ এইচএম শহীদুল ইসলাম, উপশহর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব মুফতি ওমর ফারুক প্রমুখ।