ঢাকা ১০:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

বরগুনায় কমিটি না পেয়ে বিএনপি অফিস ভাঙচুর করে তালা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বরগুনায় যুবদলের নতুন কমিটি ঘোষণাকে কেন্দ্র করে বিএনপি অফিস ভাঙচুর করে তালা লাগিয়ে দিয়েছে পদবঞ্চিত বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা। শনিবার দুপুর ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

শুক্রবার যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটি জাহিদ মোল্লাকে সভাপতি, ডিলার জুয়েলকে সাধারণ সম্পাদক ও মুরাদুজ্জামান টিপনকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে বরগুনা যুবদলের নতুন কমিটি অনুমোদন করলে জেলা বিএনপির কার্যালয় ভাঙচুর করে যুবদলের স্থানীয় নেতাকর্মীরা। এ সময় তারা অফিসে তালা লাগিয়ে দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

বিক্ষুব্ধ তৃণমূল নেতাকর্মীরা জানান, বিগত দিনে রাজপথে থেকে পুলিশের মার খেয়ে বিভিন্ন মামলা হামলার যারা শিকার হয়েছেন তাদের বাদ দিয়ে নতুন কমিটি দিয়েছে কেন্দ্রীয় নেতারা। যাদের দিয়ে নতুন কমিটি অনুমোদিত হয়েছে তারা কখন বিএনপির মিছিল মিটিংএ অংশগ্রহণ করেনি, এমনকি তাদের নামে নেই কোনো মামলা।

যাকে সভাপতি করা হয়েছে তিনি হলেন জেলা বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মোল্লার আপন ছোট ভাই এবং সাধারণ সম্পাদক হলেন সভাপতির ফুফাতো ভাই।

তারা আরও বলেন, জেলা যুবদলের সভাপতি তালিমুল ইসলাম পলাশের নামে রয়েছে প্রায় ২ ডজন রাজনৈতিক মামলা। গ্রেফতার হয়ে জেল খেটেছে ২০-২৫ বার। তাকে বাদ দিয়ে বর্তমানে যে নতুন কমিটি প্রণয়ন করা হয়েছে এ কমিটি আমরা মানি না।

কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীদের কাছে আমাদের একটাই দাবি এ কমিটিকে বাদ দিয়ে তালিমুল ইসলাম পলাশকে সভাপতি করে পুনরায় কমিটি অনুমোদন দেয়া হোক। নতুবা আমাদের আন্দোলন চলবে বলে হুশিয়ারি দিয়েছেন নেতাকর্মীরা।

এ ব্যাপারে জেলা বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মোল্লা জানান, কমিটি অনুমোদন দিয়েছেন কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতারা। বরগুনার অফিস ভাঙচুর করা ঠিক হয়নি মন্তব্য করে তিনি বলেন,আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা উচিত।

বরগুনা থানার ওসি এসএম মাসুদুজ্জামান জানান, জেলা বিএনপি অফিস ভাঙচুরের ঘটনা শুনে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অফিস তালাবদ্ধ দেখতে পায়, এ সময় কোনো বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মী ওখানে ছিল না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বরগুনায় কমিটি না পেয়ে বিএনপি অফিস ভাঙচুর করে তালা

আপডেট সময় ০৮:৫০:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ জুন ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বরগুনায় যুবদলের নতুন কমিটি ঘোষণাকে কেন্দ্র করে বিএনপি অফিস ভাঙচুর করে তালা লাগিয়ে দিয়েছে পদবঞ্চিত বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা। শনিবার দুপুর ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

শুক্রবার যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটি জাহিদ মোল্লাকে সভাপতি, ডিলার জুয়েলকে সাধারণ সম্পাদক ও মুরাদুজ্জামান টিপনকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে বরগুনা যুবদলের নতুন কমিটি অনুমোদন করলে জেলা বিএনপির কার্যালয় ভাঙচুর করে যুবদলের স্থানীয় নেতাকর্মীরা। এ সময় তারা অফিসে তালা লাগিয়ে দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

বিক্ষুব্ধ তৃণমূল নেতাকর্মীরা জানান, বিগত দিনে রাজপথে থেকে পুলিশের মার খেয়ে বিভিন্ন মামলা হামলার যারা শিকার হয়েছেন তাদের বাদ দিয়ে নতুন কমিটি দিয়েছে কেন্দ্রীয় নেতারা। যাদের দিয়ে নতুন কমিটি অনুমোদিত হয়েছে তারা কখন বিএনপির মিছিল মিটিংএ অংশগ্রহণ করেনি, এমনকি তাদের নামে নেই কোনো মামলা।

যাকে সভাপতি করা হয়েছে তিনি হলেন জেলা বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মোল্লার আপন ছোট ভাই এবং সাধারণ সম্পাদক হলেন সভাপতির ফুফাতো ভাই।

তারা আরও বলেন, জেলা যুবদলের সভাপতি তালিমুল ইসলাম পলাশের নামে রয়েছে প্রায় ২ ডজন রাজনৈতিক মামলা। গ্রেফতার হয়ে জেল খেটেছে ২০-২৫ বার। তাকে বাদ দিয়ে বর্তমানে যে নতুন কমিটি প্রণয়ন করা হয়েছে এ কমিটি আমরা মানি না।

কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীদের কাছে আমাদের একটাই দাবি এ কমিটিকে বাদ দিয়ে তালিমুল ইসলাম পলাশকে সভাপতি করে পুনরায় কমিটি অনুমোদন দেয়া হোক। নতুবা আমাদের আন্দোলন চলবে বলে হুশিয়ারি দিয়েছেন নেতাকর্মীরা।

এ ব্যাপারে জেলা বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মোল্লা জানান, কমিটি অনুমোদন দিয়েছেন কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতারা। বরগুনার অফিস ভাঙচুর করা ঠিক হয়নি মন্তব্য করে তিনি বলেন,আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা উচিত।

বরগুনা থানার ওসি এসএম মাসুদুজ্জামান জানান, জেলা বিএনপি অফিস ভাঙচুরের ঘটনা শুনে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অফিস তালাবদ্ধ দেখতে পায়, এ সময় কোনো বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মী ওখানে ছিল না।