অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
শিক্ষক স্বামীর চলন্ত মোটরসাইকেলের পেছন থেকে পড়ে গিয়ে তাহমিনা খাতুন (৪৫) নামে এক মাদ্রাসাশিক্ষিকা প্রাণ হারিয়েছেন। বৃহস্পতিবার বিকালে এ ঘটনায় আহত হওয়ার পর ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৮টায় মৃত্যু হয় তার।
নিহত তাহমিনা খাতুন কেন্দুয়া উপজেলার রায়পুর পিজাহাতি দাখিল মাদ্রাসার ট্রেড ইন্সপেক্টর হিসেবে কর্মরত ছিলেন। মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মো. হারুর অর রশিদ জানান, বৃহস্পতিবার মাদ্রাসা বন্ধ ছিল। এ সুযোগে শিক্ষিকা তাহমিনা খাতুন তার স্বামীর বাড়ি কেন্দুয়া উপজেলার মাসকা ইউনিয়নের পিজাহাতি গ্রাম থেকে শিক্ষক স্বামী নাজিম উদ্দিনের মোটরসাইকেলে চড়ে বাবার বাড়ি যাচ্ছিলেন।
তার বাবার বাড়িও একই উপজেলার সান্দিকোণা ইউনিয়নের বাঘবেড় গ্রামে। বিকাল ৩টার দিকে বাবার বাড়ি থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার দূরে সান্দিকোণা স্কুল অ্যান্ড কলেজের কাছে গিয়েই তিনি চলন্ত মোটরসাইকেলের পেছন থেকে পরে গিয়ে মারাত্মকভাবে আহত হন।
সঙ্গে সঙ্গে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে জরুরি বিভাগে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পর ভর্তি করা হয়। কিন্তু রাত ৮টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। শিক্ষিকা তাহমিনার এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। স্বামী নাজিম উদ্দিন গড়াডোবা আব্দুল হামিদ কারিগরি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক।
দুর্ঘটনায় শিক্ষিকা নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে ময়মনসিংহ কোতোয়ালি থানার ওসি মাহমুদুল ইসলাম জানান, শিক্ষিকার লাশ কেন্দুয়া থানার পুলিশ পরিদর্শকের (তদন্ত) রিপোর্টের প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই হস্তান্তর করা হয়েছে। কেন্দুয়া থানার ওসি স্বপন চন্দ্র সরকার জানান, শিক্ষিকার স্বামী ও বাবার পরিবারের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
























