ঢাকা ০৬:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মাদকবিরোধী অভিযানে নিরীহ কেউ শিকার হয়নি: প্রধানমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মাদকবিরোধী অভিযানে নিরীহ কেউ শিকার হয়নি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এমন কোনো ঘটনা ঘটলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ সময় তিনি মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।

সাম্প্রতিক ভারত সফর নিয়ে বুধবার বিকালে গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।চলমান অভিযানে নিহতের ঘটনাগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি সমর্থনের প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মাদকবিরোধী নির্মূল অভিযান নিয়ে প্রশ্ন করা হলে শেখ হাসিনা বলেন, মাদক সমাজে একটা ব্যাধির মতো, আপনারাই পত্রপত্রিকায় লিখেছেন এটা। আপনারা কি চান অভিযান চলুক, নাকি বন্ধ হয়ে যাক?

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাজে সমর্থন রেখে সরকারপ্রধান বলেন, খুব স্বাভাবিক যে এই ধরনের অভিযান চালাতে গেলে কিছু ঘটনা ঘটতেই পারে।

নিরপরাধ কেউ এই অভিযানের শিকার হচ্ছে না দাবি করে তিনি বলেন, এ পর্যন্ত যে কয়টা ঘটনা হয়েছে, মনে হয় না একটাও নিরীহ ব্যক্তি শিকার হয়েছে।

গণমাধ্যমে গ্রেফতারের ঘটনাগুলোকে বাদ দিয়ে শুধু নিহতের ঘটনাগুলোকেই সামনে আনা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি জানান, অভিযানে এই পর্যন্ত ১০ হাজারের বেশি ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মাদকের বিস্তারে পেছনের মানুষের (গডফাদার) বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যত প্রভাবশালীই হোক না কেন, কাউকে ছাড় না দেয়ার ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, আমি যখন যা ধরি, ভালো করেই ধরি।

এই অভিযান হঠাৎই শুরু হয়নি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন গোয়েন্দা সংস্থা তথ্য নিয়ে নজরদারি চালিয়ে এরপরই এই অভিযান চালানো হচ্ছে।

তিস্তা চুক্তির অগ্রগতির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তিস্তার ন্যায্য হিস্যা আদায়ে দু’দেশের মধ্যকার যৌথ নদী কমিশনে আলোচনা চলছে।

তিস্তা চুক্তির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো কথা হয়েছে কি-না, প্রশ্ন করা হলে সরকারপ্রধান বলেন, পশ্চিমবঙ্গ সফরে গিয়েছি বাংলাদেশ ভবন উদ্বোধনে, সেদিকেই আমাদের গুরুত্ব ছিল। আর তিস্তা চুক্তির বিষয়ে আমাদের দু’দেশের যৌথ নদী কমিশন আছে, সেখানে আলোচনা চলছে।

এই সফর অত্যন্ত ফলপ্রসূ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সফরের মধ্য দিয়ে দু’দেশের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

মাদকবিরোধী অভিযানে নিরীহ কেউ শিকার হয়নি: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৫:২৩:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মাদকবিরোধী অভিযানে নিরীহ কেউ শিকার হয়নি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এমন কোনো ঘটনা ঘটলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ সময় তিনি মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।

সাম্প্রতিক ভারত সফর নিয়ে বুধবার বিকালে গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।চলমান অভিযানে নিহতের ঘটনাগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি সমর্থনের প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মাদকবিরোধী নির্মূল অভিযান নিয়ে প্রশ্ন করা হলে শেখ হাসিনা বলেন, মাদক সমাজে একটা ব্যাধির মতো, আপনারাই পত্রপত্রিকায় লিখেছেন এটা। আপনারা কি চান অভিযান চলুক, নাকি বন্ধ হয়ে যাক?

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাজে সমর্থন রেখে সরকারপ্রধান বলেন, খুব স্বাভাবিক যে এই ধরনের অভিযান চালাতে গেলে কিছু ঘটনা ঘটতেই পারে।

নিরপরাধ কেউ এই অভিযানের শিকার হচ্ছে না দাবি করে তিনি বলেন, এ পর্যন্ত যে কয়টা ঘটনা হয়েছে, মনে হয় না একটাও নিরীহ ব্যক্তি শিকার হয়েছে।

গণমাধ্যমে গ্রেফতারের ঘটনাগুলোকে বাদ দিয়ে শুধু নিহতের ঘটনাগুলোকেই সামনে আনা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি জানান, অভিযানে এই পর্যন্ত ১০ হাজারের বেশি ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মাদকের বিস্তারে পেছনের মানুষের (গডফাদার) বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যত প্রভাবশালীই হোক না কেন, কাউকে ছাড় না দেয়ার ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, আমি যখন যা ধরি, ভালো করেই ধরি।

এই অভিযান হঠাৎই শুরু হয়নি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন গোয়েন্দা সংস্থা তথ্য নিয়ে নজরদারি চালিয়ে এরপরই এই অভিযান চালানো হচ্ছে।

তিস্তা চুক্তির অগ্রগতির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তিস্তার ন্যায্য হিস্যা আদায়ে দু’দেশের মধ্যকার যৌথ নদী কমিশনে আলোচনা চলছে।

তিস্তা চুক্তির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো কথা হয়েছে কি-না, প্রশ্ন করা হলে সরকারপ্রধান বলেন, পশ্চিমবঙ্গ সফরে গিয়েছি বাংলাদেশ ভবন উদ্বোধনে, সেদিকেই আমাদের গুরুত্ব ছিল। আর তিস্তা চুক্তির বিষয়ে আমাদের দু’দেশের যৌথ নদী কমিশন আছে, সেখানে আলোচনা চলছে।

এই সফর অত্যন্ত ফলপ্রসূ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সফরের মধ্য দিয়ে দু’দেশের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হয়েছে।